সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

যে ৮ টি বদঅভ্যাসের কারণে আপনার পেটে মেদ জমছে

পেটে মেদ জমা কম-বেশি সবারি সমস্যা। এর কারণে আপনাকে দেখতে খারাপ লাগতে পারে, আপনার পছন্দের পোশাক আপনার জন্য টাইট হয়ে যেতে পারে এমনকি শারীরিক সমস্যাও হতে পারে। মেদ কিভাবে কমাবেন তা নিয়ে তো অনেক লেখালেখি হয়। কিন্তু কেন এই মেদ আপনার পেটে জমে তা জানেন তো? শুধু বেশি খাবার খাওয়ার জন্যই কিন্তু পেটে মেদ জমে না। এমন অনেক বদঅভ্যাস আছে যার কারণে আপনার পেটে মেদ জমে। তাহলে জেনে নিন এই বদঅভ্যাস গুলো কী কী-

১) অতিরিক্ত চিনি বা মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়া :- স্লিম পেট যান? তাহলে চিনি ও মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়া বাদ দিন। বাদ না দিতে পারলে এসব খাওয়া কমিয়ে দিন। যেমন সপ্তাহে ২/৩ বার।
২) অপরিমিত ঘুম :- রাতে অপরিমিত ঘুমালেও কিন্তু পেটে মেদ জমতে পারে। এজন্য প্রতি রাতে অন্তত টানা ৬-৮ ঘন্টা ঘুমানোর চেষ্টা করতে হবে।

৩) প্রতিদিন সোডা/ সফট ড্রিঙ্কস/ অ্যালকোহল সমৃদ্ধ পানীয় পান করা :- কোক, স্প্রাইট, মিরিন্ডা বা মাউন্টেন ডিউ ছাড়া আপনার দিন’ই চলে না? অথবা বিয়ার, ওয়াইন বা শ্যাম্পেইনের প্রতি রয়েছে আসক্তি? তাহলে স্লিম পেট পাওয়া কথা ভুলে যান। এসব না ছাড়লে পেটে মেদ জমতেই থাকবে।
 
৪) লো-ফ্যাট জাতীয় খাবার বেশি পরিমাণে খাওয়া :- লো-ফ্যাট জাতীয় খাবার বেশি খেলে শরীরের আকার কন্ট্রোলে থাকবে ভেবে যদি সারাদিন এ জাতীয় খাবার’ই খেতে থাকেন তাহলেও কিন্তু পেটে মেদ জমবে। লো ফ্যাট জাতীয় খাদ্যে ফ্যাটের পরিমাণ কমানোর জন্য স্যুগারের পরিমাণ অত্যন্ত বেশি থাকে, যা মেদ জমাতে ওস্তাদ। তাই সাবধান লো-ফাট জাতীয় খাবার থেকেও ।
 
৫)পরিমিত পানি পান না করা :- পরিমিত পানি পান না করলেও এই সমস্যায় পরতে পারেন। কেননা আপনি যত বেশি পানি খাবেন আপনার পেট তত কম খালি থাকবে তাই আপনি খেতেও পারবেন কম। তাই খাবার খাওয়ার আগে ১ গ্লাস পানি অবশ্যই খেয়ে নিবেন এবং দিনে অন্তত ৮ গ্লাস পানি পান করবেন।
 
৬)মানসিক চাপ/ চিন্তা/ কষ্টে থাকা অবস্থায় অনেক খেয়ে ফেলা :- খাবার, বিশেষ করে সুস্বাদু খাবার কিন্তু মানসিক কষ্ট ও চাপ কমিয়ে দিতে পারে। এটি অনেকের ক্ষেত্রেই সত্যি। যাদের জন্য এটি সত্যি তারা কিন্তু কষ্টকে ভুলে যেতে বিরিয়ানি বা বড় এক বাটি আইসক্রিম হাতে নিয়ে খেতে বসবেন না। তাহলে পরে আয়নার সামনে দারিয়ে পেটে মেদ জমতে দেখে আরো মন খারাপ হতে পারে কিন্তু ।
 
৭) রাতে দেরি করে খাওয়া :- রাতে খেতে আপনার যত বেশি দেরি হবে ততই মেদ জমার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। তাই রাত ৯ টার আগে খেয়ে নেয়ার চেষ্টা করবেন ও রাতে হাল্কা খাবার খাবেন।
 
৮) খাওয়ার সময় বড় আকারের প্লেট বেছে নেয়া :- আপনার প্লেটের আকার যত বড় হবে আপনি খাবেন’ও তত বেশি। ছোট আকারের প্লেট নিলে বারবার তাতে খাবার তুলতে আপনার কষ্ট হবে তাই ধীরে ধীরে আপনার খাওয়ার পরিমাণ’ও কমে যাবে। তাই খাওয়ার আগে ছোট প্লেট নিয়ে নিন।

এসবের সাথে সাথে আপনি যদি ব্যায়াম না করে থাকেন, অগোছালো হয়ে থাকেন, প্রোটিন জাতীয় খাবার কম খেয়ে থাকেন তাহলেও পেটে মেদ জমতে পারে। এই বদঅভ্যাস গুলোকে মুক্তি দিলে মেদ’ও আপনার পেটকে মুক্তি দেবে।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…

আঁচিল ঝরান প্রাকৃতিক উপায়ে

আঁচিলের কারণে অনেক সময় সৌন্দর্যে ভাটা পড়ে। শরীরের নানা স্থানে আঁচিল হতে দেখা যায়।এটি সাধারণত কালো, বাদামী, লাল, গোলাপি রঙের হয়ে থাকে। একেক জনের ক্ষেত্রে এর আকার, আকৃতি ভিন্ন ভিন্ন রকম হয়। এটি অনেক সময় এমনিতেই সেরে যায়। অনেক সময় রয়ে যায় স্থায়ী দাগ হয়ে। আঁচিল দূর করা যায় দুই ভাবে। সার্জিক্যালি এবং প্রাকৃতিক উপায়ে। আঁচিল সমস্যা সমাধানে কয়েকটি নিরাপদ ঘরোয়া উপায় জেনে রাখা ভালো। নিজের এবং অন্যের প্রয়োজনে যেকোনো সময় কাজে দিতে পারে।
অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার খুবই পরিচিত একটি নাম। দিনে দু’বার আঁচিলের ওপর তুলোয় করে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চোখের পাতায় যদি লাগান খেয়াল রাখুন যাতে ভেতরে না যায়। নিয়মটি অনুসরণ করুন ২-৪ সপ্তাহ। আঁচিল ঝরে পড়বে।
ক্যাস্টর ওয়েল এবং বেকিং সোডা একসাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে আঁচিলের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকালে ধুয়ে নিন। সবচেয়ে ভালো ফল পেতে রাতে লাগিয়ে রেখে সকালে ধুয়ে নেবেন। দ্রুত আঁচিল করার জন্য টি ট্রি ওয়েল অত্যন্ত কার্যকরী। সুপার শপ বা শপিং মলে এই তেল পাওয়া যায়। ভেজা তুলায় ক’ফোঁটা টি ট্রি ওয়েল নিয়ে আঁচিলের ওপর মিনিট দশেক লাগ…