সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

মনে রাখার ক্ষমতা কমিয়ে দেয় যে খাবারগুলি

শরীরের মধ্যে হৃদপিণ্ডের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল মস্তিষ্ক। দুটি একাসনে বসানো হলেও অবাক হওয়ার কিছু নেই। কারণ বেঁচে থাকতে গেলে হৃদপিণ্ডের চলাচল যেমন জরুরি তেমনই মাথার কাজও একইসঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ।মানুষের মস্তিষ্কই সম্ভবত একমাত্র বস্তু যার রহস্যের সমস্ত সমাধান আজ পর্যন্ত বের করে ওঠা যায়নি। মস্তিষ্ক নিয়ে যত গবেষণা হয়েছে, ততই বিজ্ঞানী ও দার্শনিকদের অবাক করে দিয়েছে পরতে পরতে এর মধ্যে জড়িয়ে থাকা রহস্য। এখনকার দিনে প্যাকেটজাত খাবার ও দৈনন্দিন জীবনযাপন মস্তিষ্কের প্রভূত ক্ষতিসাধন করে তাকে দুর্বল করে দিচ্ছে। আর এর সবচেয়ে বড় শিকার ছোট ছেলেমেয়েরা। যেকোনও বয়সের মানুষই এখন ভুলে যাওয়া বা স্মৃতিভ্রমের অসুখে ভুগছেন। সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, আমাদের খাদ্যাভ্যাসও মনে রাখার ক্ষমতাকে অনেকটা কমিয়ে দেয়। সেজন্য অবশ্যই সাবধান হওয়া প্রয়োজন। নিচের লেখায় দেখে নিন, কোন কোন খাবার মনে রাখার ক্ষমতাকে কমিয়ে দেয়-

প্রসেসড চিজ :- চিজে প্রচুর পরিমাণে ক্যালশিয়াম ও প্রোটিন থাকে। প্রসেসড চিজ যেমন আমেরিকান চিজ ও মোজারেলাতে স্যাচুরেটেড ফ্যাট অনেক বেশি থাকে। ফলে তা মস্তিষ্কের ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।
 
প্রসেসড মাংস :- বাজারের প্যাকেটবন্দি প্রক্রিয়াকরণ করা মাংস খেলে মস্তিষ্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে থাকা ট্রান্স ফ্যাট মনে রাখার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।
 
পনির :- মাঝেমাঝে খাওয়া ভালো। তবে বেশি খেলে এই উচ্চ প্রোটিনজাত খাবার ডিমেনশিয়া বা স্মৃতিভ্রমে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করে।
 
কৃত্রিম মিষ্টিজাত খাবার :- নিজের ডায়েটে কৃত্তিম মিষ্টিজাত খাবার রাখলে মাথা যন্ত্রণা, অবসাদ, ওজন কমে যাওয়া, মাথা ঘোরা ও স্মৃতিভ্রমের সমস্য়া হতে পারে।
 
সাদা খাবার :- সাদা পাঁউরুটি, চিনি, পাস্তা ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট থাকে। এগুলি রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়িয়ে তোলে। রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়লে অ্যালজেইমারের মতো রোগ মস্তিষ্কে বাসা বাঁধে।
 
বিয়ার :-যেসকল ব্যক্তিরা বিয়ার পান করে থাকে, তাদের মনে রাখার ক্ষমতা ক্ষীণ হয়। প্রায় ২০ বছর ধরে টানা মদ্যপানের অভ্যাস থাকলে শেষ বয়সে এসে স্মৃতি দুর্বলতা তৈরি হয়।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…

আঁচিল ঝরান প্রাকৃতিক উপায়ে

আঁচিলের কারণে অনেক সময় সৌন্দর্যে ভাটা পড়ে। শরীরের নানা স্থানে আঁচিল হতে দেখা যায়।এটি সাধারণত কালো, বাদামী, লাল, গোলাপি রঙের হয়ে থাকে। একেক জনের ক্ষেত্রে এর আকার, আকৃতি ভিন্ন ভিন্ন রকম হয়। এটি অনেক সময় এমনিতেই সেরে যায়। অনেক সময় রয়ে যায় স্থায়ী দাগ হয়ে। আঁচিল দূর করা যায় দুই ভাবে। সার্জিক্যালি এবং প্রাকৃতিক উপায়ে। আঁচিল সমস্যা সমাধানে কয়েকটি নিরাপদ ঘরোয়া উপায় জেনে রাখা ভালো। নিজের এবং অন্যের প্রয়োজনে যেকোনো সময় কাজে দিতে পারে।
অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার খুবই পরিচিত একটি নাম। দিনে দু’বার আঁচিলের ওপর তুলোয় করে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চোখের পাতায় যদি লাগান খেয়াল রাখুন যাতে ভেতরে না যায়। নিয়মটি অনুসরণ করুন ২-৪ সপ্তাহ। আঁচিল ঝরে পড়বে।
ক্যাস্টর ওয়েল এবং বেকিং সোডা একসাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে আঁচিলের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকালে ধুয়ে নিন। সবচেয়ে ভালো ফল পেতে রাতে লাগিয়ে রেখে সকালে ধুয়ে নেবেন। দ্রুত আঁচিল করার জন্য টি ট্রি ওয়েল অত্যন্ত কার্যকরী। সুপার শপ বা শপিং মলে এই তেল পাওয়া যায়। ভেজা তুলায় ক’ফোঁটা টি ট্রি ওয়েল নিয়ে আঁচিলের ওপর মিনিট দশেক লাগ…