সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

April, 2016 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

পাতিলেবু+শশা+আদাবাটা+মৌরি = নিশ্চিত ভুঁড়ি কমাবে আপনার

খাওয়া কমিয়েছেন, রোজ ব্যায়ামও করছেন। তবু ভুঁড়ি কমাতে পারছেন না? তলপেটে চেপে বসা থলথলে চর্বির বোঝী কী করে কমাবেন, তা নিয়ে ভেবে অস্থির? চিন্তা নেই। আমরা দিলাম সহজ টিপস। নিয়মিত মেনে চললেই কাজ হবে ম্যাজিকের মতো।

আমাদের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় যে পরিমাণ রাসায়নিক থাকে, তা আমাদের শরীর খারাপ করার পক্ষে যথেষ্ট। পাশাপাশি রয়েছে বর্তমানের সেডেন্টারি লাইফস্টাইল। দুইয়ে মিলে কমে যায় শরীরের মেটাবলিজম রেট। ফলস্বরূপ দেখা দেয় শরীরের অবাঞ্ছিত মেদ। বাড়ে টক্সিন সঞ্চয়।
এ সবের থেকে মুক্তি দিতে পারে শুধুমাত্র একটা পানীয়। রোজ রাতে শোওয়ার আগে এই পানীয় নিয়ম করে খেলে মেদ কমবেই কমবে। নিয়ন্ত্রণে থাকবে হাইপারটেনশন, ডায়াবেটিস, ভালো থাকবে হৃদযন্ত্রও।

উপকরণ: অর্ধেক পাতিলেবু, ১টি শশা, ১ চা চামচ আদাবাটা, এক গোছা পার্সলে পাতা, ১/৩ গ্লাস জল।

প্রণালী: সব উপকরণ জুসারে মিশিয়ে রস করে নিন। রোজ রাতে শোওয়ার আগে নিয়ম করে খান আর ফল পান হাতে হাতে।

"পার্সলে" পাতার বাংলা নাম কি? পার্সলে হলো "মৌরি" বা মিস্টি শজ বা গোয়ামুরি। আমাদের দেশে শীতকাল ছাড়া দুটোর (ধনেপাতা আর পার্সলে পাতা দেখতে একই রকম) কোনোটাই চাষ করা হয়ন…

পুরুষের যৌন শক্তি বৃদ্ধির ১০০% কার্যকর প্রাকৃতিক উপায়

প্রিয় পাঠক, আপনারা অনেকেই হয়ত জানেন না – প্রকৃতিতেই লুকিয়ে আছে যৌন স্বাস্থ্য সমস্যার অনেক সমাধান। প্রতিদিন খাবার তালিকায় কিছু পরিবর্তন নিয়ে এলেই স্বাস্থ্যকর যৌন জীবন লাভ করবেন খুব সহজেই। আসুন জেনে নেই যৌন স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী এমন কিছু খাবারের কথা।

ডিম (Egg):- ডিম সেদ্ধ হোক কিংবা ভাজি, সব ভাবেই ডিম যৌন স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি খাবার। ডিমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-৫ ও বি-৬ আছে যা শরীরের হরমোনের কার্যক্রম ঠিক রাখে এবং মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিনের সকালের নাস্তায় একটি করে ডিম রাখুন। এতে আপনার শরীর শক্তি পাবে এবং যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

কলিজা :- পুরুষের যৌন জীবনে খাদ্য হিসেবে কলিজারও অনেক প্রভাব রয়েছে। কারণ, কলিজায় প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক থাকে। আর এই জিঙ্ক শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা বেশি পরিমাণে রাখে।

যথেষ্ট পরিমাণ জিঙ্ক শরীরে না থাকলে পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে হরমোন নিঃসৃত হয় না। পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে যে হরমোন নিঃসৃত হয় তা টেস্টোস্টেরন তৈরি হওয়াতে সাহায্য করে। তাছাড়া জিঙ্ক এর কারণে আরোমেটেস এনজাইম নিঃসৃত হয়। এই এনজাইমটি অতিরিক্ত টেস্টোস্টেরোনকে এস্ট্রোজেনে …

আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করতে সক্ষম ইরান

‘বাসিরাত’ নামের একটি ওয়েবসাইটে হামিদ বায়েদিনেজাদ জানান, নিজেদের রক্ষা করার কথা চিন্তা করেই তেহরানের সামরিক নীতি ঠিক করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ধীরে ধীরে ইরানের সামরিক শক্তি বাড়ছে। এই মুহূর্তে আমাদের প্রতিরক্ষা ও ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির ক্ষেত্রে কোনো সীমাবদ্ধতা নেই। এছাড়া প্রযুক্তিগত দিক থেকেও আমাদের কোনো সীমাবদ্ধতা নেই।

বায়েদিনেজাদ বলেন, বিজ্ঞান আমাদের আমাদেরকে অনেক শক্তিশালী করেছে। আমরা এখন আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করতে পারি।
একইসাথে তিনি বলেন, ইরান এই সামরিক শক্তি সহিংসতা ও হুমকি বাড়ানোর জন্য গড়ে তোলে নি। বরং ইরানের প্রতি প্রতিনিয়ন যে হুমকি তা মোকাবেলা করার জন্যই ইরানের এই সামরিক শক্তি গড়ে তোলা হয়েছে।

অ্যাপেল সিডার ভিনেগারের কিছু অজানা উপকারিতা

আজকাল খুব বেশি পরিচিত একটি না অ্যাপেল সিডার ভিনেগার। সাধারনত এটি ওজন কমাতে সাহায্য করে, চুল পরা রোধ করা এবং গোড়া মজবুত ও চুল সিল্কি করতে সাহায্য করে। তাছাড়াও এটি স্কিন এর সৌন্দরয্য বাড়াতে সাহায্য করে। তাই এই পানীয়টি আজকাল খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কিন্তু এই পানীয়টির রয়েছে আরো কিছু গুনাগুন। আসুন জেনে নিই অ্যাপেল সিডার ভিনেগার এর কিছু অজানা উপকারিতা।

১। যাদের নাক প্রায় বন্ধ থাকে বা সর্দির সমস্যাতে নিশ্বাস নিতে কষ্ট হয় তাদের জন্য অ্যাপেল সিডার ভিনেগার খুব উপকারী। এতে রয়েছে এসেটিক এসিড যা অনুজীব প্রতিরোধ করে। প্রতিদিন ১ গ্লাস পানিতে ১ টেবল চামচ ভিনেগার মিশিয়ে পান করুন। এটি সাইনাসের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করবে।

২। প্রতিদিন সকাল বেলা অ্যাপেল সিডার ভিনেগার পানির সাথে মিশিয়ে গার্গেল করুন। এটি দাঁত এ জমে থাকা দাগ ও হলদে ভাব দূর করে সাথে মুখে জমে থাকা অনুজীব দূর করে থাকে। তারপর সাধারন নিয়মে দাঁত ব্রাশ করে ফেলুন।
৩। মাথার খুশকি হতে রেহায় পেতে এই অ্যাপেল সিডার ভিনেগার খুব ভালো কাজ করে। এতে থাকা এসিড খুশকি জন্মানোতে বাধা দান করে। ১/৪ টেবিল চামচ ভিনেগার, ১/৪ কাপ পানিতে মিশিয়ে ১টি বোতলে ভরে মাথার স্কা…

টাঙ্গাইলে মাসুদ মিয়ার তৈরী ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ ওষুধে দারুণ সুফলও পাচ্ছে রোগীরা !

টাঙ্গাইল পৌর কাগমারী কলেজ মোড়স্থ কবিরাজ মাসুদ মিয়ার তৈরী ওষুধে হচ্ছে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ। গাছ গাছরা দিয়ে তৈরী এ ওষুধে স্থায়ী ভাবে ডায়াবেটিস রোগ নিয়ন্ত্রণে আসায় দিনদিন তার রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ভীড় জমছে ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীর। এর সুফলও পাচ্ছে রোগীরা। এই সংবাদ নিয়ে সম্প্রতি সময়ের কণ্ঠস্বর একটি সংবাদ প্রচার করার পরে অনেক পাঠক এই সংবাদকে বিভ্রান্তিকর বলে দাবী করেন। তবে যারা বিশ্বাস করে কবিরাজ মাসুদ মিয়ার তৈরী ওষুধে উপকৃত হয়েছেন তাদের নিয়ে অন্তু দাস হৃদয়, স্টাফ রিপোর্টারের একটি সরেজমিন প্রতিবেদন। সরেজমিনে, মাসুদ মিয়ার বাড়িতে গিয়ে ও ডায়াবেটিস রোগীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, সিরাজগঞ্জের সাহেব পাড়া গ্রামের বীরমুক্তিযোদ্ধা বাহাদুর মিয়ার স্ত্রী জয়গন, তার বয়স বর্তমানে ৭০এর অধিক।
সে জানায়, তার বয়স যখন ৩৫/৪০ বছর তখন থেকেই তার ডায়াবেটিস রোগ হয়েছে বলে সে জানতে পারেন। প্রথমেই ২৭/২৮ পর্যন্ত ডায়াবেটিস থাকতো। সব সময় মাথা ঘুরানো সহ শরীর অসুস্থ্য থাকতো। কোন প্রকার কাজ কর্ম তার ভাল লাগতো না তার। অনেক চিকিৎসা সেবা এমনকি ইন্সুলেন্সও নিয়েছেন তিনি। অনেক বছর ধরে কত চিকিৎসা করেও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে রাখত…

