সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

জাদুকরী মেদ ঝরানোর ক্রিম ঘরেই তৈরি করে ফেলুন, যা মাত্র ৭দিনে মেদ ঝরিয়ে দেবে।

বাজারে মেদ কমানোর জন্য নানান রকমের ক্রিম কিনতে পাওয়া যায়। পেট বা বাহুর মত শরীরের যেসব অংশে মেদ কমানো কষ্টকর, এসব ক্রিম সেই সব স্থানে ব্যবহারের জন্যই। যদিও চিকিৎসকেরা বলেন এগুলো ব্যবহার করা খুবই ক্ষতিকর। তাহলে উপায়?

উপায় হচ্ছে নিজের ঘরেই একদম স্বল্প খরচে মেদ কমানোর ক্রিম বানিয়ে নিন। হ্যাঁ, একদম ঠিক শুনেছেন। আপনি চাইলে মাত্র ৩টি উপাদান দিয়ে নিজের ঘরেই বানিয়ে নিতে পারেন একটি জাদুকরী ক্রিম আর পেতে পারেন নিজের পছন্দের ফিগার ! মাত্র ৭ দিন ব্যবহারেই ফলাফল পেতে শুরু করবেন এবং প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি বলে এর কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই।

প্রকৃতির কাছে আছে সব সমস্যার সমাধান। তাই মেদ কমানোর কাজেও আমরা নেব প্রকৃতির আশ্রয়।

যা যা লাগবেঃ
  • ১০০ এম এল বেবি ক্রিম (সদ্য জন্মানো শিশুদের ব্যবহারের জন্য যে ক্রিম। ভালো দেখে নামকরা ব্রান্ডের নেবেন।)
  • ২০ ফোঁটা অরেঞ্জ বা লেমন এসেনশিয়াল অয়েল
  • ২-৫ ফোঁটা দারুচিনির এসেনশিয়াল অয়েল
প্রণালিঃ
একটি কাঁচের কৌটায় ক্রিম নিন। এর সাথে বাকি দুটি এসেনশিয়াল অয়েল যোগ করুন। মিশিয়ে নিন।
  • এরপর ৭ থেকে ১২ ঘণ্টা ক্রিমটি এভাবেই রেখে দিন। নির্দিষ্ট সময় পর আরও একবার ভালো করে মেশান। ব্যাস, তৈরি আপনার ক্রিম।
  • এই ক্রিম এক মাস পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারবেন। এরপর নতুন করে তৈরি করতে হবে। তবে এক মাসের আগে শেষ করে ফেলাই ভালো।
  • সূর্যের আলো থেকে দূরে মুখ বন্ধ কাঁচের যারে সংরক্ষণ করুন।

ব্যবহার প্রণালিঃ
  • ক্রিমটি নিয়ম করে প্রতিদিন গোসলের পর ব্যবহার করুন।
  • যেসব স্থানে মেদ কমাতে চান, সেসব অঞ্চলে ক্রিমটি ভালো করে ম্যাসাজ করুন। দেহে ময়েশ্চারাইজারের কাজও করবে এই ক্রিম।
  • ক্রিম ব্যবহারের পর সেইদিন আর গোসল করবেন না। তাতে উপকারিতা কমে যাবে।
মনে রাখুনঃ
এই ক্রিমটি যেসব স্থানের মেদ কমানোর জন্য কার্যকর, যেসব স্থানে ত্বকের নিচে জমা মেদ কমানো খুবই কষ্টকর। যেমন থাই, হিপ, বাহু, পেট ইত্যাদি এলাকায়। মেদ কমিয়ে এই ক্রিমটি ত্বককেও সুন্দর করে তোলে। তবে বুকে বা স্তনে এই ক্রিম ব্যবহার করবেন না। বা শরীরের কোন অভ্যন্তরীণ অঙ্গে ব্যবহার করবেন না।

বেবি ক্রিম অন্য যে কোন ক্রিমের তুলনায় আমাদের জন্য নিরাপদ। আর কমলা বা লেবুর মত টক জাতীয় ফলের এসেনশিয়াল অয়েল ত্বকের নিচে জমে থাকা মেদ কমাতে অত্যন্ত কার্যকর। দারুচিনির এসেনশিয়াল অয়েল এমনিতেই কার্যকরী বস্তু, আর কমলা বা লেবুর সাথে মিলে এতই হয়ে ওঠে আরও কার্যকর!

