সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

বালিশের নিচে এক কোয়া রসুন রাখলে ভালো ঘুম হয় !

শুধু রান্নার মশলা নয়, ভেষজ ওষুধ হিসাবেও দীর্ঘদিন ব্যবহৃত হয়ে আসছে রসুন। স্বাস্থ্যকর খাবারগুলোর মধ্যে অন্যতম এটি। নানা পুষ্টি উপাদানে সমৃদ্ধ এই খাবারটির স্বাস্থ্য উপকারিতার কথা বলাই বাহুল্য।

হার্টের সমস্যা, যকৃতের সমস্যা এবং টাক সমস্যার সমাধানে রসুনের জুড়ি মেলা ভার। শুধু তাই নয়, ঠাণ্ডা সমস্যায়, শ্বাসযন্ত্রের জটিলতা দূর করতে, ধমনী পরিষ্কার রাখতে এবং রক্তকে বিশুদ্ধ করতের ভূমিকা রাখে রসুন। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, কাঁচা রসুনের স্বাস্থ্য উপকারিতা অনেক বেশি।

ইউনিভার্সিটি অফ হেলথ অ্যান্ড মেডিক্যাল সাইন্সের এক গবেষণায় রসুনের বিভিন্ন গুণাবলী প্রকাশ পেয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, বিভিন্ন অ্যান্টিবায়োটিক গুণাগুণ থাকার কারণে রসুন কাচায় চিবিয়ে খেলে তা অনেক কার্যকরী। কেননা এতে অ্যালিসিন নামে এক স্বাস্থ্যকর উপাদান রয়েছে। রান্না করলে এই উপাদানটি নষ্ট হয়ে যায়। কাজেই এটি কাচায় চিবিয়ে খাওয়াই ভালো।
কিন্তু অনেকেই আছেন যারা মুখে দুর্গন্ধের ভয়ে কাঁচা রসুন থেকে দূরে থাকেন। তারা বালিশের নিচে রেখে দিন এক কোয়া রসুন। এতে স্বাস্থ্য সুরক্ষার পাশাপাশি ভালো ঘুম হবে।

রসুন প্রাকৃতিক অ্যান্টি-বায়োটিক হিসেবে কাজ করে। গবেষণা বলছে, খালি পেটে রসুন খেলে তা শক্তিশালী অ্যান্টি-বায়োটিকের কাজ করে। সকালের নাশতার আগে রসুন খেলে ভালো ফল পাওয়া যায়। কেননা, এই সময় রসুন খেলে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণের ক্ষমতা অনেক কমে যায়।

এছাড়া উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে, লিভার, পিত্তথলি ও পাকস্থলী ভালো রাখতে, হজমশক্তি বাড়াতে, চাপ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখে এটি। পাশাপাশি ডায়াবেটিস, বিষণ্ণতা এবং বিভিন্ন ধরনের ক্যানসার প্রতিরোধেও উপকারী রসুন। তবে অ্যালার্জির সমস্যা হলে সেক্ষেত্রে রসুন এড়িয়ে চলাই ভালো।

কখনও কখনও অবশ্য এমনটাও শুনতে পাওয়া যায়, বালিশের নিচে এক টুকরো রসুন রেখে ঘুমালে রাতে ভালো ঘুম হয়। কেউ কেউ অবশ্য সৌভাগ্যের আশায় পকেটে রসুন রাখেন। কেউবা নিজের প্রফুল্লতা ধরে রাখতেও সঙ্গে রসুন রাখেন।

যাই হোক না কেন, অ্যালার্জি কিংবা মুখে দুর্গন্ধ যেটাই হোক না কেন সবার জন্যই সমাধান কিন্তু একটাই। তা হলো বালিশের নিচে এক কোয়া রসুন রাখা। রসুন বালিশের নিচে রাখলে দেখবেন সব হতাশা এবং নেতিবাচক মানসিকতা ভুলে গিয়ে রাতে আপনার ঘুম অনেক গভীর হবে। কাজেই স্বাস্থ্য সুরক্ষায় একবার চেষ্টা করে দেখতে দোষ কোথায়?

