সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

বুকে বসে যাওয়া কফ দ্রুত দূর করার ঘরোয়া সিরাপ

না ঠাণ্ডা না গরম, ঋতু পরিবর্তনের এই বিরক্তিকর সময়ে নানা ধরণের শারীরিক সমস্যা লেগেই রয়েছে। সব চাইতে বেশি যে সমস্যার সম্মুখীন কমবেশি সকলেই হয়ে থাকেন তা হচ্ছে সর্দি কাশি। এবং ঝামেলা অনেক বেশি হয় যখন এই সর্দি কাশি বুকে বসে যায়। নানা ধরণের ঔষধেও এই যন্ত্রণাদায়ক সর্দি-কফের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায় না।

প্রাচীনকালে মানুষজনের এইধরনের বুকে বসে যাওয়া সর্দি-কফের চিকিৎসায় ঘরোয়া প্রাকৃতিক পদ্ধতিই ব্যবহার হতো। এবং বেশ দ্রুতই মুক্তি পাওয়া যেতো এই সমস্যা থেকে। তাই আজকে জেনে নিন ঘরে তৈরি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক কফ সিরাপ তৈরির পদ্ধতি। সব চাইতে ভালো বিষয় হচ্ছে, বাজারে যেসকল কফ সিরাপ পাওয়া যায় তা খেলে যে ঘুম ঘুম ভাব আসে এই প্রাকৃতিক কফ সিরাপে এই ধরণের সমস্যা একেবারেই হয় না। এবং বেশ দ্রুত আপনি মুক্তি পেয়ে যাবেন বুকে জমে থাকা সর্দি থেকে। বিশেষ করে বাচ্চাদের জন্য এটি বেশ কার্যকরী একটি প্রাকৃতিক ঔষধ।
বুকে বসে যাওয়া কফ দ্রুত দূর করার ঘরোয়া সিরাপঃ
উপকরণঃ
  • ১ টেবিল চামচ যষ্টিমধু
  • ১ টেবিল চামচ তিল
  • ১ স্লাইস লেবু
  • ২৫০ মিলি লিটার পানি
  • ২৫০ গ্রাম ব্রাউন সুগার (হালকা ভেজে তৈরি করতে পারেন এটি অথবা ১ কাপ ম্যাপেল সিরাপ ব্যবহার করতে পারেন)
পদ্ধতিঃ
  • পানি একটি প্যানে ঢেলে চুলায় গরম হতে দিন। এতে দিন ব্রাউন সুগার বা ম্যাপেল সিরাপ। পানির সাথে পুরোপুরি গলিয়ে মিশিয়ে নিন।
  • এরপর চুলার আঁচ একেবারে কমিয়ে দিয়ে বাকি উপকরণ গুলো দিয়ে দিন। অল্প আঁচে ১৫ মিনিট চুলায় রেখে জ্বাল দিতে থাকুন মিশ্রণটিতে।
  • ১৫ মিনিট পর চুলা থেকে নামিয়ে ছেঁকে আলাদা করে নিন।
  • প্রতিদিন ৩ বার ১ টেবিল চামচ করে এই সিরাপটি খান। যতোদিন পর্যন্ত বুকের সর্দি একেবারে দূর হয়ে যাচ্ছে এভাবে খেতে থাকুন। দেখবেন বেশ দ্রুতই সর্দি থেকে মুক্তি পাবেন।
  • এই সিরাপটি ফ্রিজে রেখে সংরক্ষণ করুন।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

যেভাবে এলো বাঙালির বংশ পদবী! জেনে রাখুন বিসিএস সহ যেকোন চাকরি পরীক্ষায় কাজে আসবে

খুব বেশি প্রাচীন নয়। মধ্যযুগে সামন্তবাদী সমাজ ব্যবস্থার ফলে পরবর্তীতে বৃটিশ আমলে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সমান্তরালে বাঙালির পদবীর বিকাশ ঘটেছে বলে মনে করা হয়। অধিকাংশ ব্যক্তি নামের শেষে একটি পদবী নামক পুচ্ছ যুক্ত হয়ে আছে। যেমন উপাধি, উপনাম কিংবা বংশসূচক নামকে সাধারণ ভাবে পদবী বলা হয়।
বাঙালির জমি- জমা বিষয় সংক্রান্ত কিছু পদবী যেমন- হালদার, মজুমদার, তালুকদার, পোদ্দার, সরদার, প্রামাণিক, হাজরা, হাজারী, মন্ডল, মোড়ল, মল্লিক, সরকার, বিশ্বাস ইত্যাদি বংশ পদবীর রয়েছে হিন্দু -মুসলমান নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের একান্ত রূপ। বাঙালি মুসলমানের শিক্ষক পেশার পদবী হলো-খন্দকার, আকন্দ, নিয়াজী ইত্যাদি। আর বাঙালি হিন্দুর শিক্ষক পদবী হচ্ছে দ্বিবেদী, ত্রিবেদী, চর্তুবেদী ইত্যাদি।

এবার আপনাদের জানাবো বাঙালির কিছু বিখ্যাত বংশ পদবীর ইতিহাস। যেমন-শিকদার, সৈয়দ, শেখ, মীর, মিঞা, মোল্লা, দাস, খন্দকার, আকন্দ, চৌধুরী, ভুইয়া, মজুমদার, তরফদার, তালুকদার, সরকার, মল্লিক, মন্ডল, পন্নী, ফকির, আনসারী, দত্ত ইত্যাদি।

শিকদারঃ সুলতানি আমলে কয়েকটি মহাল নিয়ে গঠিত ছিল এক একটি শিক। আরবি শিক হলো একটি খন্ড এলাকা বা বিভাগ। এর স…

আঁচিল ঝরান প্রাকৃতিক উপায়ে

আঁচিলের কারণে অনেক সময় সৌন্দর্যে ভাটা পড়ে। শরীরের নানা স্থানে আঁচিল হতে দেখা যায়।এটি সাধারণত কালো, বাদামী, লাল, গোলাপি রঙের হয়ে থাকে। একেক জনের ক্ষেত্রে এর আকার, আকৃতি ভিন্ন ভিন্ন রকম হয়। এটি অনেক সময় এমনিতেই সেরে যায়। অনেক সময় রয়ে যায় স্থায়ী দাগ হয়ে। আঁচিল দূর করা যায় দুই ভাবে। সার্জিক্যালি এবং প্রাকৃতিক উপায়ে। আঁচিল সমস্যা সমাধানে কয়েকটি নিরাপদ ঘরোয়া উপায় জেনে রাখা ভালো। নিজের এবং অন্যের প্রয়োজনে যেকোনো সময় কাজে দিতে পারে।
অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার খুবই পরিচিত একটি নাম। দিনে দু’বার আঁচিলের ওপর তুলোয় করে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চোখের পাতায় যদি লাগান খেয়াল রাখুন যাতে ভেতরে না যায়। নিয়মটি অনুসরণ করুন ২-৪ সপ্তাহ। আঁচিল ঝরে পড়বে।
ক্যাস্টর ওয়েল এবং বেকিং সোডা একসাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে আঁচিলের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকালে ধুয়ে নিন। সবচেয়ে ভালো ফল পেতে রাতে লাগিয়ে রেখে সকালে ধুয়ে নেবেন। দ্রুত আঁচিল করার জন্য টি ট্রি ওয়েল অত্যন্ত কার্যকরী। সুপার শপ বা শপিং মলে এই তেল পাওয়া যায়। ভেজা তুলায় ক’ফোঁটা টি ট্রি ওয়েল নিয়ে আঁচিলের ওপর মিনিট দশেক লাগ…