নিশ্চত ওজন কমায় যে পানীয় গুলি

ওজন বাড়া নিয়ে অনেকের দু:শ্চিন্তার শেষ নেই। কিন্তু ওজন কমানো খুব সহজ কাজ নয় বিস্তর ঝামেলা। হাজার চেষ্টাতেও বশে থাকে না ভুঁড়ি। বাড়ছে তো বাড়ছেই। কাজের চাপ, দীঘর সময় বসে থাকা ওজন বাড়ার অন্যতম কারন। নানা ধরেনর পানীয় আমরা সব সময় পান করছি। জেনে নিন সহজে ভুঁড়ি কমাতে পারে এমন ৮ পানীয়।
আদা ও লেবুর শরবত : এক গ্লাস পানিতে আদা ও লেবুর রস মিশিয়ে সকাল বেলা খান। এতে পেট পরিষ্কার যেমন হবে, তেমনই মেদও ঝরবে। উপরি পাওনা হিসাবে ত্বকও ভাল থাকবে।

ভেজিটেবিল জুস: টোমাটো, গাজর ও আদার রসের তৈরি ভেজিটেবিল জুস পুষ্টিগুণ পরিপূর্ণ। এর ডায়েটারি ফাইবার হজমে সাহায্য করে ওজম কমায়।

গ্রিন টি: এর মধ্যে রয়েছে ফ্লাভনয়েড যার অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি গুণ যা কোমরের অংশের মেদ ঝরাতে সাহায্য করে।
ব্ল্যাক কফি: দুধ, চিনি ছাড়া কালো কফি দারুণ এনার্জি জোগানোর পাশাপাশি থার্মোজেনেসিসের সাহায্যে হজম ক্ষমতা বাড়ায়।ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে।

দারুচিনি ও মধু: এক গ্লাস পানিতে এক চামচ মধু ও আধ চা চামচ দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে খেয়ে নিন। এটা যেমন স্বাস্থ্যকর, তেমনই মেদ কমাতেও সাহায্য করে।

খেজুর ও কলা: একটা কলা ও একটা খেজুর এক সঙ্গে ব্লেন্ড করে নিন। এর স…

কোকাকোলা পানের এক ঘণ্টা পর আপনার শরীরে যা ঘটে

বিশ্ব জনপ্রিয় শীতল পানীয়র মধ্যে অন্যতম কোকাকোলা। এটা শরীরের জন্য কত ক্ষতিকর তা বোঝাতে কোকাকোলার সাথে পয়সার বিক্রিয়া কিংবা কোকাকোলা গরম করলে কী বিক্রিয়া হয়, তা নিয়ে বহু ভিডিও আমরা প্রায় সবাই দেখেছি। কিন্তু তারপরও কি কোকাকোলা খাওয়া একদিনের জন্য বাদ দিয়েছি আমরা ?

মিষ্টি এই পানীয় আসলেই শরীরের ভেতরে কীভাবে কাজ করে তা জানতে বেশ কিছুদিন ধরে গবেষণা করেছেন ফার্মাসিস্ট নিরাজ নায়েক। আর তিনি যা পেয়েছেন সেটা সত্যিই চিন্তিত হওয়ার মতো।

যুক্তরাজ্যের গণমাধ্যম ডেইলি স্টার অনলাইন জানিয়েছে, কোকাকোলা খাওয়ার এক ঘণ্টা পর এটি শরীরের মধ্যে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে তা একটি গ্রাফের মাধ্যমে দেখানোর চেষ্টা করেছেন নিরাজ। সেখানে দেখা গেছে, প্রথম চুমুক দেওয়ার পর থেকে ৬০ মিনিট পর পর্যন্ত সাতটি ধাপে এই কোমল পানীয় শরীরের মধ্যে বিক্রিয়া করে।
একটি ৩৩০ মিলিলিটারে এক ক্যান কোকাকোলা পানের মাধ্যমে ১০ চা চামচ পরিমাণ চিনি সরাসরি আপনার শরীরে প্রবেশ করে। যা প্রতিদিন গ্রহণযোগ্য চিনির পরিমাণের মাত্রার প্রায় আড়াই গুণ।

এ বিষয়ে নিরাজ তাঁর নিজস্ব ব্লগে লিখেছেন, চিনির মাত্রাটা এতটা বেশি যে এটা সরাসরি গ্রহণ করলে যে কারো বমি পেয়ে…

লেবুর রস যে জটিল রোগ থেকে মুক্তি দেবে

এ এমন এক ফল যা বহুল জটিল সমস্যা থেকে আপনাকে মুক্তি দিবে। সহজে পাওয়া যায় এমন জিনিসের প্রতি আমাদের আগ্রহ সব সময় কম থাকে।

ত্বকের সমস্যা? লিভার দায়ী। পেটের সমস্যা? লিভার দায়ী। চুলের সমস্যা? লিভার দায়ী। এমন এক অতি প্রয়োজনীয় অঙ্গকে আমরা হামেশাই দূচ্ছাই করে থাকি। জাঙ্ক ফুড, তেল-মশলাযুক্ত খাবার, অতিরিক্ত মদ্যপান, দীর্ঘ ক্ষণ খালি পেটে থাকা ইত্যাদি বহুবিধ অত্যাচার চলতেই থাকে লিভারের ওপর।

ফলে যা হওয়ার তাই হয়। লিভারও প্রতিশোধ নেয়। এখনকার ব্যস্ত সময়ে চটজলদি লিভারের যত্নই বা নেবেন কী করে? উপায় আছে, হদিস দিচ্ছি আমরা।

রোজ সকালে খালি পেটে একটি পাতিলেবুর রসের সঙ্গে এক চা চামচ অলিভ অয়েল ভালো করে মিশিয়ে খান। টানা এক মাস খাওয়ার পর আপনি নিজেই পরিবর্তন লক্ষ্য করতে পারবেন। কী সেই পরিবর্তন?
হজম শক্তি বেড়ে যাবে, ডার্ক সার্কেল মিলিয়ে যাবে, ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়বে আর সেই সঙ্গে সারা দিন এনার্জিতে টগবগ করবেন।

কী এমন করে এই মিরাকল মিক্সচার? প্রথমত, অলিভ অয়েল গল ব্লাডার বা পিত্ত থলি এবং লিভারের চ্যানেলগুলি খুলে দেয়। এবং সেখানে যত অবর্জনা জমে থাকে তা পরিষ্কার করে দেয়। লেবুর রসেরও কাজ অনেকটা একই রকম।

সঙ্গে যা করে তা হল,…

যে খাবারগুলি শেষ করে দিচ্ছে আপনার সেক্স ড্রাইভ এবং যৌন জীবন

আমরা অনেকেই জানি যে ডার্ক চকোলেট আর আমন্ড বাদাম সেক্সুয়াল ড্রাইভ বাড়িয়ে দেয় কিন্তু বেশ কিছু খাবার আছে যা এর উল্টোটাও করে। আমাদের এইসব খাবারের নাম জেনে রাখা খুবই দরকারী যারা আপনার সেক্স ড্রাইভ নষ্ট করে দেয়। আসুন এইরকম কিছু খাবারের দিকে নজর দি যা আপনার খাবেরের মেনু থেকে বাদ দেওয়া উচিত।

আর্টিফিসিয়াল সুইটনার: আর্টিফিসিয়াল সুইটনারের মধ্যে aspartame থাকে,এটা শরীরের হ্যাপি হর্মোন (serotonin) কে নষ্ট করে আর এর ফলে আপনার লিবিডো সাফর করে। শুধু এই নয় aspartameএর কিছু সাইড এফেক্টস আছে যেমন মাথা ব্যাথা,অ্যানসাইটি ডিসওর্ডার আর ইনসোমনিয়া। তাই পরেরবার দোকানে গেলে ন্যাচারাল সুইটনার যেমন মধু অথবা গুড় কিনুন। এতে আরও মধুময় হবে আপনার যৌন জীবন।

কর্ন ফ্লেক্স: অনেকেই জানেন না কর্ণ ফ্লেক্স এমন একটি খাবার যা আপনার যৌন কামনার সর্বনাশ করে। তাই যদি বিছানাতে রোম্যান্টিক ব্রেকফাস্টের প্ল্যান করেন বা রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে খিদে পায় তাহলে অবশ্যই কর্ণ ফ্লেক্স কে দূরে সরিয়ে রাখুন।
চিজ: আজকাল মার্কেটে যে সব ডেয়ারী প্রডাক্ট পাওয়া যায় তা বেশির ভাগ সময়তেই খাঁটি নয়। হাই-ফ্যাট ডেয়ারী প্রোডাক্ট যেমন চিজ খুবই ক্ষতিকর। বেশি মাত্র…

ক্যান্সার-ডায়াবেটিস-গ্যাস্ট্রিকের মহৌষধ আলুর রস ! জেনে নিন ব্যবহার পদ্ধতি ?

