সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

June, 2016 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

মিরাক্যাল! এই ওষুধের সাহায্যে ধরা থাকবে যৌবন

বয়স বাড়ছে বলে মুখভার? শরীরে বাসা বাঁধছে হাজার একটা উপসর্গ! কেমন যাচ্ছে বুড়িয়ে যাচ্ছে সবকিছু। তবে, এবার আর চিন্তার দরকার নেই। কারণ এক ওষুধেই কাজ হাসিল হবে।

পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাচ্ছেন ম্যাকমাস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা। তাঁদের আশা, এই এক ওষুধেই যৌবন ফিরে আসবে। বার্ধক্যজনিত কারণে শরীরে যে নানবিধ ক্ষয় দেখা দেয়, তা পুষিয়ে দেবে এই ওষুধ। তাঁরা ওষুধটির নাম দিয়েছেন, 'ইয়ুথ'। আগামী দুই বছরের মধ্যেই 'ইয়ুথ' বাজারে আসবে বলে আশা।
বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ভিটামিন ও আরও ৩০ রকমের উপাদান মিশিয়ে তৈরি করা হচ্ছে এই ওষুধ। এমনকী, বলা হচ্ছে, আলঝাইমার্স ও পারকিনসন্সের মতো রোগের ক্ষেত্রেও ‌দেহে ‌যে ঘাটতি হয় তাও মেটাবে 'ইয়ুথ'।

জানা গেছে, ইতিমধ্যেই ওই ওষুধটি ইঁদুরের উপর পরীক্ষা করে দেখা হয়ে গেছে। এবার তা মানুষের উপর প্রয়োগের অপেক্ষায় বিজ্ঞানীরা।

কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পাওয়ার প্রাকৃতিক এবং কার্যকর উপায়

কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় কি নাজেহাল আপনি? মুঠো মুঠো ওষুধ খেয়েও উপযুক্ত ফল পাচ্ছেন না। কিন্তু জানেন কি একটি নিয়ম মেনে চললে প্রাকৃতিক উপায়েই নিরাময় করতে পারেন কোষ্ঠকাঠিন্য। জেনে নিন কিভাবে?
হেলদি ফ্যাট : বাদাম, ওলিভ অয়েল, অ্যাভোকেডোর মতো স্বাস্থ্যকর ফল কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে পারে।
গুড় : প্রতিদিন সকালে এক টেবল-চামচ করে আখ বা খেজুরের গুড় কিন্তু কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করবে। কারণ গুড়ে নানা ধরনের খনিজ পদার্থ থাকে। তার মধ্যে উল্ল্যেখযোগ্য ম্যাগনেসিয়াম।

ইসবগুল: ইসবগুলে থাকে কিছু অদ্রবণীয় ও দ্রবণীয় খাদ্যআঁশের চমৎকার সংমিশ্রণ যা কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য খুব ভালো ঘরোয়া উপায় হিসেবে কাজ করে।এটি পাকস্থলীতে গিয়ে ফুলে ভেতরের সব বর্জ্য পদার্থ বাইরে বের করে দিতে সাহায্য করে।

প্রাকৃতিকভাবে জলগ্রাহী হওয়ার কারনে পরিপাকতন্ত্র থেকে পানি গ্রহণ করে মলের ঘনত্বকে বাড়িয়ে দিয়ে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে ২ চামচ ইসবগুল এক গ্লাস কুসুম গরম দুধের সাথে মিশিয়ে প্রতিদিন ঘুমাতে যাবার আগে পান করে নিন। আদা চা : আদা চা খাবার তাড়াতাড়ি পাচন করতে সাহায্য করে।
মিন্ট চা : মেন্থল বা পিপারমেন্ট দেয়া …

যে কাজ করলে স্তনের আকৃতি অনেক বয়স পর্যন্ত সুন্দর থাকে!

বক্ষযুগলকে সুন্দর রাখতে মহিলাদের চেষ্টার অন্ত নেই, অথচ প্রতিনিয়ত তাঁদেরই কিছু ভুলে ক্রমশ সৌন্দর্য হারাচ্ছে শরীরের এই অঙ্গটি। জেনে নিন ৬টি এমন ভুলের কথা, যেগুলোর ফলে আপনার স্তনে পড়ছে বয়সের ছাপ ও নষ্ট হচ্ছে প্রাকৃতিক আকৃতি ও সৌন্দর্য।

একটি বড় কারণ সঠিক অন্তর্বাস বাছাই করতে না পারা:- সম্প্রতি প্রকাশিত একটি রিসার্চের রিপোর্টে বলা হয়েছে, যারা প্রতিনিয়ত অন্তর্বাস পড়ে থাকেন তাঁদের তুলনায় যেসব নারীরা খুব বেশি অন্তর্বাস পরিধান করেন নি, তাঁদের স্তনের আকৃতি অনেক বয়স পর্যন্তও সুন্দর থাকে। অপর আরেকটি রিসার্চে দেখা যায় যে ভুল মাপের অন্তর্বাস দ্রুত নষ্ট করে ফেলে আপনার স্তনের আকৃতি। অন্তর্বাস হতে হবে সঠিক মাপের। খুব বেশী টাইট বা খুব ঢিলেঢালা, দুটোই স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়।
আপনি পর্যাপ্ত জল পান করেন না:- পর্যাপ্ত জল পান না করলে ক্রমশ বয়সের ছাপ পড়ে আপনার ত্বকে এবং ত্বকের চামড়া ঝুলে যেতে থাকে সময়ের অনেক আগেই। এবং হ্যাঁ, শুধু মুখের নয়, সম্পূর্ণ শরীর তথা স্তনের ত্বকেও এর প্রভাব দেখা যায় অত্যন্ত বেশি।

অতিবেগুনি রশ্মির হাত থেকে বাঁচুন:- সুতির পোশাক কিংবা পাতলা ফেব্রিক পরতে ভালোবাসেন? জেনে রাখুন, প্রখর সূর্যর…