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিয়মিত ঘৃতকুমারী রস পানের ৭টি বিস্ময়কর উপকারিতা

অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী অতি পরিচিত একটি উদ্ভিদের নাম। বহুগুণে গুণান্বিত এই উদ্ভিদের ভেষজ গুণের শেষ নেই। এতে আছে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, ফলিকঅ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড ও ভিটামিনএ, বি৬,বি২ ইত্যাদি। অ্যালোভেরার জেল রুপচর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য রক্ষায় ব্যবহার হয়ে আসছে। অনেকেই অ্যালোভেরা জুস পান করে থাকেন। আপনি জানেন কি প্রতিদিন অ্যালোভেরা জুস পান করার উপকারিতা?

১। হার্ট সুস্থ রাখতে :- আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা জুস। অ্যালোভেরা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এটি দূষিত রক্ত দেহ থেকে বের করে রক্ত কণিকা বৃদ্ধি করে থাকে। এটি দীর্ঘদিন আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে থাকে।

২। মাংসপেশী ও জয়েন্টের ব্যথা প্রতিরোধ :- অ্যালোভেরা মাংসপেশীর ব্যথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। এমনকি ব্যথার স্থানে অ্যালোভেরা জেলের ক্রিম লাগালে ব্যথা কমে যায়।

৩। দাঁতের যত্নে :- অ্যালোভেরা জুস দাঁত এবং মাড়ির ব্যথা উপশম করে থাকে। এতে কোন ইনফেকশন থাকলে তাও দূর করে দেয়। নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস খাওয়ার ফলে দাঁত ক্ষয় প্রতিরোধ করা সম্ভব। ৪। ওজন হ্রাস করতে :- ওজন কমাতে অ…

পুরুষত্বহীনতা, অকাল বীর্যপাত ও লিঙ্গ উথান সমস্যা দূর করে সুস্থ যৌনজীবন দেয় জাফরান৷

জাফরানের ২০টি ঔষধি গুন বিশ্বের সবচেয়ে দামী মশলা জাফরান। স্যাফরন বা কেশর নামেও এটি পরিচিত৷ এই মশলা নামীদামী অনেক খাবারে ব্যবহৃত হয়। খাবারের স্বাদ, ঘ্রাণ, রঙ বাড়িয়ে তুলতে এই ‘গোল্ডেন স্পাইস’ এর জুড়ি নেই। তবে জাফরানের কাজ শুধু এরমধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। জাফরানের মধ্যে রয়েছে অসাধারণ ঔষধিগুণ। জাফরানে রয়েছে বিস্ময়কর রোগ নিরাময় ক্ষমতা৷মাত্র ১ চিমটে জাফরান আপনাকে প্রায় ২০ টি শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। ১. জাফরানে রয়েছে পটাশিয়াম যা উচ্চ রক্ত চাপ ও হৃদপিণ্ডের সমস্যা জনিতরোগ দূর করে।
২. হজমে সমস্যা এবং হজম সংক্রান্ত যে কোনও ধরনের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে জাফরান।
৩. জাফরানের পটাশিয়াম আমাদের দেহে নতুন কোষ গঠন এবং ক্ষতিগ্রস্থ কোষ সারিয়ে তুলতে সহায়তা করে।
৪. জাফরানের নানা উপাদান আমাদের মস্তিষ্ককে রিলাক্স করতে সহায়তা করে, এতে করে মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা জনিত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷
৫. মেয়েদের মাসিকের অস্বস্তিকর ব্যথা এবং মাসিক শুরুর আগের অস্বস্তি দূর করতে জাফরানের জুড়ি নেই।
৬. নিয়মিত জাফরান সেবনে শ্বাস প্রশ্বাসের নানা ধরণের সমস্যা যেমন অ্যাজমা,পারটুসিস, কাশি এবং বসে যাওয়া কফ দূর করতে…

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…