সর্বশেষ আপডেট
অপেক্ষা করুন...
বৃহস্পতিবার, ৫ মে, ২০১৬

বেল ফলটিকে উড আপেল, বেঙ্গল কুইন্স ও স্টোন আপেলও বলা হয়। বেল গাছ ভারতের স্থানীয় গাছ যা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার নেপাল, শ্রীলংকা, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, লাওস, ফিলিপাইন, ফিজি ইত্যাদি দেশে জন্মায়। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য বেল গাছ পবিত্রতার প্রতীক। তারা বিশ্বাস করে বেল গাছ ভগবান শিবের আবাস। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে তারা বেল ফল ব্যবহার করে। পাহাড় ও সমতলভূমি উভয় স্থানেই বেল গাছ জন্মায়। বেল ফল মসৃণ ও ঘন হয় এবং এর শক্ত ও কাঠের ন্যায় খোলস থাকে। বেল ফল গাছে পাকতে ১১ মাস সময় লাগে। এর আকার হয় বড় জাম্বুরার মত বা এর চেয়েও বড় হতে পারে। বেলের ভেতরের অংশটি হলুদ ও আঁশযুক্ত হয়। তাজা বেলের শরবত মিষ্টি স্বাদের হয়। বেল ফল ঔষধি মানের জন্য সুপরিচিত। এই ফলের স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে জেনা নিই চলুন। 

১। ডায়রিয়া, কলেরা ও অর্শরোগ নিরাময় করে:- বেল ফলের মধ্যে ট্যানিন থাকে বলে এটি ডায়রিয়া ও কলেরা নিরাময়ে সাহায্য করে। বেল ফলের শুকনা পাউডার ক্রনিক ডায়রিয়া নিরাময়ে সাহায্য করে। কাঁচা বেলের নির্যাস অর্শ ও ভিটিলিগো রোগ নিরাময়ে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। রক্তশূন্যতা এবং কান ও চোখের সমস্যা নিরাময়ে সাহায্য করে। প্রাচীনকালে কাঁচা বেলের পাউডার হলুদ ও ঘি এর সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করা হত ভাংগা হাড় নিরাময়ের জন্য। 
২। গ্যাস্ট্রিক আলসার কমায় :- বেলের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গ্যাস্ট্রিক আলসারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে সাহায্য করে বিশেষ করে গ্যাস্ট্রোডিউডেনাল আলসার। এই ধরণের আলসার পাকস্থলীর এসিডের ভারসাম্যহীনতার জন্য হয়। 
 
৩। কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে :- বেল পাতার নির্যাস ভেষজ গুণ সম্পন্ন তাই রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার করা যায়। 
 
৪। শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা সমাধান করতে পারে:- অ্যাজমা ও ঠান্ডার মত শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা সমাধানে বেলের তেল ব্যবহার করা যায়। গোসলের পূর্বে মাথার তালুতে বেলের তেল লাগালে ঠাণ্ডা প্রতিরোধ করা যায়। 
 
৫। হার্ট ডিজিজ নিরাময়ে সাহায্য করে :- বেলের জুস ও ঘি হৃদরোগ নিরাময়ে সাহায্য করে। হার্ট স্ট্রোক ও অ্যাটাক নিরাময়ে বেল ফল ব্যবহার করা হত। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে বেল সবচেয়ে ভালো প্রাকৃতিক উপাদান। এছাড়াও ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সাহায্য করে, বিভিন্ন ধরণের সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করে, অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি উপাদান আছে বিধায় বিভিন্ন প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। 
 
সতর্কতা :- পাকা বেল নিয়মিত খাওয়া উচিৎ নয়। কারণ প্রতিদিন পাকা বেল খেলে অন্ত্রের অসাড়তা বা স্বাভাবিক স্থিতিস্থাপকতা কমে যায় এবং পেট ফাঁপার সমস্যা হতে পারে। পাকা বেল একবারে বেশি পরিমাণে খাওয়া উচিৎ নয়।
আধুনিক হোমিওপ্যাথি, ঢাকা
ডাক্তার হাসান; ডি. এইচ. এম. এস(BHMC)
যৌন ও স্ত্রীরোগ, লিভার, কিডনি ও পাইলসরোগ বিশেষজ্ঞ হোমিওপ্যাথ
১০৬ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪, বাংলাদেশ
ফোন :- +88 01727-382671 এবং +88 01922-437435
স্বাস্থ্য পরামর্শের জন্য যেকোন সময় নির্দিধায় এবং নিঃসংকোচে যোগাযোগ করুন।

0 comments:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

 
[X]