সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

যে ৬টি খাবার আপনার পেটকে ভরিয়ে রাখবে টানা অনেকক্ষণ

ক্ষুধা কি শুধু শারীরিক অনুভূতি? একদমই না। সুস্বাদু কোন খাবার আমাদের চোখের সামনে আসলেও আমাদের খাওয়ার ইচ্ছা জাগে। স্বাস্থ্যকর ক্ষুধা স্বাস্থ্যের জন্য ভাল। কিন্তু যখন তখন ক্ষুধা লেগে যাওয়া বা খাওয়ার ইচ্ছা কখনও ভাল নয়। ক্ষুধা বৃদ্ধি অস্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা, স্ট্রেস, উদ্বিগ্নতা, হতাশা ইত্যাদি বিভিন্ন মানসিক কারণ জড়িত। হঠাৎ করে আপনার ওজন বৃদ্ধি শুরু হয়েছে। আপনি কি জানেন এই ক্ষুধা বৃদ্ধি অনেকখানি দায়ী আপনার ওজন বৃদ্ধির জন্য? এমন কিছু খাবার আছে যা আপনার পেটকে দীর্ঘক্ষণ ভরিয়ে রাখার পাশাপাশি আপনার ওজন হ্রাস করতে সাহায্য করে। 

১। ওটস :-  সকালটা শুরু করুন এক বাটি ওটস দিয়ে। এটি সারাদিনের কাজের শক্তি দিয়ে থাকে। এটি ছয় সপ্তাহের মধ্যে আপনার কোলেস্টেরল মাত্রা ৫% পর্যন্ত কমিয়ে দেবে। শুধু তাই নয় দীর্ঘক্ষণ আপনার পেট ভরিয়ে দেবে এই একটি খাবার। 
 
২। আপেল :- আপেল দ্রবণীয় আঁশ সমৃদ্ধ খাবার যা অতিরিক্ত খাওয়া প্রতিরোধ করে। আপেলে ক্যালরির পরিমাণ কম পানির পরিমাণ বেশি হওয়ার কারণে এটি ওজন বৃদ্ধি না করে শরীরে এ্যার্নাজি বৃদ্ধি করে থাকে। দীর্ঘ সময় ক্ষুধা নিবারণের জন্য এই ফলটি বেশ কার্যকর। 
৩। ডিম :-  প্রোটিনের অন্যতম উৎস ডিম। এতে থাকা গ্রেরলিন উপাদান ক্ষুধা নিবারণ করে থাকে। সিদ্ধ ডিম খাওয়ার চেষ্টা করুন। 
 
৪। কলা :- একটি মাঝারি আকৃতির কলায় সারাদিনের ভিটামিনের ৩০% পর্যন্ত পূরণ করে থাকে। এটি মস্তিষ্কে সেরোটোনিন নামক হরমোন উৎপাদন করে, যা মানসিক চাপ, উদ্বেগ হ্রাস করে থাকে। তাই সকালের নাস্তায় একটি কলা রাখুন। 
 
৫। কাঠবাদাম :- কাঠবাদামে মোনোস্যাচুরেটেড এবং পলিয়োনস্যাটিটেড নামক স্বাস্থ্যকর ফ্যাট রয়েছে যা অতিরিক্ত খাওয়া দমন করে থাকে। ২০০৬ সালে Obesity Society Annual Scientific Meeting করেছেন, কাঠবাদাম আপনার ওজন হ্রাস করতেও সাহায্য করে। 
 
৬। গ্রিণ টি :- চা খাওয়ার অভ্যাস থাকলে দুধ চায়ের পরিবর্তে গ্রিণ টি খাওয়ার অভ্যাস করুন। এর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। আপনার মেটাবলিজমের হারকে বৃদ্ধি করে রক্তচাপ নিয়মিত রাখে। এছাড়া টকদই, পানি, মাশরুম, সবুজ শাক সবজি আপনার ক্ষুধা দীর্ঘক্ষণ নিবারণ করবে

