সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

বাংলাদেশের যে দোকানে দোকানী ছাড়াই বিক্রি হচ্ছে জিনিস পত্র

দোকানের ভেতর থরে থরে সাজানো আছে লুঙ্গি, গামছা, তোয়ালে ও রুমাল। আছে প্রতিটি পণ্যের গায়ে দাম লেখা ট্যাগ। পণ্য কেনার পর ক্রেতারা যাতে নির্দিষ্ট দাম দিতে পারেন, এ জন্য রাখা আছে একটি ক্যাশবাক্সও। নেই শুধু বিক্রেতা। ‘ভিন্নরকম দোকান’ নামের বিক্রেতাহীন এই দোকানটি কুষ্টিয়ার কুমারখালী রেলওয়ে স্টেশনে।

দোকানের মালিক হামিদুর রহমান ওরফে শিপন। পেশায় তিনি হকার। হামিদুর বলেন, চালু হওয়ার পর থেকে সাত মাস ধরে দোকানটি বিক্রেতা ছাড়াই চলছে। তিনি মূলত হকার। শুধু দোকানে বসে থাকলে পরিবারের খরচ জোগাতে পারবেন না। তাই বিভিন্ন স্টেশনে গিয়ে লুঙ্গি-গামছা বিক্রি করেন। একই সঙ্গে বিক্রেতাহীন দোকানও খুলেছেন। ক্রেতারা এসে পছন্দমতো জিনিস কিনে মূল্য দেখে টাকা ক্যাশবাক্সে রেখে চলে যান।
দোকানে না বসার বিষয়ে হামিদুর বলেন, ‘দোকানে বসে থাকা আমার পক্ষে সম্ভব না। কারণ সংসার চালানোর রোজকার খরচ দোকান থেকে না-ও উঠতে পারে।’ তিনি জানান, দোকানে কোনো বিক্রেতা না থাকলেও চুরি হয় না।হামিদুর রহমান বলেন, ‘মানুষকে বিশ্বাস করি। তাঁদের বিশ্বাসের ওপর দোকান করেছি। সাত মাসে এভাবেই দোকান চলছে। মাসিক ৫০০ টাকায় দোকানটি ভাড়া নিয়েছি। প্রতিদিন ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা বিক্রি হয়। দোকানের জিনিস কোনো দিন চুরি হয়নি। এমনকি বিক্রির টাকাও কম পাইনি। কোনোদিনও হিসাবে টাকা কম পড়েনি।’
 
প্রতিদিন সকাল নয়টায় দোকান খোলা রেখে বের হন তিনি। রাত নয়টায় এসে দোকান বন্ধ করেন। ফেরি করে লাভ হয় ৩০০ টাকার মতো। আর দোকান থেকে প্রতিদিন দেড় থেকে দুই শ টাকা লাভ হয়। সব মিলিয়ে ভালোই চলে হামিদুরের সংসার।
 
দোকানটির পাশেই চাঁদ লাইব্রেরি। লাইব্রেরির মালিক শুকচাঁদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘সাত মাস ধরে দেখছি শিপন ব্যবসা করছে। দোকান খোলা রেখে চলে যায়। এভাবেই কেনাকাটা হয়। স্টেশনে আসা যাত্রী, বিশেষ করে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা বেশির ভাগ সময় এসব কেনাকাটা করে। চলতি পথের মানুষও কেনেন।’ (তথ্যসূত্র :প্রথমআলো)

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

নাক ডাকার সমস্যা চিরতরে দূর করবে পানীয় - দেখুন কি ভাবে তৈরী করবেন

নাক ডাকার সমস্যা যে বেশ বিরক্তিকর ও বিব্রতকর, তা নতুন করে বলে দিতে হয় না। যিনি নাক ডাকেন তিনি না বুঝলেও পাশে থাকা মানুষটির ঘুম হারাম হয়ে যায়। তাই নাক ডাকা সমস্যাকে অবহেলা না করে ঘরোয়া ভাবে খুব সহজে এবং বেশ সুস্বাদু উপায়ে এই সমস্যার সমাধান করুন।
১) গাজর-আপেলের জুস: শুনতে সাধারণ মনে হলেও এই জুসের রয়েছে শ্বাসনালী কিছুটা চওড়া ও শ্বাসনালীর মিউকাস দ্রুত নিঃসরণের ক্ষমতা, যা নাক ডাকা থেকে মুক্তি দিতে বেশ কার্যকর।  প্রস্তুতপ্রণালি:  ১। ২ টি আপেল ছোটো ছোটো খণ্ডে কেটে নিন এবং ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করুন।  ২। এবার ২ টি গাজর কেটে ব্লেন্ডারে দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন।  ৩। এরপর একটি লেবুর ১/৪ অংশ কেটে রস চিপে এতে দিয়ে দিন এবং ১ চা চামচ আদা কুচি দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন।  ৪। কিছুটা পানি দিয়ে বেশ ভালো করে ব্লেন্ড করে নিয়ে ছেঁকে নিন। এই পানীয়টি প্রতিদিন পান করুন। নাক ডাকার সমস্যা দূরে পালাবে।  ২) হলুদের চা: হলুদ প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক। এটিও বেশ কার্যকর নাক ডাকা সমস্যার সমাধানে।  প্রস্তুতপ্রণালি: - ১। ২ কাপ পরিমাণ পানি চুলায় বসিয়ে জ্বাল দিতে থাকুন।  ২। এতে ১ চা চামচ পরিমাণ কাঁচা হলুদ বাটা দিয়ে দিন (গুঁড়ো হলেও চলবে)।…