সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে না শুলে যে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে !

সম্পর্কের গাড়ি কিছুদিন গড়ানোর পরে ধীরে ধীরে উৎসাহ-উদ্দীপনা অনেক কমে যায়। আগের মতো আবেগ ঘন মুহূর্ত খুব বেশি তৈরি হয় না। স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কে তা অনেক বেশি করে খাটে। সংসারের চাপে হোক অথবা অন্য কোনও কারণে, অনেক দম্পতিই বিয়ের কিছুদিন বা বছর পর থেকে আলাদা শুতে শুরু করেন। অনেক সময়ে সন্তানের জন্মের পর থেকেই তা শুরু হয়। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এতে দুজনের সম্পর্কের প্রভূত ক্ষতি হয়। স্বামী বা স্ত্রী, দুজনেরই আলাদা সত্ত্বা রয়েছে। দুজনের প্রতিমুহূর্তে একে অপরকে প্রয়োজন। সেখানে যদি দুজনে আলাদা শুয়ে থাকেন, তাহলে সম্পর্কে ফাটল ধরতে বাধ্য। স্বামী-স্ত্রী দুজনে আলাদা ঘরে আলাদা শুলে কি সমস্যা হতে পারে সম্পর্কের ক্ষেত্রে বা জীবনে এগিয়ে চলার ক্ষেত্রে তা জেনে নিন নিচের লেখা থেকে-

সম্পর্কে টান ধরে :- দুজনে আলাদা শুয়ে দিন কাটালে সম্পর্কের উষ্ণতা অনেক কমে যায়।

অন্তরঙ্গতা :- দুজনে একই বিছানায় না শুলে, একে অপরকে জড়িয়ে ধরে সুখ-দুঃখের কথা না বললে অন্তরঙ্গতা কমে যেতে বাধ্য।
অন্যের প্রতি আকর্ষণ তৈরি হওয়া :- স্বামী বা স্ত্রী যেকারও ক্ষেত্রেই এটা হতে পারে। অন্য পুরুষ বা মহিলা সঙ্গীর প্রতি আকর্ষণ জন্মায়।

ঘৃণাভাব জন্মানো :- যদি আলাদা শুতে শুতে অন্যের প্রতি ভালোলাগা তৈরি হয়, তাহলে তারপর স্ত্রী বা স্বামীর প্রতি অল্পেতেই ঘৃণা বা অবজ্ঞার ভাবনা মনে আসে।

ছোট ঘটনাও বড় আকার নেয় :- আলাদা থাকতে থাকতে মনও বদলে যায়। ফলে ছোট ঘটনাতে কথা-কাটাকাটিও অনেক বড় আকার নেয়।

তর্কই বড় হয়ে দাঁড়ায় :- এমন চলতে চলতে যদি দুজনেই দুজনের প্রতি ঘৃণার ভাবনাকে প্রশ্রয় দেন, তাহলে সারাদিন তর্কই চলতে থাকবে। এটাই সম্পর্কে প্রধান কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়ায়।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…

আঁচিল ঝরান প্রাকৃতিক উপায়ে

আঁচিলের কারণে অনেক সময় সৌন্দর্যে ভাটা পড়ে। শরীরের নানা স্থানে আঁচিল হতে দেখা যায়।এটি সাধারণত কালো, বাদামী, লাল, গোলাপি রঙের হয়ে থাকে। একেক জনের ক্ষেত্রে এর আকার, আকৃতি ভিন্ন ভিন্ন রকম হয়। এটি অনেক সময় এমনিতেই সেরে যায়। অনেক সময় রয়ে যায় স্থায়ী দাগ হয়ে। আঁচিল দূর করা যায় দুই ভাবে। সার্জিক্যালি এবং প্রাকৃতিক উপায়ে। আঁচিল সমস্যা সমাধানে কয়েকটি নিরাপদ ঘরোয়া উপায় জেনে রাখা ভালো। নিজের এবং অন্যের প্রয়োজনে যেকোনো সময় কাজে দিতে পারে।
অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার খুবই পরিচিত একটি নাম। দিনে দু’বার আঁচিলের ওপর তুলোয় করে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চোখের পাতায় যদি লাগান খেয়াল রাখুন যাতে ভেতরে না যায়। নিয়মটি অনুসরণ করুন ২-৪ সপ্তাহ। আঁচিল ঝরে পড়বে।
ক্যাস্টর ওয়েল এবং বেকিং সোডা একসাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে আঁচিলের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকালে ধুয়ে নিন। সবচেয়ে ভালো ফল পেতে রাতে লাগিয়ে রেখে সকালে ধুয়ে নেবেন। দ্রুত আঁচিল করার জন্য টি ট্রি ওয়েল অত্যন্ত কার্যকরী। সুপার শপ বা শপিং মলে এই তেল পাওয়া যায়। ভেজা তুলায় ক’ফোঁটা টি ট্রি ওয়েল নিয়ে আঁচিলের ওপর মিনিট দশেক লাগ…