ক্যানসার প্রতিরোধে কাঁচা মরিচ

সাধারণত রান্নায় ঝাল স্বাদ যোগ করার জন্য আমরা কাঁচা মরিচ ব্যবহার করলেও এর কিন্তু অনেক গুণও রয়েছে। কাঁচা মরিচে আছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ,বি,সি ও ই। এছাড়াও ম্যাগনিশিয়ামের মতো শরীরের জন্য উপকারী খনিজ পদার্থও রয়েছে। কাঁচা মরিচে থাকে ডিহাইড্রোক্যাপসিয়েট। 
এটি শরীরের মেদ হ্রাস করতে বিশেষভাবে সাহায্যকারী। কাঁচা মরিচে থাকা কেপসাইমিন শরীরের পুরনো যন্ত্রণা ইত্যাদি উপশম করে। ক্যানসারের মতো কঠিন রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রেও কাঁচা মরিচ বিশেষভাবে সাহায্য করে। সর্দি হয়ে নাক বন্ধ হয়ে গেল বা গলা খুশখুশ করলে নির্দ্বিধায় কাঁচা মরিচ চিবিয়ে খান।  ঝাল ও এর তীব্র গন্ধ নাক খুলে দেবে সহজেই। গলার খুশখুশিও দূর হবে। অবশ্য অতিমাত্রায় কোনো কিছুই ভালো নয়। ঝাল খেলেও বেশি খাবেন না। যাদের গ্যাস্টিক আলসার রয়েছে, ঝাল তাদের জীবনে বিপদ ডেকে আনতে পারে এটা সব সময় মাথায় রাখবেন।

প্রকৃতির এক অনন্য উপহার - দেখুন এর গুনাগুন

জলপাই আমরা সকলেই চিনি। আচার হিসাবে, তরকারিতে কিংবা রুচি বর্ধক হিসাবে আমাদের দেশে জলপাইয়ের বহুল ব্যবহার আছে। জলপাই শীতকালীন ফল। পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই এই ফলটি পাওয়া যায়। আমাদের দেশে সবুজ জলপাই সহজলভ্য। পৃথিবীর অনেক দেশে কালো জলপাই জন্মে। জলপাইয়ের পাতা ও ফল দুটোই ভীষণ উপকারী। জলপাইয়ের রস থেকে যে তেল তৈরি হয় তার রয়েছে যথেষ্ট পুষ্টিগুণ। 
বিশ্ব জুড়ে এই অলিভ অয়েল বা জলপাইয়ের তেল অত্যন্ত জনপ্রিয় হলেও চড়া দামের কারণে আমাদের দেশে খুব একটা ব্যবহৃত হয় না। চলুন, এক নজরে জেনে নিন প্রকৃতির অনন্য উপাদান জলপাইয়ের কিছু গুণাবলী। -জলপাইতে রয়েছে উচ্চমানের ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, ভিটামিন ই। জলপাই দেহের রোগজীবাণু ধ্বংস করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে, রক্তে চর্বি জমা প্রতিরোধ করে হৃদপিণ্ডকে সুস্থ রাখে।  -জলপাইতে রয়েছে প্রচুর আয়রন যা রক্ত শুন্যতা দূর করতে সহায়ক। নিয়মিত জলপাই খেলে খোস পাঁচড়া দ্রুত নিরাময় হয়, যে কোন কাটা ছেঁড়া দ্রুত আরোগ্য হয়।  -জলপাইয়ের খোসায় রয়েছে আঁশজাতীয় উপাদান। এই আঁশ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়ায়, কোলনের পাকস্থলীর ক্যানসা…

চিকিত্‍সায় নতুন দিশা, কৃত্রিম ভাবে রক্ত তৈরি করছে জাপান

রক্তদান জীবন দান। তবে আর বোধহয় 'দান'-এর উপর নির্ভর করে থাকবে না রক্তের সংগ্রহ। কারণ জাপানের পরীক্ষাগারে কৃত্রিম উপায় তৈরি হচ্ছে রক্ত। যা অচিরেই গোটা বিশ্বে রক্তের সংকট মেটাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

রক্তের সংকট গোটা পৃথিবীতেই একটা জ্বলন্ত সমস্যা। বিভিন্ন ধরনের চিকিত্‍সা সংক্রান্ত কাজে প্রতিদিন সারা বিশ্বে যত রক্তের চাহিদা থাকে, সে তুলনায় রক্ত সংগ্রহের পরিমাণ নেহাতই নগণ্য। জাপানেও এই সমস্যা যথেষ্ট। বিশেষ করে জাপানে জনসংখ্যা কমছে হু হু করে। এই দেশের মোট জনসংখ্যার ৩৫%-এর বয়স ৬৫-র ওপরে। ২০১০-এর মধ্যে জাপানের মোট জনসংখ্যা ৮৩ মিলিয়নে নেমে আসবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। জনসংখ্যা কমে যাওয়ার আরও একটি আশঙ্কার দিক হল রক্তদাতার সংখ্যাও কমে যাওয়া। এই সমস্যার কথা মাথায় রেখেই পরীক্ষাগারে কৃত্রিম ভাবে রক্ত তৈরির কাজ শুরু করেন জাপানি বৈজ্ঞানিকরা।
এই কর্মযজ্ঞের প্রধান গবেষক গেঞ্জিরো মিওয়া ২০০৮-এই কৃত্রিম ব্লাডব্যাঙ্কের বিষয়ে ভাবনা-চিন্তা শুরু করেন। সেই থেকেই কৃত্রিম ভাবে প্লেটলেট তৈরির জন্য গবেষণা শুরু করেন তিনি। পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপে এই গবেষণার জন্য অর্থ সংগ্রহ করেন তিনি। কৃত্রিম প্লেটলেট তৈর…

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…

অনিদ্রা সমস্যায় ভুগছেন? প্রতিরাতে পান করুন এই জাদুকরী পানীয়টি

সারাদিনের ক্লান্তি দূর করে দেয় ভাল একদফা ঘুম। পর্যাপ্ত পরিমাণের ঘুম শারীরিক-মানসিক অনেক সমস্যা দূর করে থাকে। সুস্থ থাকার প্রধান চাবিকাঠি ভাল ঘুম। কিন্তু ইদানিং অনিদ্রা খুব সাধারণ সমস্যায় পরিণত হয়েছে। পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে উচ্চ রক্তচাপ, হাইপারটেশন, হতাশা, হার্টের সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। Institute of Medicine in America এর মতে ৫০ মিলিয়ন আমেরিকান ঘুমের অভাবে নানা শারীরিক সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকে।