আলুর রস। আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান ও নতুন নতুন সব ঔষধের চাইতে অনেক অনেক বেশি কাজের ও ঔষধি গুণসম্পন্ন এই উপাদানটির কার্যক্ষমতা শুনলে চমকে উঠবেন যে কেউ! ডায়াবেটিস, গ্যাস্ট্রিক বা গ্যাস্ট্রাইটিস, নিম্ন রক্তচাপ, উত্তেজনা, এমনকি ক্যান্সারের মতো প্রাণঘাতী রোগেও আলুর রসের রয়েছে চমৎকার রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা। কাঁচা আলুর রসের ঔষধি ক্ষমতা স্বীকৃতি পেয়ে আসছে কয়েকশ’ বছর ধরে। আর বিশ্বের পুরো একটি প্রজন্মের মানুষ অসংখ্য গুরুতর রোগের চিকিৎসায় ব্যবহার করেছেন কাঁচা আলুর রস।

তবে এখনো কাঁচা আলুর রস পানের উপযোগিতা নিয়ে খানিকটা সন্দেহ রয়েই গেছে, যাকে মানুষের ইতিহাসে অন্যতম বড় ভুল বললেও কম বলা হবে। কারণ কাঁচা আলুর রসে সত্যিই অসাধারণ সব স্বাস্থ্য গুনাগুন রয়েছে। আলু ব্যবহারের আগে খোসা ছাড়িয়ে নিন, বিশেষ করে যদি আলুর কোনো অংশ সবুজ হয়ে থাকে কিংবা অঙ্কুর বেরিয়ে থাকে, তাহলে সেদিকটা ফেলে দিয়ে ভালো করে পরিষ্কার করে নিন। কারণ এই অংশটি বিপজ্জনক ও বিষাক্ত। এরপর রস বের করে নিন।

এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ও গবেষকরা বলছেন, আধুনিক যুগে খুব সাধারণ একটি স্বাস্থ্যসমস্যা গ্যাস্ট্রিটিসের প্রাকৃতিক চিকিৎসা হলো কাঁচা আলুর রস। বিশেষ করে এক টেবি…

পুরুষের বন্ধ্যাত্বের জন্যে দায়ী টুথপেস্ট থেকে সাবান!

টুথপেস্ট, সাবান বা খেলনা- আপাত নিরীহ এই ঘরয়ো জিনিসই দায়ী হতে পারে পুরুষের বন্ধ্যাত্বের জন্যে। হ্যাঁ, অবাক হবেন না। বিভিন্ন গবেষণার পরে এমনই তথ্য হাতে এসেছে বিজ্ঞানীদের। প্রতিদিনের ব্যবহারের এই সব জিনিসে মজুত 'নন-টক্সিক' কেমিকালের নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বীর্যের গুণমানের উপরে। টক্সিলজি টেস্টের এই ফল বেরোনোর পরে চিন্তা বাড়ছে 'নন-টক্সিক' কেমিকাল ঘিরে। প্রশ্ন উঠছে, আদৌ এই সব কেমিকাল কতটা নিরাপদ তা নিয়ে।  কিছু কিছু ক্ষেত্রে এই সব রসায়নিক পদার্থকে শরীর ইস্ট্রোজেন হরমোন (মহিলাদের হরমোন) হিসেবে ভাবতে শুরু করে। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে অ্যান্টি-অ্যান্ড্রোজেন হিসেবে কাজ করে এই সব রসায়নিক পদার্থ। এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় পুরুষদের প্রজনন ক্ষমতা। ডেনমার্কের কোপেনহেগেন বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের প্রফেসর নিয়েল স্কাকেবায়েক জানিয়েছেন, 'এই প্রথম আমরা প্রমাণ করতে পারলাম যে এন্ডোক্রিনের স্বাভাবিক কাজে ব্যাঘাত ঘটানো এই সব রসায়নিক পদার্থের বিরূপ প্রভাব পড়ে স্পার্মের উপর।'  সম্প্রতি ইএমবিও জার্নালে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী প্রতিদিনের ব্যবহারযোগ্য জিনিসের মধ্যে অন্তত ৩০ শতাংশ দ্রব্যে ব্যব…

পুরুষদের স্বাস্থ্যের জন্যে ঝুঁকিপূর্ণ ৬টি লক্ষণ ! জেনে নিন

আধুনিক নারী-পুরুষরা বেশ স্বাস্থ্য সচেতন বলে মনে করেন স্বাস্থ্যবিদরা। কিন্তু তারপরও বেশ কয়েকটি বিপজ্জনক শারীরিক সমস্যা পাত্তা দিতে চান না পুরুষরা। অথচ যেকোনো পুরুষের এমন সমস্যা হলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত বলেই মনে করেন তারা। পুরুষদের সচেতনতা বৃদ্ধিতে এ সমস্যার কথা তুলে ধরেছেন তারা।

১. বুকের ব্যথা : বুকে ব্যথা তেমনটা পাত্তা দেন না পুরুষরা। অথচ পুরুষদের অধিকাংশ বুকে ব্যথা হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ হয়ে দেখা দেয়। অন্যান্য কারণও রয়েছে। নিউমোনিয়া বা অ্যাজমার কারণেও বুকে ব্যথা হতে পারে। পাশাপাশি বাড়তে থাকা স্ট্রেস এবং অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের কারণেও বুকে ব্যথা হয়। পাকস্থলীর ক্যান্সার বা এসিডের কারণেও এ ব্যথা হতে পারে। ব্যথার কারণ না বুঝতে পারলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

২. শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া : হঠাৎ করেই শ্বাস নিতে সমস্যা হওয়া বহু পুরুষের স্বাভাবিক সমস্যা বলেই বিবেচিত হয়। কিন্তু বিষয়টা কার্ডিওভাসকুলার সিস্টেমের সঙ্গে জড়িত। ফুসফুসের সমস্যা, ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিস, এম্ফাইসেমা এবং অ্যাজমার কারণেও শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা হয়।
৩. অবসাদ : এ অবস্থাকে দারুণ ক্লান্তিকর অবস্থা এবং ঘুমের অভাব বলেই …

গাইবান্ধায় ‘অবহেলায়’ ফেলে রাখায় পবিত্র কোরআন শরীফ মাটিতে পরিনত!

মাটিতে রূপান্তর হওয়া দুটি কোরআন শরীফের সন্ধান পাওয়া গেছে গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের একটি বাড়িতে। হবিবুল¬াহপুর গ্রামের হাবিবুর রহমান নামে এক ব্যক্তির বাড়ীতে আশ্চর্য রকমভাবে পবিত্র দুইটি কোরআন শরীফের এমন পরিবর্তন নিয়ে চলছে আলোচনার ঝড় । স্থানীয়সুত্র জানিয়েছে, ‘প্রায় দুই বছর ধরে ঐ দুইটি পবিত্র কোরআন শরীফ ব্যবহার ও তেলাওয়াত না করায় মাটিতে পরিণত হয়েছে’।

গত মঙ্গলবার বিকেলে হাবিবুর রহমানের বৃদ্ধা মা ওমিছান নেছা বিষয়টি প্রথম দেখতে পান।

এদিকে এ ঘটনা এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে কোরআন শরীফ দুটি এক নজর দেখার জন্য ওই বাড়ীতে ভিড় করছেন আশপাশ এলাকার হাজার হাজার মানুষ ।

বিষয়টি জানতে পেরে সন্ধ্যার দিকে ঘটনাস্থলে গেলে ওমিছান নেছা স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, তার ছেলে হাবিবুর রহমান স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ঢাকার একটি গার্মেন্টে চাকুরী করেন। তিনি গত দুই বছর আগে তার ঘরে থাকা একটি শোকেজের ভিতরে কোরআন শরীফ দুইটি পৃথক ভাবে রেহেলে রেখে যান। এরপর তিনি মাঝে মধ্যে বাড়িতে আসলেও কোরআন শরীফ দুটির প্রতি কোন নজর পড়েনি।
ওমিছান নেছা আরো জানান, মঙ্গলবার বিকেলে ঘর ও ঘরের শোকেজসহ অন্যান্য মালামাল পরিস্কার করতে গিয়ে কোরআন শ…

স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে না শুলে যে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে !

সম্পর্কের গাড়ি কিছুদিন গড়ানোর পরে ধীরে ধীরে উৎসাহ-উদ্দীপনা অনেক কমে যায়। আগের মতো আবেগ ঘন মুহূর্ত খুব বেশি তৈরি হয় না। স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কে তা অনেক বেশি করে খাটে। সংসারের চাপে হোক অথবা অন্য কোনও কারণে, অনেক দম্পতিই বিয়ের কিছুদিন বা বছর পর থেকে আলাদা শুতে শুরু করেন। অনেক সময়ে সন্তানের জন্মের পর থেকেই তা শুরু হয়। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এতে দুজনের সম্পর্কের প্রভূত ক্ষতি হয়। স্বামী বা স্ত্রী, দুজনেরই আলাদা সত্ত্বা রয়েছে। দুজনের প্রতিমুহূর্তে একে অপরকে প্রয়োজন। সেখানে যদি দুজনে আলাদা শুয়ে থাকেন, তাহলে সম্পর্কে ফাটল ধরতে বাধ্য। স্বামী-স্ত্রী দুজনে আলাদা ঘরে আলাদা শুলে কি সমস্যা হতে পারে সম্পর্কের ক্ষেত্রে বা জীবনে এগিয়ে চলার ক্ষেত্রে তা জেনে নিন নিচের লেখা থেকে-

সম্পর্কে টান ধরে :- দুজনে আলাদা শুয়ে দিন কাটালে সম্পর্কের উষ্ণতা অনেক কমে যায়।
অন্তরঙ্গতা :- দুজনে একই বিছানায় না শুলে, একে অপরকে জড়িয়ে ধরে সুখ-দুঃখের কথা না বললে অন্তরঙ্গতা কমে যেতে বাধ্য। অন্যের প্রতি আকর্ষণ তৈরি হওয়া :- স্বামী বা স্ত্রী যেকারও ক্ষেত্রেই এটা হতে পারে। অন্য পুরুষ বা মহিলা সঙ্গীর প্রতি আকর্ষণ জন্মায়।
ঘৃণাভাব জ…

মশার কয়েলে আপনার যে ক্ষতি হয়

মশার কামড়ের হাত থেকে বাঁচতে হরহামেশা দোকানে দৌড়াই কয়েলের জন্য। অনেকে মশারি টানানোর ঝামেলায় না গিয়ে কয়েল জ্বালিয়েই শান্তি খোঁজেন। কিন্তু জানেন কি এই শান্তিটুকু আপনার কতটা ক্ষতি করছে?

