সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখতে যে কাজ গুলো করবেন

হৃৎপিণ্ডের সুস্থতায় অনেকেই অনেক কাজ করে থাকেন। নিয়মিত এবং পরিমিত খাওয়া দাওয়া, শারীরিক ব্যায়াম, মানসিক চাপ মুক্ত থাকার চেষ্টা সবই হৃৎপিণ্ডকে রাখে সুস্থ এবং সবল। বয়স হয়ে যাওয়ার পরও এই ধরনের অভ্যাস গুলো হৃৎপিণ্ডকে রাখবে কর্মক্ষম। এছাড়াও কিছু অদ্ভুত কাজ রয়েছে যা করার অভ্যাস করলে হৃৎপিণ্ড থাকবে সুস্থ। আসুন জেনে নেই সেই ৪টি “অদ্ভুত” কাজ যা হৃৎপিণ্ডকে সুস্থ রাখার জন্য বেশ কার্যকরী।
প্রতিদিন ডার্ক চকলেট খাওয়া :- বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে যাদের প্রতিদিন ডার্ক চকলেট খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে তারা কার্ডিওভাসকুল্যার সমস্যা এবং স্ট্রোক হওয়ার সম্ভাবনা থেকে নিরাপদে থাকেন। প্রতিদিন সামান্য ডার্ক চকলেট দেহের বাড়তি কোলেস্টরল শুষে নেয়ার কাজ করে এবং রক্তের প্রোটিনের মাত্রা পরিমিত রাখে। এতে হৃৎপিণ্ড থাকে সুস্থ।

ট্র্যাফিক জ্যাম থেকে দূরে থাকা :- কাজটি বেশ কঠিন হলেও এই কাজটি আপনার হৃৎপিণ্ডকে রাখবে সুস্থ ও সবল। ডাক্তাররা বলেন ট্র্যাফিক জ্যামে বসে অস্থির সময় পার করলে, জ্যামের অসহনীয় হর্ন এবং শব্দ সবই রক্ত চাপের মাত্রা বাড়ায়। এতে স্ট্রোকের সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায় এবং হৃৎপিণ্ডের সমস্যা বাড়ে। তাই ট্র্যাফিক জ্যাম থেকে দূরে থাকুন।
পরিমিত ঘুমান :- গবেষকগন বলেন যারা প্রতিদিন ৬ ঘণ্টার চাইতে কম ঘুমান তাদের অন্যান্যদের তুলনায় হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ৪৮% বেশি। এছাড়াও যারা নিয়মিত কম ঘুমান তারা প্রায় ১৫% বেশি ডায়বেটিস রোগে আক্রান্ত হন। সুতরাং নিয়মিত ৭/৮ ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন হৃৎপিণ্ড ভালো থাকবে।

কোমল পানীয় থেকে দূরে থাকুন :-
যে কোন ধরনের কোমল পানীয় এমনকি ডায়েট ড্রিঙ্কস পান করলেও হৃদরোগে আক্রান্তের সম্ভাবনা প্রায় ৩৫% বেড়ে যায়। কোমল পানীয়, ডায়েট ড্রিঙ্কস, সোডা সবগুলোতেই কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বেশি থাকে বলে হৃদপিণ্ডের অনেক ক্ষতি হয়। সুতরাং এইধরনের পানীয় থেকে দূরে থাকুন।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

আঁচিল ঝরান প্রাকৃতিক উপায়ে

আঁচিলের কারণে অনেক সময় সৌন্দর্যে ভাটা পড়ে। শরীরের নানা স্থানে আঁচিল হতে দেখা যায়।এটি সাধারণত কালো, বাদামী, লাল, গোলাপি রঙের হয়ে থাকে। একেক জনের ক্ষেত্রে এর আকার, আকৃতি ভিন্ন ভিন্ন রকম হয়। এটি অনেক সময় এমনিতেই সেরে যায়। অনেক সময় রয়ে যায় স্থায়ী দাগ হয়ে। আঁচিল দূর করা যায় দুই ভাবে। সার্জিক্যালি এবং প্রাকৃতিক উপায়ে। আঁচিল সমস্যা সমাধানে কয়েকটি নিরাপদ ঘরোয়া উপায় জেনে রাখা ভালো। নিজের এবং অন্যের প্রয়োজনে যেকোনো সময় কাজে দিতে পারে।
অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার খুবই পরিচিত একটি নাম। দিনে দু’বার আঁচিলের ওপর তুলোয় করে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চোখের পাতায় যদি লাগান খেয়াল রাখুন যাতে ভেতরে না যায়। নিয়মটি অনুসরণ করুন ২-৪ সপ্তাহ। আঁচিল ঝরে পড়বে।
ক্যাস্টর ওয়েল এবং বেকিং সোডা একসাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে আঁচিলের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকালে ধুয়ে নিন। সবচেয়ে ভালো ফল পেতে রাতে লাগিয়ে রেখে সকালে ধুয়ে নেবেন। দ্রুত আঁচিল করার জন্য টি ট্রি ওয়েল অত্যন্ত কার্যকরী। সুপার শপ বা শপিং মলে এই তেল পাওয়া যায়। ভেজা তুলায় ক’ফোঁটা টি ট্রি ওয়েল নিয়ে আঁচিলের ওপর মিনিট দশেক লাগ…

