সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ব্রণ দূর করতে এই ৭ মহৌষধ !

‘তরুণ বয়সে বোরণ (ব্রণ) হবেই’ গ্রামে এমন কথা প্রায়ই শোনা যায়। মেয়েরা প্রায় সবাই ত্বকের সমস্যায় কম বেশি ভোগেন। ছেলেরাও কম না। ত্বকের সমস্যাগুলোর অন্যতম হল ব্রণ। এটি এমন একটি সমস্যা যা ত্বকের উজ্জ্বলতা নষ্ট করে দেয়। শুধু তাই নয় ব্রণের কালো দাগ সহজে ত্বক থেকে দূরও হতে চায় না। ব্রণ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আমরা কত কিছুই না করে থাকি। কিন্তু তাও মুক্তি মেলে না পুরোপুরি। রূপচর্চার পাশাপাশি ব্রণের হাত থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য বিশেষ কিছু খাবারও সাহায্য করে। দেখে নেওয়া যাক ব্রণ প্রতিরোধ করে থাকে এমন কিছু খাবারের নাম।

লাল আঙ্গুর : লাল আঙ্গুরে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ব্রণ হওয়ার প্রবণতা কমাতে সাহায্য করে। এটা ত্বকের যে কোনো অ্যালার্জি রোধ করতেও বেশ উপকারি।

রসুন : হার্ট সুস্থ রাখার ক্ষেত্রে রসুনের গুণ সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানি। রসুন কিন্তু ব্রণ প্রতিরোধেও সাহায্য করে।
রসুনে এলিসিন নামক উপাদান রয়েছে যা দেহের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে এবং ত্বকের সমস্যাও দূর করে।
বাদাম: বাদামে ভিটামিন ই, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং আয়রন রয়েছে প্রচুর পরিমাণে। যা ত্বক সুস্থ রাখার পাশাপাশি ব্রণ হওয়ার রোধ করতেও সাহায্য করে। বাদাম বিশেষ করে কাজুবাদাম ইউভি রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করে।

মাছ: ব্রণ প্রতিরোধ করে এমন খাবারগুলোর মধ্যে মাছ অন্যতম। মাছে আছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা ৩ এবং ওমেগা ৬ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে যা ত্বকের জন্য খুবই উপকারী।
ব্রকোলি

ব্রকোলি: নিখুঁত ত্বক পেতে ব্রকোলির জুড়ি মেলা ভার। এতে ভিটামিন এ, বি, সি, ই এবং ভিটামিন কে আছে। যা ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে সাহায্য করে।

গ্রিন টি: দুধ চায়ের বদলে গ্রিন টি খাওয়া শুরু করুন। এতে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ব্রণ হওয়া প্রতিরোধ করে।

পানি : আর সব কথার শেষ কথা পানি। এ সকল খাবারের পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে জল পান করাটাও জরুরি।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

নাক ডাকার সমস্যা চিরতরে দূর করবে পানীয় - দেখুন কি ভাবে তৈরী করবেন

নাক ডাকার সমস্যা যে বেশ বিরক্তিকর ও বিব্রতকর, তা নতুন করে বলে দিতে হয় না। যিনি নাক ডাকেন তিনি না বুঝলেও পাশে থাকা মানুষটির ঘুম হারাম হয়ে যায়। তাই নাক ডাকা সমস্যাকে অবহেলা না করে ঘরোয়া ভাবে খুব সহজে এবং বেশ সুস্বাদু উপায়ে এই সমস্যার সমাধান করুন।
১) গাজর-আপেলের জুস: শুনতে সাধারণ মনে হলেও এই জুসের রয়েছে শ্বাসনালী কিছুটা চওড়া ও শ্বাসনালীর মিউকাস দ্রুত নিঃসরণের ক্ষমতা, যা নাক ডাকা থেকে মুক্তি দিতে বেশ কার্যকর।  প্রস্তুতপ্রণালি:  ১। ২ টি আপেল ছোটো ছোটো খণ্ডে কেটে নিন এবং ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করুন।  ২। এবার ২ টি গাজর কেটে ব্লেন্ডারে দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন।  ৩। এরপর একটি লেবুর ১/৪ অংশ কেটে রস চিপে এতে দিয়ে দিন এবং ১ চা চামচ আদা কুচি দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন।  ৪। কিছুটা পানি দিয়ে বেশ ভালো করে ব্লেন্ড করে নিয়ে ছেঁকে নিন। এই পানীয়টি প্রতিদিন পান করুন। নাক ডাকার সমস্যা দূরে পালাবে।  ২) হলুদের চা: হলুদ প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক। এটিও বেশ কার্যকর নাক ডাকা সমস্যার সমাধানে।  প্রস্তুতপ্রণালি: - ১। ২ কাপ পরিমাণ পানি চুলায় বসিয়ে জ্বাল দিতে থাকুন।  ২। এতে ১ চা চামচ পরিমাণ কাঁচা হলুদ বাটা দিয়ে দিন (গুঁড়ো হলেও চলবে)।…