আর এই ভাল ঘুমের জন্য খাওয়া হয় কত না ঘুমের ওষুধ। ঘুমের ওষুধ সাময়িকভাবে আপনাকে ঘুমাতে সাহায্য করে থাকে। তবে খুব বেশিদিন ঘুমের ওষুধ খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। প্রতিদিন ঘুমাতে যাওয়ার আগে এই পানীয়টি পান করুন আর দেখুন এর ম্যাজিক। উপকরণ
১টি কলা১ লিটার পানিএক চিমটি দারুচিনিযেভাবে তৈরি করবেন
১। পানির মধ্যে একটি কলা দিয়ে দিন। এবার সেটি সিদ্ধ করুন।
২। ১০ মিনিট সিদ্ধ করুন।
৩। এবার এটি মগে বা কাপে ঢেলে নিন।
৪। এর সাথে এক চিমটি দারুচিনি দিয়ে দিন।
৫। ঘুমাতে যাওয়ার এক ঘণ্টা আগে এটি পান করুন।

যেভাবে কাজ করে
কলা:- কলাতে ট্রিপটোফেন নামক এক প্রকারে অ্যামিনো অ্যাসিড আছে যা শরীরের সেরোটোনিনের মাত্রা বৃদ্ধি করে থাকে।…

মাত্র ১ টি উপায়ে দূর করুন অতিরিক্ত চুল পড়ার যন্ত্রণা

চুলের অন্যান্য সমস্যার চাইতে বেশী সমস্যা হচ্ছে অতিরিক্ত চুল পড়া। কারণ রুক্ষ শুষ্ক চুলও মেনে নেয়া যায় কিন্তু অতিরিক্ত চুল পড়ে মাথা প্রায় খালি হয়ে যাওয়ার ব্যাপারটি কেউ মেনে নিতে পারেন না। বিশেষ করে নারীরা। কিন্তু এই নিয়ে আরও যতো দুশ্চিন্তা করবেন ততো বেশী করে চুল পড়তে থাকবে।  এর চাইতে ঘরেই দারুণ একটি উপায়ে দূর করে দিন চুল পড়ার যন্ত্রণা চিরকালের জন্য। অবাক হচ্ছেন? অবাক হলেও এটি বেশ কার্যকরী। ব্যবহার করেই দেখুন। বেশ উপকার পেয়ে যাবেন কিছুদিনের মধ্যেই।
যা যা লাগবে
✿– দেড় কাপ আলুর রস
✿– ১ চা চামচ মধু
✿– সামান্য পানি
✿– ১ টি ডিমের কুসুম
ব্যবহারবিধি
►– পরিষ্কার চুলে এই পদ্ধতিটি ব্যবহার করতে চেষ্টা করবেন। অর্থাৎ আগের দিন চুল পরিষ্কার করে নিয়ে পরের দিন ব্যবহার করতে পারেন এই হেয়ার প্যাকটি।

►– একটি বাটিতে সকল উপকরণ পরিমাণ মতো নিয়ে ভালো করে মিশিয়ে মসৃণ মিশ্রণ তৈরি করে ফেলুন। লক্ষ্য রাখবেন যেনো সম্পূর্ণ ভালো করে মিশে যায় সবকিছু।

►– এরপর চুল একটু ভিজিয়ে নিয়ে এই প্যাকটি পুরো চুলে লাগান, বিশেষ করে মাথার ত্বকে, চুলের গোঁড়ায়। এরপর ৩০ মিনিট এভাবেই রাখুন।

►– ৩০ মিনিট পর চুল খুব ভালো করে ধুয়ে নিন এবং ফ্যানের বাতাসে চ…

লবণ, গোলমরিচ ও লেবু দূর করবে ১০টি স্বাস্থ্য সমস্যা

সাধারণত সালাদ তৈরিতে আমরা কী কী ব্যবহার করি? লবণ, গোলমরিচ এবং লেবু এই তো? এই লবণ, গোলমরিচ এবং লেবুর আলাদা আলাদা স্বাস্থ্যগুণ রয়েছে। আপনি কি জানেন এই তিনটির মিশ্রণ সারা বিশ্বে অনেকগুলো রোগের প্রতিষোধক হিসেবে ব্যবহৃত হয়? শুধুমাত্র এই তিনটি উপাদান কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়া সারিয়ে তুলবে আপনার অসুখ।

১. গলা ব্যথা ১ টেবিল চামচ লেবুর রস, ১/২ চা চামচ গোল মরিচ গুঁড়ো এবং ১ চা চামচ লবণ এক গ্লাস গরম পানিতে মিশিয়ে নিন। এবার এটি দিয়ে কুলকুচি করুন দিনে দুইবার। এটি গলার কফ তরল করে গলা ব্যথা কমিয়ে দিয়ে থাকবে। ২. বন্ধ নাক সমপরিমাণে গোল মরিচ গুঁড়ো, দারুচিনি, এলাচ এবং জিরা গুঁড়ো এক সাথে গুঁড়ো করে নিন। এই মিশ্রণটি ঘ্রাণ নিন। আর দেখুন কত সহজেই আপনার বন্ধ নাক পরিষ্কার হয়ে গেছে।
৩. পাথর দূর করতে পিত্তকোষ বা গলব্লাডারে পাথর খুব সাধারণ একটি সমস্যা। এটি পরিপাক নালী ব্লক, ব্যথা হজমের সমস্যা আরও অনেক সমস্যা সৃষ্টি করে থাকে। এই পাথর দূর করতে সাহায্য করবে এই মিশ্রণটি। তিন অংশ অলিভ অয়েল, এক অংশ লেবুর রস এবং এক অংশ গোল মরিচের গুঁড়ো ভাল করে মিশিয়ে নিন। এটি পান করুন। এটি পাথর দূর করতে সাহায্য করবে।

