সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পুরুষদের স্বাস্থ্যের জন্যে ঝুঁকিপূর্ণ ৬টি লক্ষণ ! জেনে নিন

আধুনিক নারী-পুরুষরা বেশ স্বাস্থ্য সচেতন বলে মনে করেন স্বাস্থ্যবিদরা। কিন্তু তারপরও বেশ কয়েকটি বিপজ্জনক শারীরিক সমস্যা পাত্তা দিতে চান না পুরুষরা। অথচ যেকোনো পুরুষের এমন সমস্যা হলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত বলেই মনে করেন তারা। পুরুষদের সচেতনতা বৃদ্ধিতে এ সমস্যার কথা তুলে ধরেছেন তারা।

১. বুকের ব্যথা : বুকে ব্যথা তেমনটা পাত্তা দেন না পুরুষরা। অথচ পুরুষদের অধিকাংশ বুকে ব্যথা হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ হয়ে দেখা দেয়। অন্যান্য কারণও রয়েছে। নিউমোনিয়া বা অ্যাজমার কারণেও বুকে ব্যথা হতে পারে। পাশাপাশি বাড়তে থাকা স্ট্রেস এবং অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের কারণেও বুকে ব্যথা হয়। পাকস্থলীর ক্যান্সার বা এসিডের কারণেও এ ব্যথা হতে পারে। ব্যথার কারণ না বুঝতে পারলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

২. শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া : হঠাৎ করেই শ্বাস নিতে সমস্যা হওয়া বহু পুরুষের স্বাভাবিক সমস্যা বলেই বিবেচিত হয়। কিন্তু বিষয়টা কার্ডিওভাসকুলার সিস্টেমের সঙ্গে জড়িত। ফুসফুসের সমস্যা, ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিস, এম্ফাইসেমা এবং অ্যাজমার কারণেও শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা হয়।
৩. অবসাদ : এ অবস্থাকে দারুণ ক্লান্তিকর অবস্থা এবং ঘুমের অভাব বলেই মনে করেন অধিকাংশ পুরুষ। কিন্তু অবসাদ আরো খারাপ কিছুর লক্ষণ হতে পারে। ক্যান্সার, হৃদযন্ত্র নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়া, ডায়াবেটিস, আথ্রাইটিস, সংক্রমণ এবং কিডনি বা লিভারের রোগের লক্ষণ ফুটে উঠতে পারে অবসাদ ভর করার মাধ্যমে। কাজেই এদের কোনটা হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত হতে চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন।

৪. বিষণ্নতা : বিভিন্ন জরিপে বলা হয়, পুরুষদের মাঝেই বেশি বিষণ্নতা দেখা যায়। এর কারণ হতে পারে, পুরুষরা বেশি বেশি বাইরে থাকেন এবং কাজ করেন। পরিবার ও সামাজিক পরিস্থিতি সামাল দিতে তাদের দেহ ও মস্তিষ্কের ওপর অনেক বেশি চাপ পড়ে। মূলত খুব বেশি পরিশ্রমে ক্লান্ত মস্তিষ্ক যখন নিউরোক্যামিলের চাহিদা অনুভব করে তখনই বিষণ্নতা ভর করে। এ সময় গোটা দেহে সেরোটোনিন, নরপাইনফ্রাইন, ডোপামাইন ইত্যাদি হরমোনের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়ার প্রয়োজন পড়ে। বিষণ্নতার সময় যতটুকু হরমোন রয়েছে তাদের মজুদ রাখতে মস্তিষ্ক মোটামুটি নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে। তখনই দারুণ মানসিক চাপে থাকে মানুষ।

৫. স্মৃতিশক্তি হারিয়ে যাওয়া : সাধারণ ঘটনার কথা বলা হচ্ছে না। যেমন- আপনি চেক বইটা কোথায় রেখেছন তা মনে করতে পারছেন না। বয়সের কারণে বড় কোনো ঘটনা একেবারেই মনে করতে না পারাটা আথ্রাইটিস, মস্তিষ্কে ক্ষত বা প্রদাহের কারণ হতে পারে।

৬. মূত্রে সমস্যা :
পুরুষদের মূত্রের সঙ্গে রক্ত আসা বড় ধরনের সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। প্রোস্টেট ক্যান্সার, কিডনিতে পাথর বা মূত্রথলিতে প্রদাহের কারণে এমনটা হতে পারে।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

নাক ডাকার সমস্যা চিরতরে দূর করবে পানীয় - দেখুন কি ভাবে তৈরী করবেন

নাক ডাকার সমস্যা যে বেশ বিরক্তিকর ও বিব্রতকর, তা নতুন করে বলে দিতে হয় না। যিনি নাক ডাকেন তিনি না বুঝলেও পাশে থাকা মানুষটির ঘুম হারাম হয়ে যায়। তাই নাক ডাকা সমস্যাকে অবহেলা না করে ঘরোয়া ভাবে খুব সহজে এবং বেশ সুস্বাদু উপায়ে এই সমস্যার সমাধান করুন।
১) গাজর-আপেলের জুস: শুনতে সাধারণ মনে হলেও এই জুসের রয়েছে শ্বাসনালী কিছুটা চওড়া ও শ্বাসনালীর মিউকাস দ্রুত নিঃসরণের ক্ষমতা, যা নাক ডাকা থেকে মুক্তি দিতে বেশ কার্যকর।  প্রস্তুতপ্রণালি:  ১। ২ টি আপেল ছোটো ছোটো খণ্ডে কেটে নিন এবং ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করুন।  ২। এবার ২ টি গাজর কেটে ব্লেন্ডারে দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন।  ৩। এরপর একটি লেবুর ১/৪ অংশ কেটে রস চিপে এতে দিয়ে দিন এবং ১ চা চামচ আদা কুচি দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন।  ৪। কিছুটা পানি দিয়ে বেশ ভালো করে ব্লেন্ড করে নিয়ে ছেঁকে নিন। এই পানীয়টি প্রতিদিন পান করুন। নাক ডাকার সমস্যা দূরে পালাবে।  ২) হলুদের চা: হলুদ প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক। এটিও বেশ কার্যকর নাক ডাকা সমস্যার সমাধানে।  প্রস্তুতপ্রণালি: - ১। ২ কাপ পরিমাণ পানি চুলায় বসিয়ে জ্বাল দিতে থাকুন।  ২। এতে ১ চা চামচ পরিমাণ কাঁচা হলুদ বাটা দিয়ে দিন (গুঁড়ো হলেও চলবে)।…