সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

নিশ্চত ওজন কমায় যে পানীয় গুলি

ওজন বাড়া নিয়ে অনেকের দু:শ্চিন্তার শেষ নেই। কিন্তু ওজন কমানো খুব সহজ কাজ নয় বিস্তর ঝামেলা। হাজার চেষ্টাতেও বশে থাকে না ভুঁড়ি। বাড়ছে তো বাড়ছেই। কাজের চাপ, দীঘর সময় বসে থাকা ওজন বাড়ার অন্যতম কারন। নানা ধরেনর পানীয় আমরা সব সময় পান করছি। জেনে নিন সহজে ভুঁড়ি কমাতে পারে এমন ৮ পানীয়।

আদা ও লেবুর শরবত : এক গ্লাস পানিতে আদা ও লেবুর রস মিশিয়ে সকাল বেলা খান। এতে পেট পরিষ্কার যেমন হবে, তেমনই মেদও ঝরবে। উপরি পাওনা হিসাবে ত্বকও ভাল থাকবে।

ভেজিটেবিল জুস: টোমাটো, গাজর ও আদার রসের তৈরি ভেজিটেবিল জুস পুষ্টিগুণ পরিপূর্ণ। এর ডায়েটারি ফাইবার হজমে সাহায্য করে ওজম কমায়।

গ্রিন টি: এর মধ্যে রয়েছে ফ্লাভনয়েড যার অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি গুণ যা কোমরের অংশের মেদ ঝরাতে সাহায্য করে।
ব্ল্যাক কফি: দুধ, চিনি ছাড়া কালো কফি দারুণ এনার্জি জোগানোর পাশাপাশি থার্মোজেনেসিসের সাহায্যে হজম ক্ষমতা বাড়ায়।ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে।

দারুচিনি ও মধু: এক গ্লাস পানিতে এক চামচ মধু ও আধ চা চামচ দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে খেয়ে নিন। এটা যেমন স্বাস্থ্যকর, তেমনই মেদ কমাতেও সাহায্য করে।

খেজুর ও কলা: একটা কলা ও একটা খেজুর এক সঙ্গে ব্লেন্ড করে নিন। এর সঙ্গে এক কাপ বাদাম মিল্ক ও এক চিমটি দারুচিনি মিশিয়ে খেয়ে নিন। হজম ক্ষমতা বাড়িয়ে খিদে কমাতে সাহায্য করে এই মিশ্রণ।

আমন্ড ও আপেল: পাঁচটা আমন্ড ও একটা মাঝারি সাইজের আপেলের সঙ্গে আধ কাপ লো ফ্যাট দুধ বা ৩/৪ কাপ দই মিশিয়ে ব্রেকফাস্টে খেলে অনেক ক্ষণ পেট ভরা থাকবে। ফলে খিদে কম পাবে, ভুঁড়ি কমবে।

ড্যান্ডেলিওন টি: ড্যান্ডেলিওন গাছের মূল মেদ ঝরানোর ওষুধ হিসেবে বহু দিন থেকেই জনপ্রিয়। এই মূল থেকেই তৈরি ড্যান্ডেলিওন টি খেতে পারেন রোজ।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

যেভাবে এলো বাঙালির বংশ পদবী! জেনে রাখুন বিসিএস সহ যেকোন চাকরি পরীক্ষায় কাজে আসবে

খুব বেশি প্রাচীন নয়। মধ্যযুগে সামন্তবাদী সমাজ ব্যবস্থার ফলে পরবর্তীতে বৃটিশ আমলে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সমান্তরালে বাঙালির পদবীর বিকাশ ঘটেছে বলে মনে করা হয়। অধিকাংশ ব্যক্তি নামের শেষে একটি পদবী নামক পুচ্ছ যুক্ত হয়ে আছে। যেমন উপাধি, উপনাম কিংবা বংশসূচক নামকে সাধারণ ভাবে পদবী বলা হয়।
বাঙালির জমি- জমা বিষয় সংক্রান্ত কিছু পদবী যেমন- হালদার, মজুমদার, তালুকদার, পোদ্দার, সরদার, প্রামাণিক, হাজরা, হাজারী, মন্ডল, মোড়ল, মল্লিক, সরকার, বিশ্বাস ইত্যাদি বংশ পদবীর রয়েছে হিন্দু -মুসলমান নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের একান্ত রূপ। বাঙালি মুসলমানের শিক্ষক পেশার পদবী হলো-খন্দকার, আকন্দ, নিয়াজী ইত্যাদি। আর বাঙালি হিন্দুর শিক্ষক পদবী হচ্ছে দ্বিবেদী, ত্রিবেদী, চর্তুবেদী ইত্যাদি।

এবার আপনাদের জানাবো বাঙালির কিছু বিখ্যাত বংশ পদবীর ইতিহাস। যেমন-শিকদার, সৈয়দ, শেখ, মীর, মিঞা, মোল্লা, দাস, খন্দকার, আকন্দ, চৌধুরী, ভুইয়া, মজুমদার, তরফদার, তালুকদার, সরকার, মল্লিক, মন্ডল, পন্নী, ফকির, আনসারী, দত্ত ইত্যাদি।

শিকদারঃ সুলতানি আমলে কয়েকটি মহাল নিয়ে গঠিত ছিল এক একটি শিক। আরবি শিক হলো একটি খন্ড এলাকা বা বিভাগ। এর স…

আঁচিল ঝরান প্রাকৃতিক উপায়ে

আঁচিলের কারণে অনেক সময় সৌন্দর্যে ভাটা পড়ে। শরীরের নানা স্থানে আঁচিল হতে দেখা যায়।এটি সাধারণত কালো, বাদামী, লাল, গোলাপি রঙের হয়ে থাকে। একেক জনের ক্ষেত্রে এর আকার, আকৃতি ভিন্ন ভিন্ন রকম হয়। এটি অনেক সময় এমনিতেই সেরে যায়। অনেক সময় রয়ে যায় স্থায়ী দাগ হয়ে। আঁচিল দূর করা যায় দুই ভাবে। সার্জিক্যালি এবং প্রাকৃতিক উপায়ে। আঁচিল সমস্যা সমাধানে কয়েকটি নিরাপদ ঘরোয়া উপায় জেনে রাখা ভালো। নিজের এবং অন্যের প্রয়োজনে যেকোনো সময় কাজে দিতে পারে।
অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার খুবই পরিচিত একটি নাম। দিনে দু’বার আঁচিলের ওপর তুলোয় করে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চোখের পাতায় যদি লাগান খেয়াল রাখুন যাতে ভেতরে না যায়। নিয়মটি অনুসরণ করুন ২-৪ সপ্তাহ। আঁচিল ঝরে পড়বে।
ক্যাস্টর ওয়েল এবং বেকিং সোডা একসাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে আঁচিলের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকালে ধুয়ে নিন। সবচেয়ে ভালো ফল পেতে রাতে লাগিয়ে রেখে সকালে ধুয়ে নেবেন। দ্রুত আঁচিল করার জন্য টি ট্রি ওয়েল অত্যন্ত কার্যকরী। সুপার শপ বা শপিং মলে এই তেল পাওয়া যায়। ভেজা তুলায় ক’ফোঁটা টি ট্রি ওয়েল নিয়ে আঁচিলের ওপর মিনিট দশেক লাগ…