৪. মুখের ঘা এক টেবি…

পুলিশ ছাড়া মাঠে আসলে ২৪ ঘন্টায় হিন্দু মুক্ত ভারত প্রতিষ্ঠা করব: আকবর ওয়াইসীর

ভারতে নতুন সিংহের বাচ্চার জম্মহয়েছে। নাম জনাব আকবর উদ্দীনওয়াইসী। আকবর উদ্দীন ওয়াইসী অলইন্ডিয়া ইত্তিহাদুল মুসলিমীনের প্রধান ব্যারিস্টার আসাদউদ্দীন ওয়াইসী এমপির ছোট ভাই। বড়ভাই ব্যরিস্টার আসাদউদ্দীনওয়াইসী ভারতীয় লোকসভার তিন বারের নির্বাচিত সদস্য।তাঁর পিতা সুলতান সালাহউদ্দীন ওয়াইসী ছিলেন টানা ছয়বারের এমপি।
ভারতীয় ‍মুসলিম তারুণ্যের বিপ্লবী প্রতীক। তার অনর্গল ভাষণে মুসলিম তরুণদের রক্ত টকবগ করে। উল্লেখ্য, ভারতের হিন্দুত্ববাদী এক বিজিপি নেত্রী মুসলমানদেরকে ভারত ছাড়া করার ঘোষনা দিলে জনাব আকবর পুলিশ ছাড়া হিন্দুদের মাঠে নামার আহবান জানান। শুধু তাই নয়, পুলিশ ছাড়া মাঠে আসলে ২৪ ঘন্টায় হিন্দু মুক্ত ভারত প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন নতুন প্রজম্মের এই শেরে হিন্দুস্থান জনাব আকবর উদ্দীন ওয়াইসী।
এরকম আরেক সিংহের হুংকারে কেঁপে উঠেছিল সমগ্র ভারত। তার নাম খতিব আব্দুল্লাহ বুখারী। কলকাতার হাইকোর্টে যখন পবিত্র কোরআন নিষিদ্ধ করার মামলা হয়েছিলো, তখন আব্দুল্লাহ বুখারী এভাবেই বলেছিলেন।
“আমি শুধু দিল্লি শাহী জামে মসজিদের ইমাম নই। আমি সারা ভারত বর্ষের মুসলমানদের ইমাম বলছি, আমরাই ভারতকে আটশত বছর শাসন করেছি, এ…

চুল পড়া কমাবে পেয়ারা পাতার রস

চুল পড়া কমাতে পেয়ারা পাতার রস ত্বকে ও চুলে ব্যবহার করা যেতে পারে। এই রস ব্যবহারে চুল মসৃণ ঝকঝকেও হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পেয়ারা পাতায় ভিটামিন বি এবং মিনারেলে ভরপুর। ভিটামিন বি চুলকে স্বাস্থ্যকর করে। আর এতে থাকা ভিটামিন বি-২ নষ্ট হয়ে যাওয়া হেয়ার রুটের কোষ মেরামত করে চুলকে মসৃণ করে তোলে।

তবে পেয়ারা পাতার রস সরাসরি চুলের গোঁড়ায় না দেয়াই ভাল। অনেকগুলো পরিষ্কার পাতা নিয়ে তা এক লিটার পানিতে ফুটিয়ে নিতে হবে। ১৫ থেকে ২০ মিনিট সেই পানি ফুটতে দিতে হবে। এতে পেয়ারা পাতার সমস্ত গুণাগুণ পানিতে চলে আসবে।
পরে এই পানি ঠাণ্ডা করে ছেঁকে একটি শিশিতে সংরক্ষণ করা যেতে পারে। সংরক্ষিত পানি প্রতিদিন গোসলের কিছু আগে চুলের গোঁড়া এবং চুলে ভাল করে লাগিয়ে নিতে হবে। কয়েক মাসের মধ্যে তফাৎটা বুঝতে পারা যাবে।

চিনির ৮ টি মারাত্মক ক্ষতিকর দিক

আমাদের মিষ্টিমুখ না হলে দিন ভালো কাটে না। আর আমাদের কাছে মিষ্টিমুখ মানেই হচ্ছে অতিরিক্ত চিনি সমৃদ্ধ নানা খাবার খাওয়া। তবে চিনি যে আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য একেবারেই ভালো নয় তা কিন্তু আমরা ভালোই জানি। বাড়তি ওজন শরীরে যোগ হওয়া, দাঁতের ক্ষতি করা, ডায়বেটিস রোগীদের জন্য চিনি ক্ষতিকর ইত্যাদি আমাদের সবারই জানা।

কিন্তু আপনি জানেন কি, চিনির এর চাইতেও মারাত্মক ক্ষতিকর কিছু দিক রয়েছে? শুধু তাই নয় চিনির এই মারাত্মক ক্ষতিকর দিকগুলো আমাদের দেহে খুবই খারাপ প্রভাব ফেলে থাকে। আজকে জেনে নিন মুখের স্বাদের জন্য খাওয়ার চিনির মারাত্মক সব ক্ষতিকর দিকগুলো যা আপনার একেবারেই অজানা।
১. ক্যান্সারের জন্য দায়ী:- অতিরিক্ত চিনি খাওয়ার ফলে দেহে ক্যান্সারের কোষ বৃদ্ধির সম্ভাবনা বেড়ে যায়। বিশেষ করে প্যানক্রিয়েটিক ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায় চিনি।

২. চিনি বাড়ায় ওজন:- অতিরিক্ত চিনি আমাদের ক্ষুধার উদ্রেক করে যা সহজে পূরণ হতে চায় না। আর একারণেই ক্ষুধা মেটাতে যাওয়া দেহে যোগ করে বাড়তি ওজন।

৩ .শেখার ক্ষমতা নষ্ট করে:- প্রায় ১ মিলিয়ন শিশুর উপর গবেষণা চালিয়ে দেখা যায় অন্যান্য শিশুদের তুলনায় যারা চিনি সমৃদ্ধ খাবার বেশি খেয়ে থাকে তারা …

৩য় বিশ্বযুদ্ধ যেভাবে ঠেকাবে ব্রেক্সিট

ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের বের হয়ে যাওয়ার কারণে ২৮ জাতির এ জোট ভেঙে যেতে পারে। এমনটি হলে আমেরিকার নেতৃত্বে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়বে। ফলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের বের হয়ে যাওয়ার কারণে সামগ্রিকভাবে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ ঠেকানো সম্ভব হবে। ইরানের স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল প্রেস টিভিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেছেন সাবেক রিগ্যান প্রশাসনের সহকারী অর্থমন্ত্রী ও বিশিষ্ট গ্রন্থকার এবং মার্কিন রাজনৈতিক বিশ্লেষক পল ক্রেইগ রবার্টস। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এসোসিয়েট এডিটর ক্রেইগ রবার্টস এ সাক্ষাৎকারে আরো বলেছেন, আমেরিকা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরুর মাধ্যমে পুরো বিশ্বের ওপর নিজের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চায়। ৪০ বছর পর গণভোটের মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের বের হয়ে যাওয়ার একদিন পর আজ (শুক্রবার) মার্কিন রাজনৈতিক বিশ্লেষক এ সম্পর্কে তীর্যক মন্তব্য করলেন।
তিনি বলেন, “আশা করা যায় বেক্সিটের কারণে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ভেঙে যাবে এবং মার্কিন নেতৃত্বাধীন ন্যাটো জোটও ভেঙে যেতে পারে। বড় দেশ হিসেবে ব্রিটেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে যাওয়ার সাহস দেখিয়েছে। ফলে গ্রিস, পর্তুগাল, স্পেন ও ইতালির…

বীর্যের জোর কমায় স্মোকিং, এবার তো ভাবুন!

