সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

খালি পেটে ভুলেও খাবেন না যেসব খাবার

বেশিরভাগ মানুষই ঘুম থেকে উঠে এক কাপ চা বা কফি না পেলে জিদ ঝাড়েন আসবাবপত্রের ওপর? অথচ খালি পেটে এমনিতেই অ্যাসিডের মাত্রা বেশি থাকে‚ তার ওপরে উলটো পালটা খেয়ে শরীরে আরো অ্যাসিডের পরিমাণ বাড়িয়ে তুলছেন না তো? জেনে রাখুন এমন পাঁচটা জিনিস যা খালি পেটে ভুলেও খাবেন না।

১. বিশেষ কিছু ওষুধ: ডাক্তাররা এই কারণেই বলে থাকেন এমন কিছু ওষুধ আছে যা খাবার খেয়ে খেতে হবে। বেশ কিছু অ্যান্টি বায়োটিক আছে যা ইনটেস্টাইন বা অন্ত্রের আস্তরণকে ইরিটেট করে। এবং অ্যাসিডের মাত্রাও অনেকটা বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে পেটের আলসার হওয়ার আশঙ্কা অনেকটা বেড়ে যায়। এছাড়াও খালি পেটে অ্যাসিডের মাত্রা যেহেতু বেশি থাকে তাই অ্যান্টিবায়োটিক তাড়াতাড়ি অ্যাবসর্ব হয়ে যায় ফলে তাদের গুণ অনেক কমে যায়।

২. কফি: সকালে উঠে অনেকেই এক কাপ গরম কফি নিয়ে বসেন। কিন্তু এটা মোটেই ভালো স্বাভাব নয়। খালি পেটে কফি মারাত্মক হতে পারে। অ্যাসিডের মাত্র অনেকটা বাড়িয়ে দেয়া ছাড়াও হরমোনাল ইমব্যালেন্স হতে পারে। এর ফলে স্ট্রেস আর উদ্বেগের মাত্রা অনেকটা বেড়ে যায়।

৩. চা: কফির মতই খালি পেটে চা খেলে অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে যায়। এর ফলে অ্যাসিডিটি এবং পেটে আলসার হতে পারে।
৪. মশলাদার খাবার: সকালের নাস্তায় মশলাদার খাবার না খাওয়াই ভালো। মশলাদার খাবারে বেশি মাত্রায় মরিচ থাকে যা অন্ত্রের ক্ষতি করে। এর ফলে পেটে ব্যাথা এবং ক্র্যাম্প হতে পারে। পেটের আলসার হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়।

৫. এয়ারেটেড ড্রিঙ্কস: সোডা অত্যন্ত অ্যাসিডিক। এর ওপর যদি খালি পেটে কোল্ড ড্রিঙ্ক পান করেন, তাহলে অ্যাসিডের মাত্রা আরো বেড়ে যাবে। এরফলে পেটের ক্র্যাম্প বা গা বমি বমি হতে পারে।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

যেভাবে এলো বাঙালির বংশ পদবী! জেনে রাখুন বিসিএস সহ যেকোন চাকরি পরীক্ষায় কাজে আসবে

খুব বেশি প্রাচীন নয়। মধ্যযুগে সামন্তবাদী সমাজ ব্যবস্থার ফলে পরবর্তীতে বৃটিশ আমলে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সমান্তরালে বাঙালির পদবীর বিকাশ ঘটেছে বলে মনে করা হয়। অধিকাংশ ব্যক্তি নামের শেষে একটি পদবী নামক পুচ্ছ যুক্ত হয়ে আছে। যেমন উপাধি, উপনাম কিংবা বংশসূচক নামকে সাধারণ ভাবে পদবী বলা হয়।
বাঙালির জমি- জমা বিষয় সংক্রান্ত কিছু পদবী যেমন- হালদার, মজুমদার, তালুকদার, পোদ্দার, সরদার, প্রামাণিক, হাজরা, হাজারী, মন্ডল, মোড়ল, মল্লিক, সরকার, বিশ্বাস ইত্যাদি বংশ পদবীর রয়েছে হিন্দু -মুসলমান নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের একান্ত রূপ। বাঙালি মুসলমানের শিক্ষক পেশার পদবী হলো-খন্দকার, আকন্দ, নিয়াজী ইত্যাদি। আর বাঙালি হিন্দুর শিক্ষক পদবী হচ্ছে দ্বিবেদী, ত্রিবেদী, চর্তুবেদী ইত্যাদি।

এবার আপনাদের জানাবো বাঙালির কিছু বিখ্যাত বংশ পদবীর ইতিহাস। যেমন-শিকদার, সৈয়দ, শেখ, মীর, মিঞা, মোল্লা, দাস, খন্দকার, আকন্দ, চৌধুরী, ভুইয়া, মজুমদার, তরফদার, তালুকদার, সরকার, মল্লিক, মন্ডল, পন্নী, ফকির, আনসারী, দত্ত ইত্যাদি।

শিকদারঃ সুলতানি আমলে কয়েকটি মহাল নিয়ে গঠিত ছিল এক একটি শিক। আরবি শিক হলো একটি খন্ড এলাকা বা বিভাগ। এর স…

আঁচিল ঝরান প্রাকৃতিক উপায়ে

আঁচিলের কারণে অনেক সময় সৌন্দর্যে ভাটা পড়ে। শরীরের নানা স্থানে আঁচিল হতে দেখা যায়।এটি সাধারণত কালো, বাদামী, লাল, গোলাপি রঙের হয়ে থাকে। একেক জনের ক্ষেত্রে এর আকার, আকৃতি ভিন্ন ভিন্ন রকম হয়। এটি অনেক সময় এমনিতেই সেরে যায়। অনেক সময় রয়ে যায় স্থায়ী দাগ হয়ে। আঁচিল দূর করা যায় দুই ভাবে। সার্জিক্যালি এবং প্রাকৃতিক উপায়ে। আঁচিল সমস্যা সমাধানে কয়েকটি নিরাপদ ঘরোয়া উপায় জেনে রাখা ভালো। নিজের এবং অন্যের প্রয়োজনে যেকোনো সময় কাজে দিতে পারে।
অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার খুবই পরিচিত একটি নাম। দিনে দু’বার আঁচিলের ওপর তুলোয় করে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চোখের পাতায় যদি লাগান খেয়াল রাখুন যাতে ভেতরে না যায়। নিয়মটি অনুসরণ করুন ২-৪ সপ্তাহ। আঁচিল ঝরে পড়বে।
ক্যাস্টর ওয়েল এবং বেকিং সোডা একসাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে আঁচিলের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকালে ধুয়ে নিন। সবচেয়ে ভালো ফল পেতে রাতে লাগিয়ে রেখে সকালে ধুয়ে নেবেন। দ্রুত আঁচিল করার জন্য টি ট্রি ওয়েল অত্যন্ত কার্যকরী। সুপার শপ বা শপিং মলে এই তেল পাওয়া যায়। ভেজা তুলায় ক’ফোঁটা টি ট্রি ওয়েল নিয়ে আঁচিলের ওপর মিনিট দশেক লাগ…