সর্বশেষ আপডেট
অপেক্ষা করুন...
সোমবার, ১৮ এপ্রিল, ২০১৬

মশার কামড়ের হাত থেকে বাঁচতে হরহামেশা দোকানে দৌড়াই কয়েলের জন্য। অনেকে মশারি টানানোর ঝামেলায় না গিয়ে কয়েল জ্বালিয়েই শান্তি খোঁজেন। কিন্তু জানেন কি এই শান্তিটুকু আপনার কতটা ক্ষতি করছে?

সাধারণত কয়েলের গুঁড়া খুবই ছোট ও সুক্ষ হয়। ফলে খুব সহজেই ফুসফুসের সাহায্যে শরীরে প্রবেশ করতে পারে। তারপর সেখানে জমে গিয়ে বিষাক্ততা তৈরি করে যা অনেকটা সিগারেটের মতোই। টানা আট ঘণ্টা যদি কয়েল জ্বালানো হয় তবে তা একশর চেয়ে বেশি সিগারেটের সমপরিমাণ ধোঁয়া উৎপন্ন করে। এবার ভাবুন এটা কতটা ক্ষতিকর।

এছাড়াও অনেক সময় দেখা যায় কয়েলের ধোঁয়ায় অনেকের চোখ জ্বালা করে। এটা চোখের জন্য মারাত্নক ক্ষতিকর। এর কারণ হল কয়েলে এক ধরণের কেমিক্যাল ব্যবহৃত হয় যার নাম pyrethrum। চোখ জ্বালা করা ছাড়াও বমিভাব, মাথাব্যথাও করতে দেখা যায়।
মশার কয়েল তৈরীতে কিছু কিছু ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ক্ষতিকর কেমিক্যাল S-2 ব্যবহার করেন যা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং এটি ফুসফুসের ক্যানসার সৃষ্টিকারী। এটির কারণেই অনেকের শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়।

এবার ভেবে দেখুন, মশা মারতে গিয়ে কীভাবে নিজের অজান্তেই মুত্যুর দিকে ধাবিত হচ্ছেন ধীরে ধীরে। তাই মশার কয়েল ব্যবহারে সাবধানী হোন। যদি ব্যবহার করতেই হয় তবে বদ্ধ ঘরে নয়, বরং প্রচুর বাতাস চলাচল করে এমন ঘরে কয়েল রাখা শ্রেয়। দরজা জানলা বদ্ধ থাকলে খুলে দিন।

মশা থেকে বাঁচতে গিয়ে জীবনকে মরণের দিকে ঠেলে দিবেন না। আজই কয়েলকে না বলুন, সুস্থ্য থাকুন।
আধুনিক হোমিওপ্যাথি, ঢাকা
ডাক্তার হাসান; ডি. এইচ. এম. এস(BHMC)
যৌন ও স্ত্রীরোগ, লিভার, কিডনি ও পাইলসরোগ বিশেষজ্ঞ হোমিওপ্যাথ
১০৬ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪, বাংলাদেশ
ফোন :- +88 01727-382671 এবং +88 01922-437435
স্বাস্থ্য পরামর্শের জন্য যেকোন সময় নির্দিধায় এবং নিঃসংকোচে যোগাযোগ করুন।

0 comments:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

 
[X]