সাধারণত কয়েলের গুঁড়া খুবই ছোট ও সুক্ষ হয়। ফলে খুব সহজেই ফুসফুসের সাহায্যে শরীরে প্রবেশ করতে পারে। তারপর সেখানে জমে গিয়ে বিষাক্ততা তৈরি করে যা অনেকটা সিগারেটের মতোই। টানা আট ঘণ্টা যদি কয়েল জ্বালানো হয় তবে তা একশর চেয়ে বেশি সিগারেটের সমপরিমাণ ধোঁয়া উৎপন্ন করে। এবার ভাবুন এটা কতটা ক্ষতিকর।

এছাড়াও অনেক সময় দেখা যায় কয়েলের ধোঁয়ায় অনেকের চোখ জ্বালা করে। এটা চোখের জন্য মারাত্নক ক্ষতিকর। এর কারণ হল কয়েলে এক ধরণের কেমিক্যাল ব্যবহৃত হয় যার নাম pyrethrum। চোখ জ্বালা করা ছাড়াও বমিভাব, মাথাব্যথাও করতে দেখা যায়।
মশার কয়েল তৈরীতে কিছু কিছু ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ক্ষতিকর কেমিক্যাল S-2 ব্যবহার করেন যা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং এটি ফুসফুসের ক্যানসার সৃষ্টিকারী। এটির কারণেই অনেকের শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়।

এবার ভেবে দেখুন, মশা মারতে গিয়ে কীভাবে নিজের অজান্তেই মুত্যুর দিকে ধাবিত হচ্ছেন ধীরে ধীরে। তাই মশার কয়েল ব্যবহারে সাবধানী হোন। যদি ব…

প্রতিদিন মাত্র দুই চামচ সিরাপে পেটের মেদ শেষ! - দেখুন বাড়িতে কি করে বানাবেন ?

ওজন কমানোর জন্য আপনি ঘরোয়াভাবে তৈরি করে নিতে পারেন এই সিরাপ। প্রতিদিন মাত্র দুই চামচ সিরাপ সেবনে আপনার শরীরের অতিরিক্ত মেদ ঝরে যাবে। বিশেষ করে, আপনার পেটের মেদ কমে যাবে। 
সজিনা দিয়ে তৈরি এই সিরাপে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, পটাসিয়াম, ভিটামিন বি১ এবং বি৬, আয়রন, ভিটামিন বি২, ম্যাগনেসিয়াম ও ফসফরাস রয়েছে। এই সিরাপ পান করার ফলে শরীরে ভাল ব্যাকটেরিয়া উৎপন্ন হয়। যা আমাদের অতিরিক্ত মেদ কমাতে সাহায্য করে। উপাদান:  ১. সজিনা- ১২৫ গ্রাম  ২. লেবু- ৪টি  ৩. মধু- ৩ টেবিল চামচ  ৪. দারুচিনি- ২ টেবিল চামচ  ৫. আদার মূল- ২ সেন্টিমিটার  তৈরিকরণ পদ্ধতি:  প্রথমে সজিনা ও আদার মূল ব্লেন্ড করে নিন। এবার এতে চারটি লেবুর রস সম্পূর্ণ মিশিয়ে নিন। তারপর আরও তিন মিনিট ব্লেন্ড করে নিন। এবার মধু ও দারুচিনি মিশিয়ে নিন। সবগুলো উপাদান যেন ভালভাবে মিশে তা লক্ষ্য করুন। এরপর কাঁচের একটি বোতলে এই সিরাপ সংরক্ষণ করুন।  প্রতিদিন সকালে ও রাতে এক চামচ করে এই সিরাপ গ্রহণ করবেন। ব্যায়ামের পূর্বে অথবা খাবারের আগে সিরাপ খেয়ে নিবেন। এভাবে তিন সপ্তাহ এই সিরাপ খাবেন। কিছুদিন সিরাপ পান বন্ধ রেখে আবার শুরু করবেন। তবে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে…

বুকে বসে যাওয়া কফ দ্রুত দূর করার ঘরোয়া সিরাপ

না ঠাণ্ডা না গরম, ঋতু পরিবর্তনের এই বিরক্তিকর সময়ে নানা ধরণের শারীরিক সমস্যা লেগেই রয়েছে। সব চাইতে বেশি যে সমস্যার সম্মুখীন কমবেশি সকলেই হয়ে থাকেন তা হচ্ছে সর্দি কাশি। এবং ঝামেলা অনেক বেশি হয় যখন এই সর্দি কাশি বুকে বসে যায়। নানা ধরণের ঔষধেও এই যন্ত্রণাদায়ক সর্দি-কফের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায় না।

প্রাচীনকালে মানুষজনের এইধরনের বুকে বসে যাওয়া সর্দি-কফের চিকিৎসায় ঘরোয়া প্রাকৃতিক পদ্ধতিই ব্যবহার হতো। এবং বেশ দ্রুতই মুক্তি পাওয়া যেতো এই সমস্যা থেকে। তাই আজকে জেনে নিন ঘরে তৈরি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক কফ সিরাপ তৈরির পদ্ধতি। সব চাইতে ভালো বিষয় হচ্ছে, বাজারে যেসকল কফ সিরাপ পাওয়া যায় তা খেলে যে ঘুম ঘুম ভাব আসে এই প্রাকৃতিক কফ সিরাপে এই ধরণের সমস্যা একেবারেই হয় না। এবং বেশ দ্রুত আপনি মুক্তি পেয়ে যাবেন বুকে জমে থাকা সর্দি থেকে। বিশেষ করে বাচ্চাদের জন্য এটি বেশ কার্যকরী একটি প্রাকৃতিক ঔষধ।
বুকে বসে যাওয়া কফ দ্রুত দূর করার ঘরোয়া সিরাপঃ
উপকরণঃ
১ টেবিল চামচ যষ্টিমধু ১ টেবিল চামচ তিল ১ স্লাইস লেবু ২৫০ মিলি লিটার পানি ২৫০ গ্রাম ব্রাউন সুগার (হালকা ভেজে তৈরি করতে পারেন এটি অথবা ১ কাপ ম্যাপেল সিরাপ ব্যবহার করতে…

মাইগ্রেন প্রতিরোধের জন্য খেতে পারেন যে খাবারগুলো

মাইগ্রেন একধরনের তীব্র মাথা ব্যথা। সাধারণত মাথার একপাশে এই ব্যথা হয় এবং এর সাথে বমি বমি ভাব ও আলোক সংবেদনশীলতাও থাকে। মস্তিস্কের নার্ভের প্রবাহের অস্থায়ী পরিবর্তনের ফলে এটা হয়। স্নায়ুকোষের প্রদাহী পরিবর্তনের ফলে ব্যথা উৎপন্ন হয়। কেউ কেউ মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হওয়ার পূর্বে আলোর ঝলকানি দেখতে পান এবং অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে অস্বস্তিকর অনুভূতি টের পান। কারো কারো ক্ষেত্রে খাদ্যের অস্বস্তিও হয় এবং কেউ কেউ মাইগ্রেনের পূর্বে বিষণ্ণতা অনুভব করেন। এই ব্যথা ও উপসর্গগুলো কয়েক ঘণ্টা থেকে কয়েকদিন পর্যন্ত থাকতে পারে। সোডিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খেলে এবং সেইসাথে এডিটিভস যেমন- মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট ও কৃত্রিম মিষ্টিকারক যেমন- এস্পারটেম যুক্ত খাদ্য গ্রহণের ফলে মাইগ্রেন হতে পারে। তেমনি কিছু খাবার আছে যা মাইগ্রেনে ভুগছেন এমন মানুষদের প্রায়ই খাওয়া উচিৎ। এমন কিছু খাবারের কথাই আজ আমরা জেনে নেব যা মাইগ্রেন প্রতিরোধ করতে পারে। 
১। ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার :-  উচ্চ ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার সব ধরণের মাইগ্রেন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। এই খনিজ উপাদানটি মহিলাদের জন্য বিশেষ উপকারী। ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার হচ্ছে- পালংশাক, মিষ্টি…

যে ৫ টি কারণে একটু ঝাল খাবার স্বাস্থ্যের জন্য ভালো

অনেকেই ঝাল খাবার একেবারে খেতে পারেন না, আবার অনেকের ঝাল খাবার ছাড়া খাওয়াই চলে না। একেকজন মানুষের মুখের স্বাদ একেক ধরণের হয়ে থাকে এটিই স্বাভাবিক। যারা অনেক বেশি ঝাল খাবার খান তাদের ঝাল খাওয়া দেখে হয়তো যারা ঝাল খান না তারা বেশ অবাকই হন। কিন্তু সত্যি বলতে কি যারা ঝাল বেশি খান তারাই কিন্তু বেশ লাভবান। ভাবছেন কী কারণে? তাহলে জেনে রাখুন, ঝাল খাবার স্বাস্থ্যের জন্য বেশ ভালো। শুনতে অবাক লাগলেও যারা একটু বেশি ঝাল খাবার খান তারা কিছু কিছু সমস্যা থেকে আপানাআপনি রেহাই পেয়ে যান।