নিয়মিত যাঁরা, যে পুরুষরা, ধূমপান করেন, সাবধান! ক্যানসারের বিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ ধরে নিয়ে এড়িয়ে যাবেন না। ধূমপানে ক্যানসারের আশঙ্কা তো আছেই, সেইসঙ্গে আপনার বীর্যেরও বারোটা বাজায় সিগারেট! শুক্রাণুর গুণগত মান খারাপ করে দেয়।

সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, নিয়মিত ধূমপানে স্পার্মের DNA ভালোরকম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যার প্রভাবে পুরুষের বন্ধ্যাত্ব পর্যন্ত হতে পারে। যে কারণে ধূমপায়ী পুরুষদের সতর্ক করেছেন বিজ্ঞানীরা। স্পার্মের ৪২২ রকম প্রোটিন বিশ্লেষণ করেই ডিএনএ-র এই গঠনগত পরিবর্তনের কথা জানতে পারেন গবেষকরা। ধূমপায়ীদের কারও কারও স্পার্মে দেখা গিয়েছে একটা প্রোটিন পুরোপুরি অনুপস্থিত। আবার, এমন অনেক ধূমপায়ীরও সন্ধান মিলেছে, যাঁদের স্পার্মে ২৭ রকমের প্রোটিন নামেমাত্র আছে। আবার খুব বেশমাত্রায় ৬ ধরনের প্রোটিন পাওয়া গিয়েছে, এমনও হয়েছে।
গবেষকরা বলছেন, অতিরিক্ত ও নিয়মিত ধূমপানের কারণে পুরুষ প্রজনন নালির মধ্যে প্রদাহজনক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। এই গবেষণার বিশদ প্রকাশিত হয়েছে BJU নামে একটি আন্তর্জাতিক জার্নালে। গবেষণা রিপোর্টের সঙ্গেই ২০জন ধূমপায়ী ও ২০ জন অধূমপায়ীর কেসহিস্ট্রি তুলে দেওয়া হয়।

এই গবেষকদলের অন্যত…

এই সবজি - হার্ট অ্যাটাক, ডায়াবেটিস, ক্যানসার...তিনের সম্ভাবনাই কমাবে

হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, ডায়াবেটিস, ক্যানসার। কেমন হবে যদি মাত্র একটি সবজি খেলেই মানব শরীরে এই তিন রোগের সম্ভাবনা কমে আসে? বিশেষজ্ঞরা বলছেন এই সবজি একাই একশ।

ব্রকোলি। খোলা বাজারে পাওয়া না গেলেও হালফিলের রিটেল স্টোরগুলিতে এর দেখা মেলে। পাশ্চাত্য দেশগুলিতে আগে থেকেই খুব কম ক্যালোরি ও অনেক পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ ব্রকোলি খাওয়ার চল ছিল। বর্তমানে এদেশেও তা শুরু হয়েছে। চলুন একনজরে দেখে নেওয়া যাক, ব্রকোলির গুণাগুণগুলি-
১) প্রচুর পরিমাণে দ্রবণীয় ফাইবার থাকায় দেহে কোলেস্টেরলের ভারসাম্য বজায় থাকে।
২) প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন-K থাকায় হাড়ের জন্য ভালো।
৩) গ্লুকোরাফ্যানিন, গ্লুকোনাস্টারটিন ও গ্লুকোব্রাসিসিন থাকায় শরীরকে ডিটক্স করে ব্রকোলি।
৪) পরিপাক ভালো হতে সাহায্য করে। ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।
৫) ব্রকোলিতে দু'ধরনের ক্যারোটিনয়েড প্রচুর পরিমাণে থাকে। এক লুটেনিন, দুই জিয়াক্সাথিন। ফলে চোখের জন্য খুব ভালো। ছানি পড়তে দেয় না।
তাহলে আর দেরি না করে এখন থেকে প্রতি সপ্তাহে অন্তত তিন থেকে চারদিন খাদ্যতালিকায় ব্রকোলিকে রাখুন। সুস্থ থাকুন।

পেঁপে ফুল নিয়ন্ত্রণ করবে আপনার ডায়াবেটিস

বাংলাদেসশের একটি অতি পরিচিত ফল পেঁপে। এটিকে আমরা একটি সুসাদু ফল হিসেবেই জানি। কিন্তু এই গাছ ও ফলের রয়েছে নানা ভেষজ গুণ। আশুন গল্পে গল্পে আজ জেনে নেই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে পেঁপে ফুলের কার্যকারিতা সম্পর্কে।এক বৃদ্ধা প্রতিদিন তার বাড়ির পাশের কয়েকটি পেঁপে গাছের কাছে যান আর পেঁপের ফুলগুলো ছিঁড়ে নিয়ে আসেন। সেগুলো সবজির মতো রান্না করে খান। ছোটবেলা বিষয়টি খেয়াল করতেন তার নাতী হোইনু হাউজেল। বড় হয়ে পেঁপের ফুলের রহস্য বের করতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন। তিনি জানতে পারেন, তার দাদীর ডায়াবেটিস ছিলো।

পেঁপে গাছের ফুলগুলো তার দেহে ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতো। ওই বৃদ্ধা এমন বহু জিনিস ব্যবহার করতেন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য। রোগ নিরাময়ে এসব খাদ্যের কাজ বিজ্ঞান দিয়ে ব্যাখ্যা করা কঠিন হলেও আসল ব্যাপরটি হলো, তা দারুন কাজ করে। তা ছাড়া পুরনো মানুষদের ব্যবহার করা এসব বহু সবজি বা প্রাকৃতিক জিনিস পরবর্তীতে আধুনিক চিকিৎসার অ্যান্টিডোট হিসাবে স্বীকৃতি পেয়েছে। হাউজেলের দাদী সারা জীবন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করেছেন এবং সুস্থভাবে বেঁচে ছিলেন। তার মায়েরও ডায়াবেটিস এবং তিনি দাদীর শেখানো খাদ্যদ্রব্যগুলো পথ্য হিসাবে খাচ্ছেন এবং দ…