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিয়মিত ঘৃতকুমারী রস পানের ৭টি বিস্ময়কর উপকারিতা

অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী অতি পরিচিত একটি উদ্ভিদের নাম। বহুগুণে গুণান্বিত এই উদ্ভিদের ভেষজ গুণের শেষ নেই। এতে আছে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, ফলিকঅ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড ও ভিটামিনএ, বি৬,বি২ ইত্যাদি। অ্যালোভেরার জেল রুপচর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য রক্ষায় ব্যবহার হয়ে আসছে। অনেকেই অ্যালোভেরা জুস পান করে থাকেন। আপনি জানেন কি প্রতিদিন অ্যালোভেরা জুস পান করার উপকারিতা?

১। হার্ট সুস্থ রাখতে :- আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা জুস। অ্যালোভেরা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এটি দূষিত রক্ত দেহ থেকে বের করে রক্ত কণিকা বৃদ্ধি করে থাকে। এটি দীর্ঘদিন আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে থাকে।

২। মাংসপেশী ও জয়েন্টের ব্যথা প্রতিরোধ :- অ্যালোভেরা মাংসপেশীর ব্যথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। এমনকি ব্যথার স্থানে অ্যালোভেরা জেলের ক্রিম লাগালে ব্যথা কমে যায়।

৩। দাঁতের যত্নে :- অ্যালোভেরা জুস দাঁত এবং মাড়ির ব্যথা উপশম করে থাকে। এতে কোন ইনফেকশন থাকলে তাও দূর করে দেয়। নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস খাওয়ার ফলে দাঁত ক্ষয় প্রতিরোধ করা সম্ভব। ৪। ওজন হ্রাস করতে :- ওজন কমাতে অ…

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…

পুরুষত্বহীনতা, অকাল বীর্যপাত ও লিঙ্গ উথান সমস্যা দূর করে সুস্থ যৌনজীবন দেয় জাফরান৷

জাফরানের ২০টি ঔষধি গুন বিশ্বের সবচেয়ে দামী মশলা জাফরান। স্যাফরন বা কেশর নামেও এটি পরিচিত৷ এই মশলা নামীদামী অনেক খাবারে ব্যবহৃত হয়। খাবারের স্বাদ, ঘ্রাণ, রঙ বাড়িয়ে তুলতে এই ‘গোল্ডেন স্পাইস’ এর জুড়ি নেই। তবে জাফরানের কাজ শুধু এরমধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। জাফরানের মধ্যে রয়েছে অসাধারণ ঔষধিগুণ। জাফরানে রয়েছে বিস্ময়কর রোগ নিরাময় ক্ষমতা৷মাত্র ১ চিমটে জাফরান আপনাকে প্রায় ২০ টি শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। ১. জাফরানে রয়েছে পটাশিয়াম যা উচ্চ রক্ত চাপ ও হৃদপিণ্ডের সমস্যা জনিতরোগ দূর করে।
২. হজমে সমস্যা এবং হজম সংক্রান্ত যে কোনও ধরনের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে জাফরান।
৩. জাফরানের পটাশিয়াম আমাদের দেহে নতুন কোষ গঠন এবং ক্ষতিগ্রস্থ কোষ সারিয়ে তুলতে সহায়তা করে।
৪. জাফরানের নানা উপাদান আমাদের মস্তিষ্ককে রিলাক্স করতে সহায়তা করে, এতে করে মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা জনিত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷
৫. মেয়েদের মাসিকের অস্বস্তিকর ব্যথা এবং মাসিক শুরুর আগের অস্বস্তি দূর করতে জাফরানের জুড়ি নেই।
৬. নিয়মিত জাফরান সেবনে শ্বাস প্রশ্বাসের নানা ধরণের সমস্যা যেমন অ্যাজমা,পারটুসিস, কাশি এবং বসে যাওয়া কফ দূর করতে…