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

যেভাবে এলো বাঙালির বংশ পদবী! জেনে রাখুন বিসিএস সহ যেকোন চাকরি পরীক্ষায় কাজে আসবে

খুব বেশি প্রাচীন নয়। মধ্যযুগে সামন্তবাদী সমাজ ব্যবস্থার ফলে পরবর্তীতে বৃটিশ আমলে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সমান্তরালে বাঙালির পদবীর বিকাশ ঘটেছে বলে মনে করা হয়। অধিকাংশ ব্যক্তি নামের শেষে একটি পদবী নামক পুচ্ছ যুক্ত হয়ে আছে। যেমন উপাধি, উপনাম কিংবা বংশসূচক নামকে সাধারণ ভাবে পদবী বলা হয়।
বাঙালির জমি- জমা বিষয় সংক্রান্ত কিছু পদবী যেমন- হালদার, মজুমদার, তালুকদার, পোদ্দার, সরদার, প্রামাণিক, হাজরা, হাজারী, মন্ডল, মোড়ল, মল্লিক, সরকার, বিশ্বাস ইত্যাদি বংশ পদবীর রয়েছে হিন্দু -মুসলমান নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের একান্ত রূপ। বাঙালি মুসলমানের শিক্ষক পেশার পদবী হলো-খন্দকার, আকন্দ, নিয়াজী ইত্যাদি। আর বাঙালি হিন্দুর শিক্ষক পদবী হচ্ছে দ্বিবেদী, ত্রিবেদী, চর্তুবেদী ইত্যাদি।

এবার আপনাদের জানাবো বাঙালির কিছু বিখ্যাত বংশ পদবীর ইতিহাস। যেমন-শিকদার, সৈয়দ, শেখ, মীর, মিঞা, মোল্লা, দাস, খন্দকার, আকন্দ, চৌধুরী, ভুইয়া, মজুমদার, তরফদার, তালুকদার, সরকার, মল্লিক, মন্ডল, পন্নী, ফকির, আনসারী, দত্ত ইত্যাদি।

শিকদারঃ সুলতানি আমলে কয়েকটি মহাল নিয়ে গঠিত ছিল এক একটি শিক। আরবি শিক হলো একটি খন্ড এলাকা বা বিভাগ। এর স…

আঁচিল ঝরান প্রাকৃতিক উপায়ে

আঁচিলের কারণে অনেক সময় সৌন্দর্যে ভাটা পড়ে। শরীরের নানা স্থানে আঁচিল হতে দেখা যায়।এটি সাধারণত কালো, বাদামী, লাল, গোলাপি রঙের হয়ে থাকে। একেক জনের ক্ষেত্রে এর আকার, আকৃতি ভিন্ন ভিন্ন রকম হয়। এটি অনেক সময় এমনিতেই সেরে যায়। অনেক সময় রয়ে যায় স্থায়ী দাগ হয়ে। আঁচিল দূর করা যায় দুই ভাবে। সার্জিক্যালি এবং প্রাকৃতিক উপায়ে। আঁচিল সমস্যা সমাধানে কয়েকটি নিরাপদ ঘরোয়া উপায় জেনে রাখা ভালো। নিজের এবং অন্যের প্রয়োজনে যেকোনো সময় কাজে দিতে পারে।
অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার খুবই পরিচিত একটি নাম। দিনে দু’বার আঁচিলের ওপর তুলোয় করে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চোখের পাতায় যদি লাগান খেয়াল রাখুন যাতে ভেতরে না যায়। নিয়মটি অনুসরণ করুন ২-৪ সপ্তাহ। আঁচিল ঝরে পড়বে।
ক্যাস্টর ওয়েল এবং বেকিং সোডা একসাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে আঁচিলের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকালে ধুয়ে নিন। সবচেয়ে ভালো ফল পেতে রাতে লাগিয়ে রেখে সকালে ধুয়ে নেবেন। দ্রুত আঁচিল করার জন্য টি ট্রি ওয়েল অত্যন্ত কার্যকরী। সুপার শপ বা শপিং মলে এই তেল পাওয়া যায়। ভেজা তুলায় ক’ফোঁটা টি ট্রি ওয়েল নিয়ে আঁচিলের ওপর মিনিট দশেক লাগ…