শশা যে সকল রোগ থেকে আপনাকে দূরে রাখে

শশা একটি উপকারি সবজি। শশা রান্না ছাড়াই সালাদ হিসেবে বা এমনিই খাওয়া যায়। এই শশার ভেষজ গুনের শেষ নেই। সৌন্দর্য পিপাসু নারী-পুরুষেরা শশা ত্বকের যত্নে ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া পরিপাকতন্ত্র সুস্থ রাখতে এবং শরীরের অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে শশার বিকল্প নেই। চলুন এবার জেনে নেয়া যাক শশার গুণাগুণ।
পানিশূন্যতা দূর করে: সারাদিন কাজের ব্যস্ততার কারণে পর্যাপ্ত পানি পান করা হয় না অনেকেরই। এই পানি ঘাটতি দূর করতে শশার তুলনা হয় না। শশায় ৯০ ভাগ পানি থাকায় শরীরের প্রয়োজনীয় পানির অভাব দূর করে শরীর সুস্থ রাখে।

শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে: নিয়মিত শশা খেলে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। এছাড়া যাদের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা আছে তাদের জন্য খুবই উপকারী শশা।
শরীরের ক্ষতিকর পদার্থ দূর করে: শরীরে জমে থাকা ক্ষতিকর পদার্থ দূর করে শরীর ভালো রাখে, সেইসঙ্গে কিডনি থাকে সুস্থ।

ভিটামিনের চাহিদা পূরণ করে: শশা শরীরের ভিটামিনের চাহিদা পূরণ করে। ভিটামিন ‘এ’ ‘বি’ এবং ‘সি’র চাহিদা পূরণ করে শরীরকে শক্তিশালী করে তোলে। শশার সবচেয়ে ভালো পুষ্টি পেতে হলে সবুজ শাক এবং গাজরের সঙ্গে খাওয়া ভালো।

ত্বকের বন্ধু: শশায় উচ্চমানের পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়া…

ইসলাম গ্রহণে আগ্রহ বাড়ছে

বিজ্ঞানের চরম এই উৎকর্ষের যুগে মানুষ আজ দিশেহারা। মানুষগুলো যেন মরীচিকার পেছনে হন্যে হয়ে ঘুরছে। চাওয়া-পাওয়ার মধ্যে যথেষ্ট ব্যবধান আর অতৃপ্তির মাত্রা যেন বেড়েই চলছে। কোথাও শান্তির কোনো আভাস মিলছে না। শুধুই হতাশা উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠায় কালাতিপাত করছে মানুষগুলো। তারা ভেবেই পাচ্ছে না, কী হচ্ছে? কী হতে যাচ্ছে? কোথায় মানবতা? কোথায় সুখ? কোথায় শান্তি? এসব প্রশ্ন আজ বিশ্ব সভ্যতার এই যুগের মানুষগুলোকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে দিয়েছে।
আলহামদুলিল্লাহ, এরই মধ্যে বিশ্বের দেশে দেশে ইসলাম সম্পর্কে জানা আর মানার আগ্রহ ও প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিবেকবান শিক্ষিত লোকেরা ব্যক্তিজীবন থেকে শুরু করে পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনের সব পর্যায়ে মানবতার অবক্ষয় থেকে মুক্তির উপায় আর দুনিয়ায় শান্তি ও সুখ তালাশ করছে। বিবেকবান শিক্ষিত মানবদরদি লোকেরা মানবতার মুক্তি আর দুনিয়ার শান্তি ও সুখের সন্ধানে দস্তুরমতো ব্যাপক চিন্তা গবেষণা ও অধ্যয়ন শুরু করে দিয়েছে। আণবিক বোমা, পারমাণবিক আর রাসায়নিক বোমা বা অত্যাধুনিক মারণাস্ত্র পৃথিবীতে মানবতার মুক্তি, শান্তি আর সুখ এনে দিতে পারবে না এ বিস্বাস থেকেই নতুন পথের সন্ধানে গবেষণা শুরু…

আমের রস খেয়ে ভগবান অসুস্থ পড়েছেন, তাই এখন আশীর্বাদ করতে পারছেন না'!

ভগবান অসুস্থ। ভক্তদের দর্শন দেবেন না। পুরীর জগন্নাথ ধামে ভক্তদের এটাই বোঝাচ্ছেন মন্দিরের পুরোহিতরা। অতঃপর... হতাশ হয়েই ফিরে যাচ্ছেন ভক্তরা। আসলে ১৫ দিন বন্ধ থাকছে জগন্নাথ মন্দির। তাই দর্শনার্থীদের পুরোহিতরা বলছেন, 'ভগবান বিমার হ্যায়, ওহ ঔষধি সেবন কর রহে হ্যায় অউর পন্দরা দিন আরাম করেঙ্গে।' অর্থাত্‍‌, ভগবান অসুস্থ। ওষুধ খাচ্ছেন। ১৫ দিন বিশ্রাম নেবেন। আশীর্বাদ আপাতত মিলবে না। পুরীর রীতি অনুযায়ী, জগন্নাথ এখানে মানুষেরই মতো। তার দুঃখ, কষ্ট আছে। রয়েছে অসুস্থতাও। সেই মতো প্রতি বছর জৈষ্ঠ পূর্ণিমায় জগন্নাথের বিগ্রহ স্নান করানো হয়।  জগন্নাথ ধামের প্রেসিডেন্ট ভূপেন্দ্র সিং ভাটি জানালেন, জগন্নাথের স্নানপর্বে বিশেষ ধুমধাম হয়। তারপর সোনার সিংহাসনে তাঁকে বসিয়ে সুস্বাদু আমের রস খেতে দেওয়া হয়। অতক্ষণ ধরে স্নান ও তারপর অনেক আম খেয়ে ভগবান অসুস্থ হয়ে পড়েন। তখন আর ভোগ খেতে পারেন না। ভেষজ ওষুধ দিয়ে তাঁকে সারিয়ে তোলা হয়। তাই এই ১৫ দিন টানা বিশ্রাম।

অতএব সুস্থ ভগবানের আশীর্বাদের জন্য ভক্তদের অপেক্ষা করতে হবে সেই ৫ জুলাই পর্যন্ত। ৬ জুলাই রথযাত্রা। তথ্যসূত্র: এই সময়

ফাঁসাতে গিয়ে ফেঁসে গেল পুলিশ

বুধবার সকাল ১১টা। নারায়ণগঞ্জের কালীরবাজারে নওয়ার প্লাজায় ‘মা তাঁরা স্বর্ণালয়’ এ যায় লিটন।তিনি স্বর্ণের একটি ছেড়া চেইন বিক্রি করতে চান। কিন্তু দোকান মালিক পাণ্ডব রায় তা কিনতে রাজি হননি। এসময় লিটনচেইনটি রেখে তাকে দুই হাজার টাকা দেয়ার জন্য পাণ্ডব রায়কে চাপ দিতে থাকে।