১) ওজন কমায় ঝাল খাবার :- ওজন কমানোর জন্য যারপরনাই চেষ্টা করে যাচ্ছেন? তাহলে এক কাজ করুন খাদ্য তালিকায় রাখুন একটু বেশু ঝাল খাবার। কারণ গবেষণায় দেখা গিয়েছে মরিচ যা ঝাল খাবারের মূল উৎস তাতে রয়েছে ক্যাপসেইসিন নামক যৌগ যা দেহে থার্মোজেনিক ইফেক্টের জন্য দায়ী। এই থার্মোজেনিক ইফেক্ট দেহের ক্যালরি ক্ষয় করতে বিশেষভাবে সহায়ক।
২) ক্যান্সার প্রতিরোধ করে :- গবেষণায় দেখা যায় মরিচ ও ঝাল খাবারের যৌগ ক্যাপসেইসিনের রয়েছে দেহের ক্যান্সারের কোষ ধ্বংস করার জাদুকরী ক্ষমতা। এছাড়াও এর আরও রয়েছে সাধারণ সর্দি কাশি ও স্ট্রোক প্রতিরোধের ক্ষমতা।
৩) হৃদপি…

খালি পেটে ভুলেও খাবেন না যেসব খাবার

বেশিরভাগ মানুষই ঘুম থেকে উঠে এক কাপ চা বা কফি না পেলে জিদ ঝাড়েন আসবাবপত্রের ওপর? অথচ খালি পেটে এমনিতেই অ্যাসিডের মাত্রা বেশি থাকে‚ তার ওপরে উলটো পালটা খেয়ে শরীরে আরো অ্যাসিডের পরিমাণ বাড়িয়ে তুলছেন না তো? জেনে রাখুন এমন পাঁচটা জিনিস যা খালি পেটে ভুলেও খাবেন না।

১. বিশেষ কিছু ওষুধ: ডাক্তাররা এই কারণেই বলে থাকেন এমন কিছু ওষুধ আছে যা খাবার খেয়ে খেতে হবে। বেশ কিছু অ্যান্টি বায়োটিক আছে যা ইনটেস্টাইন বা অন্ত্রের আস্তরণকে ইরিটেট করে। এবং অ্যাসিডের মাত্রাও অনেকটা বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে পেটের আলসার হওয়ার আশঙ্কা অনেকটা বেড়ে যায়। এছাড়াও খালি পেটে অ্যাসিডের মাত্রা যেহেতু বেশি থাকে তাই অ্যান্টিবায়োটিক তাড়াতাড়ি অ্যাবসর্ব হয়ে যায় ফলে তাদের গুণ অনেক কমে যায়।

২. কফি: সকালে উঠে অনেকেই এক কাপ গরম কফি নিয়ে বসেন। কিন্তু এটা মোটেই ভালো স্বাভাব নয়। খালি পেটে কফি মারাত্মক হতে পারে। অ্যাসিডের মাত্র অনেকটা বাড়িয়ে দেয়া ছাড়াও হরমোনাল ইমব্যালেন্স হতে পারে। এর ফলে স্ট্রেস আর উদ্বেগের মাত্রা অনেকটা বেড়ে যায়।

৩. চা: কফির মতই খালি পেটে চা খেলে অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে যায়। এর ফলে অ্যাসিডিটি এবং পেটে আলসার হতে পারে।
৪. মশলাদার খ…

পুরুষত্ব নষ্ট করে মোবাইল ফোন

"পুরুষত্ব নষ্ট করে মোবাইল ফোন" দীর্ঘ গবেষণার প্রেক্ষিতে এমনটাই জানিয়েছেন নোবেল বিজয়ী মার্কিন বিজ্ঞানী ডেভরা ডেভিস ও তার দল। গবেষকদের দাবি, সচল যেকোনো মোবাইল ফোনই পুরুষদের প্রজনন ক্ষমতায় প্রভাব বিস্তার করতে পারে এবং যেসব পুরুষ স্বভাবতই মোবাইল ফোনটি চালু অবস্থায় তাদের প্যান্টের পকেটে রাখেন তাদের শুক্রানুতে মোবাইল ফোনের তরঙ্গ বড় ধরনের প্রভাব বিস্তার করতে পারে।
এই গবেষণার ফলাফল প্রকাশের আগে বিজ্ঞানী ডেভরা ডেভিস ও তার সহযোগীরা ৭টি দেশে গবেষণা পরিচালনা করেন যেন ভিন্ন ভিন্ন আবহাওয়া পুরুষদের সক্ষমতায় মোবাইল ফোন কতটা প্রভাব বিস্তার করতে পারে সে সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়।

এতে দেখা যায়, যেসব পুরুষ কমপক্ষে ৪ ঘণ্টা সময় ধরে তাদের প্যান্টের পকেটে মোবাইল ফোন নিয়ে ঘোরেন তাদের ক্ষেত্রে কার্যকর শুক্রাণু জন্মানোর হার অর্ধেক হয়ে যায়।
শুধু তাই নয়, মোবাইল ফোন যে ধরনের মাইক্রো ওয়েভ তরঙ্গ প্রেরণ বা গ্রহণ করে সে ধরনের বিকিরণ গবেষণাগারের নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে শুক্রাণুর ওপর প্রয়োগ করে দেখা যায় যে এতে করে শুক্রাণুগুলো দুর্বল, চিকন এবং সাঁতারে অক্ষম হয়ে পড়ে।

একইভাবে আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া ও চীনের পরিচা…

নিম পাতার অসাধারণ যে ব্যবহারগুলি আপনার এখনো অজানা !

এলার্জি লাখ লাখ মানুষের কাছে এক অসহনীয় ব্যাধি, এলার্জি হাঁচি থেকে শুরু করে খাদ্য ও ঔসুধের ভীষণ প্রতিক্রিয়া কিংবা শ্বাসকষ্ট হতে পারে, কারো ক্ষেত্রে এলার্জি সামান্য তম অসুবিধা করে, আবার কারো ক্ষেত্রে জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে।

ঘরের ধুলা-বালি পরিষ্কার করছেন? হঠাৎ করে হাঁচি এবং পরে শ্বাসকষ্ট অথবা ফুলের গন্ধ নিচ্ছেন বা গরুর মাংস, চিংড়ি, ইলিশ কিংবা গরুর দুধ খেলে শুরু হলো গা চুলকানি বা চামড়ায় লাল লাল চাকা হয়ে ফুলে ওঠা। এগুলি হলে আপনার এলার্জি আছে ধরে নিতে হবে। চলুন জেনে নেই এলার্জি থেকে মুক্তির উপায়:

বিছানা ও আসবাবপত্রে অ্যালার্জি: বিছানার চাদর, বালিশের কভার, বালিশ, লেপ, তোষক, মেট্রেস, কম্বল, মশারিতে প্রতিদিন আক্রমণ করে ধুলোবালি, জীবাণু ও ঘরোয়া জীবাণু মাইট ডাস্ট। ডাস্ট মাইটগুলো মাকড়সা জাতীয় ক্ষুদ্র কীট। লম্বায় এই কিটগুলো এক মিলিমিটারের তিন ভাগের এক ভাগেরও কম।
আমাদের শরীরের ত্বক থেকে প্রতিনিয়ত ঝরে যাওয়া অসংখ্য মৃত কোষ খেয়ে বেঁচে থাকে এই জীবাণু। এরা প্রতিনিয়ত প্রচুর বিষ্ঠা ত্যাগ করে। ঘরদোর, বিছানা যখন ঝাট দেয়া হয় তখন এই বিষ্ঠাগুলো বাতাসে ভেসে বেড়ায় এবং পুরো বাড়িতে ছড়িয়ে পড…

ভিডিওতে দেখুন কিভাবে বানানো হয় নকল ডিম ! (ভিডিও সহ)

আপনি শুনে অবাক হবেন যে, আপনি যে ডিম ভেজে/সিদ্ধ করে খাচ্ছেন তা কৃত্রিম ডিম ও হতে পারেন যা কিনা আপনার স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। বাজারে নকল/ কৃত্রিম ডিমে সয়লাব হয়ে গেছে, কিন্তু, আপনি কিভাবে বুঝবেন যে আপনার কেনা ডিমটি আসল ডিম-নকল ডিম নয়? আসুন আমরা জানি এবং সচেতন হই এ থেকে। এই কৃত্রিম ডিমটিকে অনেকে বলেন – ফেক ডিম, প্লাস্টিক ডিম, কেমিক্যাল ডিম, চায়না ডিম ইত্যাদি।
আসুন, প্রথমে আমরা জানি যে, একটা ডিমের কয়টা অংশ থাকে। একটা ডিমের তিন অংশ-ডিমের খোসা, ডিমের সাদা অংশ, ডিমের কুসুম। এই তিনটি অংশ হুবুহু তৈরি করা যাচ্ছে কেমিক্যাল দিয়ে।
সাধারণতঃ কৃত্রিম ডিমের খোসাটি তৈরি করা হয় ক্যালসিয়াম কারবনেট দিয়ে, ডিমের হলুদ ও সাদা অংশের মুল উপাদান সোডিয়াম এলজিনেট, এলাম, গিলেটিন এবং খাদ্য লবন এবং ডিমের কুসুমের কালারের জন্য কমলা হলুদ ফুড কালার। প্রথমে গরম পানির সাথে সোডিয়াম এলজিনেট কে মিশ্রিত করে তার সাথে গিলেটিন, এলাম ও অন্যান্য উপাদান ভাল ভাবে মিশ্রিত করা হয় যাতে ডিমের সাদা অংশের মত দেখায়।

অতঃপর, ডিমের কুসুম তৈরির জন্য অন্য পাত্রে কিছু মিশ্রন নিয়ে তাতে কমলা হলুদ রঙ মেশানো হয়।
তারপরে, এই মিশ্রণকে ছাঁচ…

নিয়মিত সকালে লেবু পানি পান করলে আপনার শরীরে ঘটে যে ২৯ টি ম্যাজিক !

