সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

নতুন চুল গজানোসহ ঔষধি আদার সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী গুন

রান্নার অতি পরিচিত একটি মশলার নাম “আদা”। আদা শুধু রান্নার স্বাদ বৃদ্ধি করে না, এর ঔষধি গুণও অনেক। ঠান্ডা, সর্দি কাশি, পেটের ব্যথা আরো অনেক রোগ নিরাময় করতে আদা বেশ কার্যকরী। কিন্তু আপনি কি জানেন এই বহুগুণী আদার রয়েছে কিছু সৌন্দর্য উপকারিতা! কি অবাক হচ্ছেন? অবাক হওয়ার কিছু নেই, চুল এবং ত্বক পরিচর্চায় আদার রয়েছে নানা গুণ।

১। বয়সের ছাপ রোধ করতে :- আদাতে প্রায় ৪০টির বেশি অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান আছে যা ত্বকে বয়সের ছাপ পড়া রোধ করে। এর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান দেহের টক্সিন এবং বিষাক্ত উপাদান দূর করে দেহে রক্ত চলাচল সচল রাখে। এবং ত্বক রাখে সতেজ এবং ফ্রেশ। প্রতিদিন কিছু পরিমাণের আদা চিবিয়ে খাওয়ার অভ্যাস করুন।

২। বডি স্ক্রাব :- ১/২ টেবিল চামচ চিনির গুঁড়ো, ১/৪ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল, ২ চা চামচ আদা কুচি, একটি লেবুর রস। সবগুলো উপাদান মিশিয়ে নিন। এবার গোসলের সময় এটি স্ক্রাব হিসেবে ব্যবহার করুন। অব্যশই এটি ফ্রিজে সংরক্ষণ করুন। এক সপ্তাহ পর্যন্ত সংরক্ষণ করতে পারবেন।

৩। চুলের আগা ফাটা রোধে :- চুলের আগা ফাটা সমস্যায় প্রায় সব মেয়েদের পড়তে হয়, এই সমস্যা সমাধান করে দিবে আদা। শ্যম্পুর সাথে আদার তেল মিশিয়ে নিয়ে সেটি ব্যবহার করুন। এটি আগা ফাটা দূর করে চুলকে ময়েশ্চারাইজড করে তুলবে।
৪। নতুন চুল গজাতে :- ২ টেবিল চামচ আদার রস, ৬ টেবিল চামচ জোজেবা অয়েল মিশিয়ে মাথার তালুতে ভাল করে ম্যাসাজ করে নিন। এরপর এটি সারারাত অথবা ২০ মিনিট রাখুন। তারপর শ্যাম্পু করে ফেলুন। আদা ত্বকের রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।

৫। টোনার হিসেবে :- ২ চা চামচ আদা কুচি, ২ টেবিল চামচ মধু এবং ১ চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে ৩০ মিনিট ফ্রিজে রেখে দিন। এটি ত্বকে ভাল করে লাগিয়ে নিন। ৩০ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ত্বক ধুয়ে ফেলুন। আদাতে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, টোনিং উপাদান আছে যা ত্বকের টোনার হিসেবে কাজ করে থাকে।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

নাক ডাকার সমস্যা চিরতরে দূর করবে পানীয় - দেখুন কি ভাবে তৈরী করবেন

নাক ডাকার সমস্যা যে বেশ বিরক্তিকর ও বিব্রতকর, তা নতুন করে বলে দিতে হয় না। যিনি নাক ডাকেন তিনি না বুঝলেও পাশে থাকা মানুষটির ঘুম হারাম হয়ে যায়। তাই নাক ডাকা সমস্যাকে অবহেলা না করে ঘরোয়া ভাবে খুব সহজে এবং বেশ সুস্বাদু উপায়ে এই সমস্যার সমাধান করুন।
১) গাজর-আপেলের জুস: শুনতে সাধারণ মনে হলেও এই জুসের রয়েছে শ্বাসনালী কিছুটা চওড়া ও শ্বাসনালীর মিউকাস দ্রুত নিঃসরণের ক্ষমতা, যা নাক ডাকা থেকে মুক্তি দিতে বেশ কার্যকর।  প্রস্তুতপ্রণালি:  ১। ২ টি আপেল ছোটো ছোটো খণ্ডে কেটে নিন এবং ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করুন।  ২। এবার ২ টি গাজর কেটে ব্লেন্ডারে দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন।  ৩। এরপর একটি লেবুর ১/৪ অংশ কেটে রস চিপে এতে দিয়ে দিন এবং ১ চা চামচ আদা কুচি দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন।  ৪। কিছুটা পানি দিয়ে বেশ ভালো করে ব্লেন্ড করে নিয়ে ছেঁকে নিন। এই পানীয়টি প্রতিদিন পান করুন। নাক ডাকার সমস্যা দূরে পালাবে।  ২) হলুদের চা: হলুদ প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক। এটিও বেশ কার্যকর নাক ডাকা সমস্যার সমাধানে।  প্রস্তুতপ্রণালি: - ১। ২ কাপ পরিমাণ পানি চুলায় বসিয়ে জ্বাল দিতে থাকুন।  ২। এতে ১ চা চামচ পরিমাণ কাঁচা হলুদ বাটা দিয়ে দিন (গুঁড়ো হলেও চলবে)।…