ঘুম থেকে উঠেই কাচা ছোলা খাওয়ার ১৫ স্বাস্থ্য উপকারিতা…

কাঁচা ছোলার গুণ সম্পর্কে আমরা সবাই কমবেশি জানি। প্রতি ১০০ গ্রাম ছোলায় আমিষ প্রায় ১৮ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট প্রায় ৬৫ গ্রাম, ফ্যাট মাত্র ৫ গ্রাম, ২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ‘এ’ প্রায় ১৯২ মাইক্রোগ্রাম এবং প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-১ ও বি-২ আছে। ছোলায় বিভিন্ন প্রকার ভিটামিন, খনিজ লবণ, ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফরাস রয়েছে।
উচ্চমাত্রার প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার ছোলা। কাঁচা, সেদ্ধ বা তরকারি রান্না করেও খাওয়া যায়। কাঁচা ছোলা ভিজিয়ে, খোসা ছাড়িয়ে, কাঁচা আদার সঙ্গে খেলে শরীরে একই সঙ্গে আমিষ ও অ্যান্টিবায়োটিক যাবে। আমিষ মানুষকে শক্তিশালী ও স্বাস্থ্যবান বানায়। আর অ্যান্টিবায়োটিক যেকোনো অসুখের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। জেনে নিন ছোলার কিছু স্বাস্থ্যগুণের কথা
১. ডাল হিসেবে: ছোলা পুষ্টিকর একটি ডাল। এটি মলিবেডনাম এবং ম্যাঙ্গানিজ এর চমৎকার উৎস। ছোলাতে প্রচুর পরিমাণে ফলেট এবং খাদ্য আঁশ আছে সেই সাথে আছে আমিষ, ট্রিপট্যোফান, কপার, ফসফরাস এবং আয়রণ।
২. হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে: অস্ট্রেলিয়ান গবেষকরা দেখিয়েছেন যে খাবারে ছোলা যুক্ত করলে টোটাল কোলেস্টেরল এবং খারাপ কোলেস্টেরল এর পরিমাণ কমে যায়। ছোলাতে দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় উভয় …

পুরুষত্বহীনতা, অকাল বীর্যপাত ও লিঙ্গ উথান সমস্যা দূর করে সুস্থ যৌনজীবন দেয় জাফরান৷

জাফরানের ২০টি ঔষধি গুন বিশ্বের সবচেয়ে দামী মশলা জাফরান। স্যাফরন বা কেশর নামেও এটি পরিচিত৷ এই মশলা নামীদামী অনেক খাবারে ব্যবহৃত হয়। খাবারের স্বাদ, ঘ্রাণ, রঙ বাড়িয়ে তুলতে এই ‘গোল্ডেন স্পাইস’ এর জুড়ি নেই। তবে জাফরানের কাজ শুধু এরমধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। জাফরানের মধ্যে রয়েছে অসাধারণ ঔষধিগুণ। জাফরানে রয়েছে বিস্ময়কর রোগ নিরাময় ক্ষমতা৷মাত্র ১ চিমটে জাফরান আপনাকে প্রায় ২০ টি শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। ১. জাফরানে রয়েছে পটাশিয়াম যা উচ্চ রক্ত চাপ ও হৃদপিণ্ডের সমস্যা জনিতরোগ দূর করে।
২. হজমে সমস্যা এবং হজম সংক্রান্ত যে কোনও ধরনের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে জাফরান।
৩. জাফরানের পটাশিয়াম আমাদের দেহে নতুন কোষ গঠন এবং ক্ষতিগ্রস্থ কোষ সারিয়ে তুলতে সহায়তা করে।
৪. জাফরানের নানা উপাদান আমাদের মস্তিষ্ককে রিলাক্স করতে সহায়তা করে, এতে করে মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা জনিত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷
৫. মেয়েদের মাসিকের অস্বস্তিকর ব্যথা এবং মাসিক শুরুর আগের অস্বস্তি দূর করতে জাফরানের জুড়ি নেই।
৬. নিয়মিত জাফরান সেবনে শ্বাস প্রশ্বাসের নানা ধরণের সমস্যা যেমন অ্যাজমা,পারটুসিস, কাশি এবং বসে যাওয়া কফ দূর করতে…