লেবু, সাধারণত আমরা খাবারের স্বাধ বাড়াতে এবং গরমের দিনে সরবত তৈরী করতে ব্যবহার করি। কিন্তু আমরা কি জানি এর উপকারীতা কত? লেবুর গুনাগুন প্রচুর, বিশেষ করে এর ভিটামিন সি এবং খনিজ উপাদান সমূহ আমাদের প্রচুর উপকার করে। হৃদযন্ত্রের ধড়ফড়ানি কমানো থেকে ফুসফুসকে ঠিক ভাবে কাজ করতে পর্যন্ত সাহায্য করে লেবু।

সকাল সকাল লেবু পানি পান করা যে ভালো, এটা অনেকেই জানেন। কিন্তু জানেন কি, আসলে কেন ভালো? যদি নিয়মিত রোজ সকালে এক কাপ লেবু পানি পান করেন, আপনাদের দেহ পাবে জাদুকরী উপকারিতা। জেনে নিন বিস্তারিত।
১) লেমন, অর্থাৎ পাকা লেবুতে থাকে ইলেকট্রোলাইটস ( যেমন পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ইত্যাদি)। সকাল সকাল লেবু পানি আপনাকে হাইড্রেট করে, শরীরে যোগান দেয় এইসব প্রয়োজনীয় উপাদানের যা দেহের পানিশূন্যতা দূর করে

২) হাড় জয়েনট ও মাসল পেইন কমায় দ্রুত।

৩) ঘন ঘন কৃমির আক্রমনে ক্লান্ত? প্রতিদিন একগ্লাস লেবু পানি পান করুন, আর কৃমির সাথে যুদ্ধ জয় করুন!

৪) অন্য যে কোন খাবারের চাইতে লেবু পানির ব্যবহারে লিভার অনেক বেশী দেহের জন্য প্রয়োজনীয় এনজাইম তৈরি করতে পারে।

৫) লেবু পানি টক্সিক উপাদান দূর করে লিভারকে পরিষ্কার রাখে।

৬) পেট পরিষ্কার ও …

জেনে নিন রাসায়নিক উপাদান দিয়ে পাকানো ফল কীভাবে চিনবেন

বাজার ছেয়ে গিয়েছে পাকা আম, লিচু ও নানান ধরণের গ্রীষ্মকালীন ফলে। কিন্তু একটু লক্ষ্য করলেই দেখবেন যে তার স্বাদ নেহাতই পানসে। বলতে গেলে কোন রকম স্বাদ-গন্ধই যেন নেই। পাকা আম, কাঁঠাল, লিচুর গন্ধে মৌ মৌ করবে চারপাশ, তাই না? কিন্তু আজকাল ফলে যেন কোনো ঘ্রানই নেই। এমনকি কলা বা পেঁপের মত সস্তা ফলের ক্ষেত্রেও একই হাল। পুরুষ্টু পাকা পেঁপে। কিন্তু কাটার পরে দেখা গেল ভিতরটা বিশ্রী রকমের কাঁচা। পাকা কলার খোসা ছাড়িয়ে কামড় বসাতেই টের পাওয়া গেল কলা মোটেই পাকেনি। এর পেছনে কারণ কী? কারণ হচ্ছে কার্বাইড! হ্যাঁ, আজকাল ফল মাত্রই কার্বাইড দিয়ে পাকানো হয়।

ক্রেতা ঠকানোর ফন্দি করতে গিয়ে এক শ্রেণির ফল ব্যবসায়ী বহু বছর ধরেই হাতিয়ার করেছেন কার্বাইডকে। ইদানীং সেই প্রবণতা বেড়েছে মারাত্মকভাবে। ফল ব্যবসায়ীদের একটা বড় অংশই স্বীকার করেন যে, প্রতিযোগিতার বাজারে টিকে থাকতে এ ছাড়া পথ নেই। সমতের আগেই কার্বাইড দিয়ে দ্রুত পাকানো যায় ফলকে আর বিক্রি করা যায় চড়া দামে। কিন্তু কার্বাইডে পাকানো ফল খেলে শরীরে পুষ্টি তো যায়-ই না, উপরন্তু এর প্রভাব অত্যন্ত মারাত্মক হতে পারে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকেরা। ফল পাকানোর জন্য ব্যবহৃত এই রাসায়নি…

ডায়াবেটিকের মহৌষধ পান!

বাঙ্গালীদের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পানের আয়োজন না থাকলে যেন অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয় না। আবার হিন্দু রীতিতে বিভিন্ন পুজা উৎসবে ও বিয়েতে পান যেন বাধ্যতামূলক। আবার ঘরে ঘরে অনেকে আছেন যাদের পান না খেলে চলেই না। তাদের জন্য রয়েছে সুখবর।

পান খাওয়ার অনেক উপকারিতা রয়েছে। যা সম্পর্কে হয়ত আপ্নারা জানেন না। নিম্নে পানের উপকারিতা সম্পর্কে আলোচনা করা হল-
১. ডায়াবেটিক দূর করে:- পানে যে সকল উপাদান ব্যবহার করা হয় অর্থাৎ সুপারি, চুন, জর্দা ইত্যাদি চিবানোর ফলে আমাদের রক্তের শর্করা সঠিক থাকে। এতে ডায়াবেটিক হবার সম্ভাবন কমে যায়। যাদের ডায়াবেটিকের সমস্যা ইতিমধ্যে আছে তাদেরও দমন হবে।

২. ওজন কমাতে সাহায্য করে:- যারা ওজন কমাতে ইচ্ছুক তারা পান খেতে পারেন। পান খেলে ওজন পারেনা, অপরদিকে আপনি অনেকক্ষণ না খেয়ে থাকতে পারবেন। ডায়েট এর জন্য পানের চেয়ে ভাল কিছু আপনি পাবেন না।

৩. মাথা ব্যথা দূর করে:- আপনার যদি মাথায় অনেক ব্যথা অনুভূত হয়, তাহলে এক্ষেত্রেও পান আপনাকে সাহায্য করতে পারে। পান পাতা বেটে মাথায় লাগিয়ে রাখুন। এতে আপনার মাথা ঠাণ্ডা হবে এবং ব্যথা দূর হবে।–সুত্র: ইন্ডিয়া টুডে।

কাপড় ধোয়ার ডিটারজেন্টই এবার মশা থেকে মুক্তি..!

মশার যন্ত্রনায় অস্তির সবাই। সাম্প্রতিক সময়ে মশার যন্ত্রণা খুব বেড়ে গেছে। মশাবাহিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন নগরবাসী। বিশেষ করে শিশুরা মারাত্মক ঝুকি মধ্যে রয়েছে। সারারাত ঘুমান যায় না।

নগর এলাকায়তো ডাস্টবিন, স্যুয়ারেজগুলোতে মশার চাষ হয় বলা যায়। মশা মারতে স্প্রে, কয়েল, ক্যালামাইন লোশন কতকিছুই ব্যবহার করা হয়। কিন্তু স্প্রে বা কয়েল মশা থেকে নিস্তার দিতে পারলেও এর রাসায়নিক উপাদান স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। আর অর্থের অপচয় তো রয়েছেই।

তাহলে কী করার? সারাক্ষণ তো মশারির মধ্যে বসে থাকা যাবে না। সেক্ষেত্রে একটা সহজ উপায় ডিটারজেন্ট মেশানো পানি ব্যবহার করা।
কয়েকটা বাটিতে একটু করে ডিটারজেন্ট পানি ঘরের বিভিন্ন স্থারে রেখে দিলে দেখা যাবে মশা এসে ওই পানিতে পড়ছে। খুব সহজ একটা উপায়, তাই না?

আর ডিটারজেন্ট মেশানো পানিতে মশার মৃত্যু নিশ্চিত।

লিভার সুস্থ রাখে ৩টি পানীয়

জাঙ্ক ফুড, প্রসেসড ফুড বা ফাস্ট ফুড খাওয়ার ফলে আমাদের শরীরে নানা সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এই খাবারগুলো শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের ক্ষতি করে থাকে। বিশেষ করে আমাদের লিভার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে এই খাবারগুলো খাওয়ার কারণে। দীর্ঘদিন যাবত এই খাবারগুলো খাওয়ার ফলে লিভার ড্যামেজ হওয়ার মত ঘটনাও ঘটতে পারে! তাই লিভার সুস্থ রাখতে পান করতে পারেন ডিটক্স। ডিটক্স লিভারের চর্বি, ময়লা দূর করে লিভারকে সুস্থ রাখে। Dr. Ann Louise ১৯৮৮ সালে প্রথম লিভারের চর্বি দূর করার উপায়টি আবিষ্কার করেন।

লিভার সুস্থ রাখে ৩টি পানীয়:-
১। হলুদ ডিটক্সঃ
১/২ চা চামচ হলুদ গুঁড়োঅল্প পরিমাণে আদা কুচি১টি লেবুর রস১/২ কাপ পানি এই সবগুলো উপাদান মিশিয়ে ডিটক্স তৈরি করে নিন। এটি আপনার লিভার সুস্থ রাখে, পাকস্থলির বিষাক্ত পদার্থ দূর করে থাকে।
২। গ্রিন টি ডিটক্সঃ
১টি কলা১/২ কাপ সবুজ চা (ঠান্ডা) সবুজ চা এবং কলা ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে স্মুদি তৈরি করে নিন। সবুজ চায়ের ইজিসিজি দ্রুত লিভার পরিস্কার করে থাকে।
৩। মাল্টি কালার ডিটক্সঃ
১টি মাঝারি আকৃতির শসা১/২ লেবুর রস১টি ক্যাপসিকাম১টি আপেল
লেবুর রস, ক্যাপসিকাম, আপেল, শসা একসাথে মিশিয়ে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড …

ব্রণ দূর করতে এই ৭ মহৌষধ !

