সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সুখবর!

রক্তনালির রোগে যেসব ডায়াবেটিক রোগী শরীরের অঙ্গ হারিয়েছেন, তাঁদের জন্য আশার হাতছানি দিচ্ছেন গবেষকেরা। শরীরে প্রবেশযোগ্য নতুন একধরনের সঞ্জীবনী জেলির মতো তরল আবিষ্কৃত হয়েছে, যা রক্তনালি-সংক্রান্ত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ইঁদুরের শরীরে নতুন রক্তনালি সৃষ্টি এবং অঙ্গের ভেতর দিয়ে পুনরায় রক্ত চলাচল স্বাভাবিক করতে পারে। গবেষকদের দাবি, কয়েক বছরের মধ্যেই এটি মানবদেহে পরীক্ষা করে দেখার উপযোগী হবে।

পেরিফেরাল ভাসকুলার ডিজিজ হলো এমন এক ব্যয়বহুল ধ্বংসাত্মক রোগ, যা লাখ লাখ মানুষকে আক্রান্ত করছে এবং যার কোনো দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসাপদ্ধতি নেই। ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে এই রোগ আরও ভয়াবহ। ২৫ শতাংশ ডায়াবেটিস রোগীকে এ রোগের কারণে অঙ্গহানির শিকার হতে হয়। যুক্তরাষ্ট্রের অস্টিনে অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাসের বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক অ্যারন বেকার সঞ্জীবনী জেল তৈরির পেছনের এই গবেষক দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন।
তাঁদের সাম্প্রতিক গবেষণার ফলাফল জানিয়েছে, তাঁদের উদ্ভাবিত রিজেনারেটিভ জেল, আক্রান্ত অঙ্গের রক্তনালিতে ৮৫ শতাংশ ক্ষেত্রে রক্তের স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করেছে। অ্যারন জানান, এ ধরনের রোগের ক্ষেত্রে চিকিৎসাবিজ্ঞানে বর্তমানে ব্যবহৃত বিভিন্ন পদ্ধতি আসলে তেমন কোনো কাজে আসে না। তাই তারা এমন এক থেরাপি উদ্ভাবন করছেন, যার ফলে প্রোটিনভিত্তিক ‘গ্রোথ ফ্যাক্টর’ কাজে লাগিয়ে নতুন রক্তনালি তৈরি করা হবে। মানবদেহের নিজস্ব পুনরুৎপাদন পদ্ধতি ব্যবহার করে আক্রান্ত রক্তনালিকে নতুন সৃষ্ট রক্তনালি দিয়ে প্রতিস্থাপন করাই এই উদ্ভাবনের মূল তত্ত্ব বলে জানিয়েছেন অ্যারন।

কিন্তু এই উদ্ভাবন মানুষের শরীরে এখনো আশানুরূপ কাজ করেনি। এর পেছনের কারণ হিসেবে অ্যারন দায়ী করেছেন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত শরীরের এমন আরেকটি প্রোটিনের হারিয়ে যাওয়াকে, যেটি ছাড়া এই ‘গ্রোথ ফ্যাক্টর’ কাজ করে না। এই প্রোটিনটির নাম ‘সিন্ডেকান-৪’, যা রক্তনালির কোষের গায়ে থাকে এবং কোষের সংকেত আদান-প্রদানের কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে মনে করা হয়।

সাম্প্রতিক পরীক্ষণে দেখা গেছে, এই প্রোটিনটির সঙ্গে মিলিতভাবে গ্রোথ ফ্যাক্টরটি বেশি ভালো কাজ করে। এমনই বিভিন্ন কারণে অ্যারন এবং তাঁর দল নতুন এই পুনরুৎপাদনমূলক থেরাপি নিয়ে খুব আশাবাদী। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ ইতিমধ্যেই এই প্রকল্পকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য তিন বছর মেয়াদে ২৭ লাখ মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছে।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিয়মিত ঘৃতকুমারী রস পানের ৭টি বিস্ময়কর উপকারিতা

অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী অতি পরিচিত একটি উদ্ভিদের নাম। বহুগুণে গুণান্বিত এই উদ্ভিদের ভেষজ গুণের শেষ নেই। এতে আছে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, ফলিকঅ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড ও ভিটামিনএ, বি৬,বি২ ইত্যাদি। অ্যালোভেরার জেল রুপচর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য রক্ষায় ব্যবহার হয়ে আসছে। অনেকেই অ্যালোভেরা জুস পান করে থাকেন। আপনি জানেন কি প্রতিদিন অ্যালোভেরা জুস পান করার উপকারিতা?

১। হার্ট সুস্থ রাখতে :- আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা জুস। অ্যালোভেরা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এটি দূষিত রক্ত দেহ থেকে বের করে রক্ত কণিকা বৃদ্ধি করে থাকে। এটি দীর্ঘদিন আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে থাকে।

২। মাংসপেশী ও জয়েন্টের ব্যথা প্রতিরোধ :- অ্যালোভেরা মাংসপেশীর ব্যথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। এমনকি ব্যথার স্থানে অ্যালোভেরা জেলের ক্রিম লাগালে ব্যথা কমে যায়।

৩। দাঁতের যত্নে :- অ্যালোভেরা জুস দাঁত এবং মাড়ির ব্যথা উপশম করে থাকে। এতে কোন ইনফেকশন থাকলে তাও দূর করে দেয়। নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস খাওয়ার ফলে দাঁত ক্ষয় প্রতিরোধ করা সম্ভব। ৪। ওজন হ্রাস করতে :- ওজন কমাতে অ…

পুরুষত্বহীনতা, অকাল বীর্যপাত ও লিঙ্গ উথান সমস্যা দূর করে সুস্থ যৌনজীবন দেয় জাফরান৷

জাফরানের ২০টি ঔষধি গুন বিশ্বের সবচেয়ে দামী মশলা জাফরান। স্যাফরন বা কেশর নামেও এটি পরিচিত৷ এই মশলা নামীদামী অনেক খাবারে ব্যবহৃত হয়। খাবারের স্বাদ, ঘ্রাণ, রঙ বাড়িয়ে তুলতে এই ‘গোল্ডেন স্পাইস’ এর জুড়ি নেই। তবে জাফরানের কাজ শুধু এরমধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। জাফরানের মধ্যে রয়েছে অসাধারণ ঔষধিগুণ। জাফরানে রয়েছে বিস্ময়কর রোগ নিরাময় ক্ষমতা৷মাত্র ১ চিমটে জাফরান আপনাকে প্রায় ২০ টি শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। ১. জাফরানে রয়েছে পটাশিয়াম যা উচ্চ রক্ত চাপ ও হৃদপিণ্ডের সমস্যা জনিতরোগ দূর করে।
২. হজমে সমস্যা এবং হজম সংক্রান্ত যে কোনও ধরনের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে জাফরান।
৩. জাফরানের পটাশিয়াম আমাদের দেহে নতুন কোষ গঠন এবং ক্ষতিগ্রস্থ কোষ সারিয়ে তুলতে সহায়তা করে।
৪. জাফরানের নানা উপাদান আমাদের মস্তিষ্ককে রিলাক্স করতে সহায়তা করে, এতে করে মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা জনিত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷
৫. মেয়েদের মাসিকের অস্বস্তিকর ব্যথা এবং মাসিক শুরুর আগের অস্বস্তি দূর করতে জাফরানের জুড়ি নেই।
৬. নিয়মিত জাফরান সেবনে শ্বাস প্রশ্বাসের নানা ধরণের সমস্যা যেমন অ্যাজমা,পারটুসিস, কাশি এবং বসে যাওয়া কফ দূর করতে…

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…