সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

চর্বিযুক্ত খাবারের কুপ্রভাব কাটাতে আঙ্গুর

অনেকেই উচ্চচর্বিযুক্ত খাবার পছন্দ করেন। কিন্তু স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে, এমন আশঙ্কায় এসব খাবার এড়িয়ে চলেন। এ ধরনের মানুষের জন্য সুখবর নিয়ে এসেছেন বিজ্ঞানীরা।

সাম্প্রতিক এক গবেষণায় তারা দেখিয়েছেন, আঙ্গুরের মধ্যে থাকা পলিফেনলস চর্বিযুক্ত খাবারের কুপ্রভাব কাটিয়ে উঠতে শরীরকে সহায়তা করে।

বৈচিত্র্যপূর্ণ পুষ্টি উপাদান ও পলিফেনলস অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট-সমৃদ্ধ আঙ্গুরের সুনাম অনেক আগে থেকেই। স্বাস্থ্যক্ষেত্রে জনপ্রিয় এ ফলের ইতিবাচক ভূমিকাই এ সুনামের কারণ। আর এখন এর সঙ্গে যুক্ত হলো উচ্চচর্বিযুক্ত খাবারের নেতিবাচক প্রভাবকে নিষ্ক্রিয় করার ক্ষমতাও।
শরীরের ওপর সম্পৃক্ত চর্বি নেতিবাচক প্রভাব রাখে। এ নেতিবাচক প্রভাব হ্রাসে আঙ্গুরে বিদ্যমান অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পলিফেনলসের ভূমিকা নির্ণয়ের লক্ষ্যে ইউনিভার্সিটি অব ক্যারোলাইনা গ্রিনসবোরোর বিজ্ঞানীরা গবেষণা চালান। বিশ্ববিদ্যালয়টির পরীক্ষাগারে এ-সম্পর্কিত দুটি পরীক্ষা চালানো হয়। গবেষণায় নেতৃত্ব দেন মাইকেল ম্যাকিনটশ। এ-বিষয়ক নিবন্ধটি জার্নাল অব ন্যাশনাল বায়োকেমিস্ট্রিতে প্রকাশ হয়েছে।

প্রথম পরীক্ষায় বিজ্ঞানীরা উচ্চচর্বিযুক্ত খাবার গ্রহণ করেন, এমন অংশগ্রহণকারীদের প্রতিদিন একটি আঙ্গুর খেতে দেন। ১১ সপ্তাহ পর দেখা যায়, তাদের শরীরের মোট চর্বির পরিমাণ কমেছে। একই সঙ্গে ত্বকের নিচে জমা হওয়া চর্বিও কমতে দেখা গেছে এ পরীক্ষায়। আর চর্বির পরিমাণের এ হ্রাসের ইতিবাচক প্রভাব দেখা গেছে অন্ত্রীয় অণুজীবের ওপর। উদাহরণস্বরূপ এটি শরীরে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি কমায় ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যাও।

দ্বিতীয় পরীক্ষায় বিজ্ঞানীরা অংশগ্রহণকারীদের আরো উচ্চচর্বিযুক্ত খাবার গ্রহণের কথা বলেন। বিজ্ঞানীদের প্রস্তাবিত এসব খাবারের মধ্যে গরুর মাংস, মাখনসহ বিভিন্ন ধরনের সম্পৃক্ত চর্বিযুক্ত খাবার ছিল। ১৬ সপ্তাহ ধরে এসব খাবার গ্রহণের পর বিজ্ঞানীরা আঙ্গুর থেকে পাওয়া পলিফেনলস ও অন্যান্য অংশের প্রভাব বিচারের জন্য পরীক্ষা চালান। এখানেও পলিফেনলসের ইতিবাচক ভূমিকা শনাক্ত করেন বিজ্ঞানীরা।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

নাক ডাকার সমস্যা চিরতরে দূর করবে পানীয় - দেখুন কি ভাবে তৈরী করবেন

নাক ডাকার সমস্যা যে বেশ বিরক্তিকর ও বিব্রতকর, তা নতুন করে বলে দিতে হয় না। যিনি নাক ডাকেন তিনি না বুঝলেও পাশে থাকা মানুষটির ঘুম হারাম হয়ে যায়। তাই নাক ডাকা সমস্যাকে অবহেলা না করে ঘরোয়া ভাবে খুব সহজে এবং বেশ সুস্বাদু উপায়ে এই সমস্যার সমাধান করুন।
১) গাজর-আপেলের জুস: শুনতে সাধারণ মনে হলেও এই জুসের রয়েছে শ্বাসনালী কিছুটা চওড়া ও শ্বাসনালীর মিউকাস দ্রুত নিঃসরণের ক্ষমতা, যা নাক ডাকা থেকে মুক্তি দিতে বেশ কার্যকর।  প্রস্তুতপ্রণালি:  ১। ২ টি আপেল ছোটো ছোটো খণ্ডে কেটে নিন এবং ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করুন।  ২। এবার ২ টি গাজর কেটে ব্লেন্ডারে দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন।  ৩। এরপর একটি লেবুর ১/৪ অংশ কেটে রস চিপে এতে দিয়ে দিন এবং ১ চা চামচ আদা কুচি দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন।  ৪। কিছুটা পানি দিয়ে বেশ ভালো করে ব্লেন্ড করে নিয়ে ছেঁকে নিন। এই পানীয়টি প্রতিদিন পান করুন। নাক ডাকার সমস্যা দূরে পালাবে।  ২) হলুদের চা: হলুদ প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক। এটিও বেশ কার্যকর নাক ডাকা সমস্যার সমাধানে।  প্রস্তুতপ্রণালি: - ১। ২ কাপ পরিমাণ পানি চুলায় বসিয়ে জ্বাল দিতে থাকুন।  ২। এতে ১ চা চামচ পরিমাণ কাঁচা হলুদ বাটা দিয়ে দিন (গুঁড়ো হলেও চলবে)।…