‘তরুণ বয়সে বোরণ (ব্রণ) হবেই’ গ্রামে এমন কথা প্রায়ই শোনা যায়। মেয়েরা প্রায় সবাই ত্বকের সমস্যায় কম বেশি ভোগেন। ছেলেরাও কম না। ত্বকের সমস্যাগুলোর অন্যতম হল ব্রণ। এটি এমন একটি সমস্যা যা ত্বকের উজ্জ্বলতা নষ্ট করে দেয়। শুধু তাই নয় ব্রণের কালো দাগ সহজে ত্বক থেকে দূরও হতে চায় না। ব্রণ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আমরা কত কিছুই না করে থাকি। কিন্তু তাও মুক্তি মেলে না পুরোপুরি। রূপচর্চার পাশাপাশি ব্রণের হাত থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য বিশেষ কিছু খাবারও সাহায্য করে। দেখে নেওয়া যাক ব্রণ প্রতিরোধ করে থাকে এমন কিছু খাবারের নাম।

লাল আঙ্গুর : লাল আঙ্গুরে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ব্রণ হওয়ার প্রবণতা কমাতে সাহায্য করে। এটা ত্বকের যে কোনো অ্যালার্জি রোধ করতেও বেশ উপকারি।

রসুন : হার্ট সুস্থ রাখার ক্ষেত্রে রসুনের গুণ সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানি। রসুন কিন্তু ব্রণ প্রতিরোধেও সাহায্য করে।
রসুনে এলিসিন নামক উপাদান রয়েছে যা দেহের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে এবং ত্বকের সমস্যাও দূর করে।
বাদাম: বাদামে ভিটামিন ই, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং আয়রন রয়েছে প্রচুর পরিমাণে। যা ত্বক সুস্থ রাখার পাশাপাশি ব্রণ হওয়ার রোধ করতেও সাহায্য …

যে ৭টি খাবার ঘুমের ওষুধের কাজ করবে…

যারা অনিদ্রায় ভোগেন কেবল তারাই বুঝতে পারেন এর যন্ত্রণা কতোটা। সারা রাত এপাশ-ওপাশ করে কাটিয়ে দেন ঘুমের আশায়। কিন্তু ঘুমের দেখা মেলে না।

অনেকে ডাক্তারের পরামর্শে স্লিপিং পিলের সহায়তা নিয়ে থাকেন ঘুমের জন্য। আবার অনেকে বিনা প্রেসক্রিপশনে স্লিপিং পিল খেয়ে থাকেন। ডাক্তারের পরামর্শ নিয়েই হোক আর বিনা প্রেসক্রিপশনেই হোক না কেন স্লিপিং পিলের রয়েছে মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।

তাই ঘুম না আসার কারণে স্লিপিং পিল খেয়ে অন্য দিকে স্বাস্থ্যহানি করার কোনই প্রয়োজন নেই। এর চাইতে নজর দিন প্রাকৃতিক জিনিসের ওপর। এমন কিছু খাবার রয়েছে যা কাজ করবে অনেকটা ঘুমের ঔষধের মতোই। জানতে চান সেই খাবারগুলো কি কি? চলুন তবে জেনে নেয়া যাক।
১. কাঠবাদামঃ কাঠবাদামকে সুপার ফুড বলা হয়। কারণ কাঠবাদামের ভিটামিন ও মিনারেলস আমাদের নানা রোগের হাত থেকে রক্ষা করে। কাঠবাদামের মিনারেল ম্যাগনেসিয়াম ঘুমের উদ্রেক করে। জার্নাল অফ অর্থমলিকিউলার মেডিসিনের একটি গবেষণায় প্রকাশিত হয়, ‘যখন আমাদের দেহে ম্যাগনেসিয়ামের মাত্রা কমে যায় তখন আমাদের অনিদ্রার সমস্যা শুরু হয়, কাঠবাদাম এই ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করে দেয়’।

২. মধুঃ ঘুমুতে যাওয়ার আগে মাত্র ১/২ চ…

মনে রাখার ক্ষমতা কমিয়ে দেয় যে খাবারগুলি

শরীরের মধ্যে হৃদপিণ্ডের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল মস্তিষ্ক। দুটি একাসনে বসানো হলেও অবাক হওয়ার কিছু নেই। কারণ বেঁচে থাকতে গেলে হৃদপিণ্ডের চলাচল যেমন জরুরি তেমনই মাথার কাজও একইসঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ।মানুষের মস্তিষ্কই সম্ভবত একমাত্র বস্তু যার রহস্যের সমস্ত সমাধান আজ পর্যন্ত বের করে ওঠা যায়নি। মস্তিষ্ক নিয়ে যত গবেষণা হয়েছে, ততই বিজ্ঞানী ও দার্শনিকদের অবাক করে দিয়েছে পরতে পরতে এর মধ্যে জড়িয়ে থাকা রহস্য। এখনকার দিনে প্যাকেটজাত খাবার ও দৈনন্দিন জীবনযাপন মস্তিষ্কের প্রভূত ক্ষতিসাধন করে তাকে দুর্বল করে দিচ্ছে। আর এর সবচেয়ে বড় শিকার ছোট ছেলেমেয়েরা। যেকোনও বয়সের মানুষই এখন ভুলে যাওয়া বা স্মৃতিভ্রমের অসুখে ভুগছেন। সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, আমাদের খাদ্যাভ্যাসও মনে রাখার ক্ষমতাকে অনেকটা কমিয়ে দেয়। সেজন্য অবশ্যই সাবধান হওয়া প্রয়োজন। নিচের লেখায় দেখে নিন, কোন কোন খাবার মনে রাখার ক্ষমতাকে কমিয়ে দেয়-
প্রসেসড চিজ :- চিজে প্রচুর পরিমাণে ক্যালশিয়াম ও প্রোটিন থাকে। প্রসেসড চিজ যেমন আমেরিকান চিজ ও মোজারেলাতে স্যাচুরেটেড ফ্যাট অনেক বেশি থাকে। ফলে তা মস্তিষ্কের ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। প্রসেসড মাংস :- বাজারের প্যাকেটব…

জয়েন্টের ব্যথা সারানোর অধিক কার্যকরী ঘরোয়া উপায়

বিভিন্ন কারণে জয়েন্ট-এ ব্যথা হতে পারে। যেমন – অস্টিও আরথ্রাইটিস, রিউমেটিক আরথ্রাইটিস, রগে টান পরা ও জয়েন্ট এর আশেপাশের লিগামেন্টে আঘাত পেলে। শরীরের যে কোন অংশের জয়েন্টেই ব্যথা হতে পারে, তবে হাঁটুতে-কাঁধে ও কোমরে বেশি হয়ে থাকে। এই ব্যথা মাঝারি থেকে প্রচণ্ড হতে পারে। ব্যথার সাথে সাথে ওই স্থানটি লাল হয়ে ফুলে যাওয়া ও শক্ত হয়ে যাওয়া এই লক্ষণ গুলোও থাকতে পারে। প্রচণ্ড ব্যথা থাকলে ও ৩ দিনের বেশি স্থায়ী হলে দ্রুত ডাক্তারের কাছে যেতে হবে। ব্যথা কম থাকলে কিছু ঘরোয়া উপায়ের মাধ্যমে সারানো যায়। এবার তাহলে জেনে নিই সেই উপায় গুলো কী কী।

জয়েন্টের ব্যথা সারানোর ঘরোয়া উপায়ঃ
হলুদঃ হলুদের কারকিউমিন এ অ্যান্টিওক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি উপাদান আছে যা অস্থিসন্ধির ব্যথায় চমৎকার কাজ করে। এক গ্লাস গরম দুধের মধ্যে এক চামুচ হলুদ গুঁড়া ও মধু মিশিয়ে খান যতদিন না ব্যথা ভালো হয়।
গাজরঃ চীন দেশে বহুদিন যাবত জয়েন্ট এর বেথায় গাজর বেবহার করা হয়। একটা গাজর ছোট করে কেটে নিন, এর সাথে লেবুর রস মিশিয়ে খেয়ে ফেলুন। গাজর লিগামেন্ট-এর উপর কাজ করে ব্যথা কমায়।

টিপসঃ
অতিরিক্ত ওজন বহন করবেন নাশরীর নাড়াচাড়া করুনদেহের ভঙ্গি ঠিক করুন…

শরীরের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ৫টি খনিজ- উৎস, কাজ ও প্রভাব