এতেও পাণ্ডব রায় রাজি না হওয়ায় দোকানের বাইরে এলে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা পুলিশের অপর সোর্স ইকবাল ও নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার এএসআই আশরাফ হোসেন মিলে লিটনকে আটক করে। এসময় চোরাই স্বর্ণ কেনার অভিযোগে পাণ্ডব রায়কেও আটক করেন এএসআই আশরাফ।
এই ঘটনা বাজারে ছড়িয়ে পড়লে কালীরবাজারের বিক্ষুব্ধ স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা পুলিশের এএসআই আশরাফসহ তার দুই সোর্স লিটন
ও ইকবালকে ঘিরে ফেলে। একপর্যায়ে উত্তেজিত ব্যবসায়ীরা তাদের গণপিটুনি দেয়।

খবর পেয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মালেকসহ অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি
নিয়ন্ত্রণে এনে তাদের উদ্ধার করেন।

বাজারের আরেক স্বর্ণ ব্যবসায়ী সাজন কর্মকার বলেন, ‘এক সপ্তাহ আগে শুক্রবার রাতে আমার মামা তপন কর্মকারকে একই
অভিযোগে প্রথমে হয়রানি করে। পরবর্তীতে দোকানে অভিযানের নামে প্রায় ৮০ ভরি স্বর্ণ জব্দ…

সংযমের মাসেও অসংযম: প্রশাসনের নাকের ডগায় ভেজাল সেমাই তৈরি

ঈদের দিন গুরুত্বপূর্ণ খাবারগুলোর মধ্যে অন্যতম হল সেমাই। যেটা না হলে বাঙালির চলেই না। ঈদকে সামনে রেখে বেড়েই চলেছে সেমাইয়ের চাহিদা। এ সুযোগে অতিরিক্ত লাভের আশায় সক্রিয় হয়ে উঠছে ভেজাল সেমাই কারবারিরা। চাহিদা বেশি হওয়ায় উৎপাদন বাড়াতে নোংরা পরিবেশেই তৈরি করা হচ্ছে ভেজাল সেমাই। 
কেউ কেউ হাতের সাথে পা-ও চালান সেমাই তৈরিতে। কারিগররাও অপরিচ্ছন্ন। আবার চড়া দাম পেতে নামী প্রতিষ্ঠানের প্যাকেট ছাপিয়ে তাতে ভরা হয় কম দামী সেমাই। এক্ষেত্রে অবৈধভাবে বিএসটিআই অনুমোদিত লোগো লাগাতেও দেখা যায় তাদের। অন্যদিকে জেনেও না জানার ভান করছে প্রশাসন। নামে মাত্র ২/১ টি অভিযান চালালেও তা জনগনের কোনো উপকারেই আসছে না।
ঈদ-উল-ফিতরকে সামনে রেখে রাজধানী ঢাকা, নরসিংদী, বগুড়া, গাজীপুর, নারায়নগঞ্জসহ সারাদেশেই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছে ভেজাল সেমাই। রাজধানী ও আশপাশের এলাকায় দুই শতাধিক কারখানায় ভেজাল সেমাই তৈরি করা হচ্ছে, যেগুলোর বেশিরভাগই অনুমোদিনহীন। প্রতিষ্ঠিত কোম্পানির লেবেল প্যাকেটে লাগিয়ে তা বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে। এসব কারখানায় খোলা জায়গায় রয়েছে আবর্জনা, বাতাসে উড়ছে ধুলা-বালি। এর মধ্যেই বাঁশে সারি-সারি সাজিয়ে রোদে …

রক্তে হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধি করবে যে খাবারগুলো

World Health Organization এর মতে সারা বিশ্বে শতকরা ৩০ ভাগ মানুষ অ্যানিমিয়া অথবা রক্তস্বল্পতা সমস্যায় ভুগে থাকেন। আর এটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে হয়ে থাকে আয়রনের অভাবের কারণে। রক্ত কোষে আয়রন সমৃদ্ধ প্রোটিন হল হিমোগ্লোবিন। এর প্রধান কাজ হল ফুসফুস থেকে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে অক্সিজেন পরিবাহিত করা। সাধারণত ১৪-১৮ মিলিগ্রাম একজন পুরুষের এবং ১২-১৬ মিলিগ্রাম একজন নারীর শরীরে হিমোগ্লোবিন থাকা উচিত। মাথা ঘুরানো, দুর্বল লাগা, ক্লান্তি লাগা, খাদ্যে অরুচি, শ্বাস কষ্ট, হার্ট বিট বৃদ্ধি ইত্যাদি হিমোগ্লোবিন কমে যাওয়ার লক্ষণ। ওষুধের পাশাপাশি ঘরোয়া কিছু উপায়ে রক্তে হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধি করা যায়। আসুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক সেই উপায়গুলো। 
১। আমলকী আয়রন, মিনারেল এবং ভিটামিন সি সমৃদ্ধ আমলকী রক্তে হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এটি রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বজায় রেখে শরীরে ভিটামিন সি এর অভাব পূরণ করে থাকে। প্রতিদিন খালি পেটে কয়েকটি আমলকী খাওয়ার অভ্যাস করুন। এটি রক্তে হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে। 
২। বিট একটি বিট, তিনটি গাজর এবং অর্ধেকটা মিষ্টি আলু ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে জুস করে নিন। এটি প্রতিদিন একবার পান …

হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধকারী নতুন ওষুধ আবিষ্কার

এখন হামেশাই প্রচুর সংখ্যক মানুষের হার্ট অ্যাটাকের সমস্যার কথা শোনা যায়। হার্ট অ্যাটাকের সমস্যা আগের তুলনায় এখন অনেক বেশি হয়েছে। সম্প্রতি হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধকারী নতুন একটি ওষুধ আবিষ্কার হয়েছে। ভায়াগ্রা। হ্যাঁ, এই ভায়াগ্রাই এখন হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধ করবে। যদিও এই ওষুধ অন্য কারণে ব্যবহার করে থাকেন বহু মানুষ। তবু, সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, যে সমস্ত মানুষ ভায়াগ্রা ব্যবহার করে থাকেন, তাঁদের হার্ট অ্যাটাকের পরিমান কমে গিয়েছে।

