সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

দ্রুত ওজন কমাবে তরমুজ-পেয়ারা-কলা

ফল হচ্ছে এমন একটি সুপারফুড যাতে ক্যালরি ও ফ্যাট খুব কম থাকে। যথেষ্ট পরিমাণে ফল খেলে ওজন কমে। প্রাকৃতিক চিনি ও ফাইবার উপাদান রয়েছে বলে এটি ক্ষুধা নিবারণ করে। প্রতিদিন মোট খাবারের পাঁচ ভাগ ফল খাওয়া যেতে পারে। ভাগ বলতে প্রতি ভাগে ৮০ গ্রাম ফল। সাতটি ফল নিশ্চিতভাবে ওজন হ্রাসে ভূমিকা রাখে – 

তরমুজ :- তরমুজে ৯০ শতাংশই পানি। ১০০ গ্রাম তরমুজে থাকে মাত্র ৩০ ক্যালরি। এটি আর্জেনাইন নামক অ্যামিনো এসিডের উৎকৃষ্ট উৎস যা চর্বি পোড়াতে সাহায্য করে। এটি দেহকে হাইড্রেটেড রাখে ও দীর্ঘ সময় পর্যন্ত ক্ষুধা হ্রাস করে। 
 
আপেল :- আপেল একইসঙ্গে ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়, হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখে, দাঁত ঝকঝকে রাখে, রোগ প্রতিরোধ সিস্টেমকে শক্তিশালী করে, এমনকি ডায়রিয়া ও কোষ্ঠাকাঠিন্যও নির্মূল করে। যদি আপনি ওয়েট লুজ ডায়েট মেনে চলেন তাহলে তাতে ফলটি রাখা উচিত। একটি মাঝারি সাইজের আপেলে থাকে ৫০ ক্যালরি। ফ্যাট ও সোডিয়াম একেবারেই নেই। ব্রাজিলের এক গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব নারীরা খাবারের অ‍াগে আপেল খান তারা অন্যদের তুলনায় ৩৩ শতাংশ দ্রুত ওজন কমাতে পারেন। 
 
পেয়ারা :-  ভারতে পেয়ারার আগমন হয় পর্তুগিজদের হাত ধরে। পেয়ারায় রয়েছে হাই ফাইবার কনটেন্ট ও লো জিআই (গ্লাইসেমিক ইনডেক্স) যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য আদর্শ খাবার। সঠিক বৌল মুভমেন্ট ও ওজন হ্রাসে কার্যকরী ফল পেয়ারা। 
কলা :- শক্তিবর্ধনকারী খাবার হিসেবে কলা পারফেক্ট উদাহরণ। একটি মাঝারি সাইজের কলায় রয়েছে ১৫০ ক্যালরি। এটি ওজন হ্রাসের পাশাপাশি পেশি শিথিল করে, রক্তচাপ ঠিক রাখে, অ্যাসিডিটি দূর করে ও কোষ্ঠকাঠিন্য নিরাময় করে। 
 
কমলা :- কমলা মুখরোচক ফলগুলোর একটি। একশো গ্রাম কমলায় রয়েছে ৪৭ ক্যালরি। যারা কঠিন ডায়েট মেনে চলেন তারা স্ন্যাকস হিসেবে রাখতে পারেন ফলটি। 
 
নাশপতি :- আপনার দৈনন্দিন ফাইবার চাহিদার এক-চতুর্থাংশ পূরণ করতে পারে নাশপতি। এটি হজম প্রক্রিয়ায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, কোলেস্টেরল কমায়, করোনারি হার্ট ডিজেজ ও টাইপ-২ ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে। ভিটামিন সি তে পরিপূর্ণ নাশপতি দীর্ঘসময় পর্যন্ত ক্ষুধা নিবারণ করে। 
 
টমেটো :- টমেটো ফল ও সবজি দুটোই। ওজন হ্রাসের যুদ্ধে এটি সফল একটি উপাদান। এন্টি-অক্সিডেন্টে পরিপূর্ণ টমেটো শরীরে পানির ঘাটতি দূর করে। তবে টমেটোর রিপ্লেসমেন্ট হিসেবে ক্যাচআপ খাওয়া যাবে না। কারণ এতে থাকে প্রচুর চিনি ও সিনথেটিক উপাদান।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

নাক ডাকার সমস্যা চিরতরে দূর করবে পানীয় - দেখুন কি ভাবে তৈরী করবেন

নাক ডাকার সমস্যা যে বেশ বিরক্তিকর ও বিব্রতকর, তা নতুন করে বলে দিতে হয় না। যিনি নাক ডাকেন তিনি না বুঝলেও পাশে থাকা মানুষটির ঘুম হারাম হয়ে যায়। তাই নাক ডাকা সমস্যাকে অবহেলা না করে ঘরোয়া ভাবে খুব সহজে এবং বেশ সুস্বাদু উপায়ে এই সমস্যার সমাধান করুন।
১) গাজর-আপেলের জুস: শুনতে সাধারণ মনে হলেও এই জুসের রয়েছে শ্বাসনালী কিছুটা চওড়া ও শ্বাসনালীর মিউকাস দ্রুত নিঃসরণের ক্ষমতা, যা নাক ডাকা থেকে মুক্তি দিতে বেশ কার্যকর।  প্রস্তুতপ্রণালি:  ১। ২ টি আপেল ছোটো ছোটো খণ্ডে কেটে নিন এবং ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করুন।  ২। এবার ২ টি গাজর কেটে ব্লেন্ডারে দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন।  ৩। এরপর একটি লেবুর ১/৪ অংশ কেটে রস চিপে এতে দিয়ে দিন এবং ১ চা চামচ আদা কুচি দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন।  ৪। কিছুটা পানি দিয়ে বেশ ভালো করে ব্লেন্ড করে নিয়ে ছেঁকে নিন। এই পানীয়টি প্রতিদিন পান করুন। নাক ডাকার সমস্যা দূরে পালাবে।  ২) হলুদের চা: হলুদ প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক। এটিও বেশ কার্যকর নাক ডাকা সমস্যার সমাধানে।  প্রস্তুতপ্রণালি: - ১। ২ কাপ পরিমাণ পানি চুলায় বসিয়ে জ্বাল দিতে থাকুন।  ২। এতে ১ চা চামচ পরিমাণ কাঁচা হলুদ বাটা দিয়ে দিন (গুঁড়ো হলেও চলবে)।…