দেহকে সুস্থ রাখার জন্য কত কিছুই না করে থাকি আমরা। সঠিক নিয়মে খাওয়া দাওয়া, ঘুম, পরিশ্রম থেকে শুরু করে সব কিছুই করে থাকি। কারণ স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল। একজন সুস্বাস্থ্যের অধিকারী মানুষ যা করতে পারেন তা একজন অসুস্থ মানুষের দ্বারা করা একেবারেই সম্ভব নয়। এর পাশাপাশি দেহের সুস্থতার সাথে মানসিক শান্তিরও সংযোগ রয়েছে। কিন্তু দেহের সুস্থতার কারণে যা যা করছেন তা কি আসলেই সঠিক উপায়ে করছেন? দেহের সুস্থতার জন্য আমাদের সুষম খাদ্যের প্রয়োজন সব চাইতে বেশি। সকল পুষ্টি উপাদান ও ভিটামিন এবং খনিজের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। দেহের জন্য সকল খনিজের পরিমাণ মতো গুরুত্বও অনেক বেশি। আজ চলুন দেখে নেয়া যাক পূর্ণ বয়স্ক মানুষের দেহের সুস্থতায় যে ৫ টি খনিজের গুরুত্ব, পরিমাণ ও উৎস সম্পর্কে।  ক্যালসিয়াম :-  প্রতিদিনের চাহিদাঃ ১০০০ মিলিগ্রাম মহিলাদের জন্য এবং ১২০০ মিলিগ্রাম পুরুষদের জন্য।  কাজঃ হাড় ও দাঁতের সুরক্ষা করে, মাংশপেশির কর্মক্ষমতা বাড়ায়, কোষের কর্মক্ষমতা নিয়ন্ত্রন করে। প্রভাবঃ ক্যালসিয়ামের অভাবে বাতের ব্যথা, হাড়ের ভঙ্গুরতা বৃদ্ধি পায়। এবং বেশি মাত্রায় গ্রহনে উচ্চ রক্তচাপ ও কিডনি বা গলব্লাডারে পাথর হয়।  উৎসঃ কাঠবাদাম…

ইসুবগুলের হাজারও গুণ

কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া প্রতিরোধ ও দূরীকরণে ইসুবগুলের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। গরমে ও হজমের সমস্যার ঘরোয়া চিকিৎসা ও প্রতিকারের জন্য ইসুবগুল বেশ উপকারী। অনেক ধরনের উপকারিতা রয়েছে এই সাদা ভুষিটির।

আশ্চর্যজনক হলেও সত্য ইসুবগুল ডায়রিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্য দুটিই প্রতিরোধ করে। ডায়রিয়া প্রতিরোধে দুই চামচ ইসুবগুলের সাথে তিনচামচ টাটকা দই মিশিয়ে খান। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে দুইচামচ ইসুবগুল এক গ্লাস কুসুম গরম দুধের সাথে মিশিয়ে প্রতিদিন ঘুমাতে যাবার আগে খেলে বেশ কার্যকরী ফলাফল পাওয়া সম্ভব।

অ্যাসিডিটির ঘরোয়া প্রতিকার হতে পারে ইসুবগুল। এটি সঠিক হজমের জন্য এবং পাকস্থলীর বিভিন্ন এসিড নিঃসরণে সাহায্য করে। অ্যাসিডিটির মাত্রা কমাতে প্রতিবার খাবার পর দুইচামচ ইসুবগুল আধা গ্লাস ঠাণ্ডা দুধে মিশিয়ে খান।
ইসুবগুল ওজন কমাতেও সাহায্য করবে। এটি দীর্ঘসময় পেট ভরা অনুভূত হয়। কুসুম গরম পানিতে দুই চামচ ইসুবগুল ও সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে নিয়ে সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে খেলে তা ওজন কমাবে।

উচ্চআঁশ সমৃদ্ধ এবং কম ক্যালরিযুক্ত হওয়ায় ইসুবগুল কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে হৃদরোগ থেকে সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করে। তাই হার্টকে সুস্থ রাখতে নিয়মিতভাব…

দ্রুত ওজন কমাবে তরমুজ-পেয়ারা-কলা

ফল হচ্ছে এমন একটি সুপারফুড যাতে ক্যালরি ও ফ্যাট খুব কম থাকে। যথেষ্ট পরিমাণে ফল খেলে ওজন কমে। প্রাকৃতিক চিনি ও ফাইবার উপাদান রয়েছে বলে এটি ক্ষুধা নিবারণ করে। প্রতিদিন মোট খাবারের পাঁচ ভাগ ফল খাওয়া যেতে পারে। ভাগ বলতে প্রতি ভাগে ৮০ গ্রাম ফল। সাতটি ফল নিশ্চিতভাবে ওজন হ্রাসে ভূমিকা রাখে – 
তরমুজ :- তরমুজে ৯০ শতাংশই পানি। ১০০ গ্রাম তরমুজে থাকে মাত্র ৩০ ক্যালরি। এটি আর্জেনাইন নামক অ্যামিনো এসিডের উৎকৃষ্ট উৎস যা চর্বি পোড়াতে সাহায্য করে। এটি দেহকে হাইড্রেটেড রাখে ও দীর্ঘ সময় পর্যন্ত ক্ষুধা হ্রাস করে।  আপেল :- আপেল একইসঙ্গে ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়, হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখে, দাঁত ঝকঝকে রাখে, রোগ প্রতিরোধ সিস্টেমকে শক্তিশালী করে, এমনকি ডায়রিয়া ও কোষ্ঠাকাঠিন্যও নির্মূল করে। যদি আপনি ওয়েট লুজ ডায়েট মেনে চলেন তাহলে তাতে ফলটি রাখা উচিত। একটি মাঝারি সাইজের আপেলে থাকে ৫০ ক্যালরি। ফ্যাট ও সোডিয়াম একেবারেই নেই। ব্রাজিলের এক গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব নারীরা খাবারের অ‍াগে আপেল খান তারা অন্যদের তুলনায় ৩৩ শতাংশ দ্রুত ওজন কমাতে পারেন।  পেয়ারা :-  ভারতে পেয়ারার আগমন হয় পর্তুগিজদের হাত ধরে। পেয়ারায় রয়েছে হাই ফাইবার কনটে…

চুলকে খুশকিমুক্ত করার সহজ কিছু উপায়

আহ, এত সুন্দর চুল! কি ঝলমলে! একথা তা শুনতে কার না ভাল লাগে।কিন্তু এই সুন্দুর চুলে যদি খুশকি থাকে, নিমিষেই আপনার আনন্দ মাটিতে পরিনত হবে।সাধারনত আমাদের মাথার ত্বকের শুষ্কতার কারণেই চুলে খুশকি হয়। এছাড়া মাথার ত্বকে একজিমা বা ফাংগাস আক্রমনের ফলেও খুশকি হতে পারে।আমাদের শহুরে জীবনে অতি মাত্রা্র ধুলাবালি আর ময়লা থেকেও আমাদের মাথার ত্বক শুষ্ক হয়ে ওঠে আর তা থেকেই খুশকি জন্ম নিতে পারে।বাজারে অনেক ধরনের Anti -dandruff শ্যাম্পু রয়েছে । সব শ্যাম্পু যে কার্যকরী তা নয়।বিজ্ঞাপনে খুশকিকে যত দ্রুত তাড়ানো যায়, আসলে কিন্তু খুশকি আমাদের মাথা থেকে তত তাড়াতাড়ি যায় না । আর আসলেই যায় কিনা সেটাও ভেবে দেখার বিষয় । তাই আসুন না, নিজে ঘরোয়া পদ্ধতিতে খুশকিকে দূর করি । জেনে নেই ঘরোয়া সেই পন্থাগুলিঃ

এস্পিরিন :- এস্পিরিনেরয়েছে একইউপাদান (সালসায়লিক এসিড) যা Anti -dandruff শ্যাম্পুতেব্যবহারকরাহয় ।তাই দুটো এস্পিরিন গুড়া করে প্রতিবার মাথা শ্যাম্পু করার সময় শ্যাম্পুর সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করবেন । এস্পিরিন মিশানো শ্যাম্পু মাথায় ১-২ মিনিট রাখতে হবে এবং এরপর ধুয়ে ফেলে পুনরায় এস্পিরিন ছাড়া শ্যাম্পু করতে হবে ।


টি ট্রি অয়েল :-

স্মৃতি শক্তি বাড়াতে মহানবী (সা.) ৯টি কাজ করতে বলেছেন

আমাদের মধ্যে অনেকেই রয়েছেন যাদের কোন কিছু মনে থাকে না। আবার এমন কিছু ব্যক্তি রয়েছে, যারা কোন কিছু খুব বেশি দিন মনে রাখতে পারেন না। এমন সমস্যা মূলত দূর্বল স্মৃতিশক্তির কারণে হয়ে থাকে। স্মৃতিশক্তি বাড়াতে আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ৯টি কাজ করতে বলেছেন। সেগুলো হলো-
১. ইখলাস বা আন্তরিকতাঃ যে কোনো কাজে সফলতা অর্জনের ভিত্তি হচ্ছে ইখলাস বা আন্তরিকতা। আর ইখলাসের মূল উপাদান হচ্ছে বিশুদ্ধ নিয়ত। নিয়তের বিশুদ্ধতার গুরুত্ব সম্পর্কে উস্তাদ খুররাম মুরাদ বলেন, “উদ্দেশ্য বা নিয়ত হল আমাদের আত্মার মত অথবা বীজের ভিতরে থাকা প্রাণশক্তির মত। বেশীরভাগ বীজই দেখতে মোটামুটি একইরকম, কিন্তু লাগানোর পর বীজগুলো যখন চারাগাছ হয়ে বেড়ে উঠে আর ফল দেওয়া শুরু করে তখন আসল পার্থক্যটা পরিস্কার হয়ে যায় আমাদের কাছে। একইভাবে নিয়ত যত বিশুদ্ধ হবে আমাদের কাজের ফলও তত ভালো হবে।” এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তা’আলা বলেন, “তাদেরকে এছাড়া কোন নির্দেশ করা হয়নি যে, তারা খাঁটি মনে একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর এবাদত করবে, নামায কায়েম করবে এবং যাকাত দেবে। এটাই সঠিক ধর্ম।” [সূরা আল-বায়্যিনাহঃ ৫] তাই আমাদের নিয়ত হতে হবে এমন যে, আল্লাহ আমাদের স্মৃতিশক্ত…