ইউনিভার্সিটি অফ ম্যাঞ্চেস্টারের গবেষকরা ৬ হাজার ডায়াবেটিক রোগীর ওপর একটি পরীক্ষা করেন। এই রোগীদের অনেকে ভায়াগ্রা ব্যবহার করেন। হার্ট অ্যাটাকের জন্য ডায়াবিটিস অনেকটা দায়ী। তাই যে সমস্ত রোগী ডায়াবিটিস রোগে আক্রান্ত, তাঁদের মদ্যে হার্ট অ্যাটাক হওয়ার সম্ভাবনাও বেশি থাকে।  তাই এই সমস্ত রোগীর ওপরেই পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেন গবেষকেরা। পরীক্ষার পর দেখা গিয়েছে, রোগীদের মধ্যে যাঁরা ভায়াগ্রা ব্যবহার করেন না তাঁদের তুলনায় যাঁরা ভায়াগ্রা ব্যবহার করেন, তাঁদের হার্ট অ্যাটাকের পরিমান অনেক কমে গিয়েছে।

খোলস ছাড়তে গিয়ে বিপাকে আস্ত পাইথন‌! (ভাইরাল ভিডিও)

সাপের খোলস ছাড়াতে দেখেছেন কখনও? কেউ কেউ দেখলেও, বেশিরভাগ মানুষই সেই দৃশ্য দেখেননি। কারণ সেই দৃশ্য হয়তো লাখে একবার দেখা যায়। সাপ সাধারণত, জন-সমক্ষে খোলস ছাড়ে না। আর তাই সেই দৃশ্য চোখে পড়ে না সহজে। তবে, সম্প্রতি একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রকাশ পাওয়া মাত্রই বর্তমানে তা ভাইরাল।

সাধারণত মাঝেমধ্যে বৈজ্ঞানিক কারণে সাপ নিজেদের খোলস ছাড়ে। নিজের শরীরের মাপেই সেই খোলসটি হয়। আর সেই খোলস ছাড়ার পর নতুন চামড়ার সৃষ্ট হয় সেই সাপের।
তবে, সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার একটি চিড়িয়াখানায় প্রকাণ্ড একটি পাইথন নিজের খোলস ছাড়তে গিয়েই পড়েছে বিপদে। নিজের খোলসের ভিতরেই আটকে গিয়েছে পাইথনটি। বৃত্তাকারে থাকা ওই খোলসটিতে আটকে গিয়ে রীতিমতো সমস্যায় সেই সাপ। যদিও, পরে চিড়িয়াখানার কর্মীদের সাহায্যে মুক্তি পায় পাইথনটি।

হাঁপানি রোগীদের মহৌষধ আকন্দ পাতা!

গাছ-গাছালির পাতাকে আমরা অনেকেই অবহেলা করি। কিন্তু এইসব গাছ-গাছালি আমাদের অনেক রকম উপকার করে থাকে। এমনই একটি রোগ হাঁপানি রোগ যে রোগে ওষুধের থেকে আকন্দ পাতা বেশি কার্যকরি। গ্রাম-বাংলার মানুষ হাঁপানি ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আকন্দ পাতা ব্যবহার করে। আয়ুর্বেদার্য শিবকালি ভট্ট্রাচার্যের মতে, ১৪টি আকন্দ ফুলের মাঝখানে চৌকো অংশটি নিতে হবে। 
তারসঙ্গে ২১টি গুল মরিচ দিয়ে একসঙ্গে বেটে ২১টি বড়ি বানাতে হবে। প্রতিদিন সকালে পানি দিয়ে ১টি বড়ি খেলে হাঁপানি রোগের উপশম হয়। এই ওষুধ খাওয়ার সময় পথ্য হিসেবে শুধু দুধ ভাত খেতে হয়। এতে শ্বাসকষ্ট কেটে যায়। আকন্দ গাছের মূলের ছাল শুখিয়ে চূর্ণ করে আকন্দের আঠা দিয়ে মুড়িয়ে বিড়ির মতো করে বানিয়ে সেটি ধরিয়ে ধোয়া টানলে হাঁপানি লাঘব হয়। হাঁপানি ছাড়াও আকন্দ পাতার অন্যান্য গুণাবলি  ১। হাঁপানি ছাড়াও আকন্দ পাতা ওষুধ হিসেবে ব্রণ ফাটাতে সাহায্য করে। আকন্দ পাতা দিয়ে ব্রণ চেপে বেঁধে রাখলে ব্রণ ফেটে যায়।  ২। বিছে কামড়ালে জ্বালা-পোড়া কমাতে আকন্দ পাতা ব্যবহার করা হযে থাকে।  ৩। শরীরের কোনো স্থানে দুষিত ক্ষত হলে সেই স্থানটিতে আকন্দ পাতা সেদ্ধ পানি দিয়ে ধুয়ে দিতে হয়। এতে পুঁজ হয় না।  ৪। বু…

বাড়তি চর্বি ও ওজন কমাতে ইফতারিতে পান করুন এই “বিশেষ” পানীয়টি!

বিনা কষ্টে কোন ব্যায়াম ছাড়াই শরীরের বাড়তি চর্বি Excess fat ঝরিয়ে ফেলতে চান? তাহলে সারাদিন রোজা শেষে ইফতার শুরু করুন এই সুস্বাদু পানীয়টি দিয়ে। ইফতারে এই শরবতটি পান করলে ওজন তো কমবেই, সেই সাথে কিডনিও ভালো থাকবে, রক্তের সুগার লেভেল ও ব্লাড প্রেসার থাকবে নিয়ন্ত্রণে। সারা দিন রোজা শেষে আপনি অনুভব করবেন দারুণ ফ্রেশ! আর তৈরি করতে লাগবে মাত্র ১০ মিনিট!

উপকরণ :অর্ধেক শসা কুঁচিমধু ১ টেবিল চামচতাজা লেবুর রস ১ টেবিল চামচতরমুজ কুচি ২ কাপ। প্রস্তুত প্রণালি :সমস্ত ফল ও সবজি ধুয়ে, ছিলে, বীজ ফেলে কেটে নিন ছোট টুকরো করে।তারপর ব্লেন্ডারে দিয়ে দিন। সাথে যোগ করুন বেশ কয়েক টুকরো বরফ বা ঠাণ্ডা পানি Drink। লেবু ও মধু দিয়ে ব্লেনড করে নিন।মসৃণ করে ব্লেন্ড হলেই তৈরি আপনার শরবত। এটাকে ছাঁকবেন না। বেশী ঘন মনে হলে পানি মেশাতে পারেন। তবে ঘনই খাওয়াই ভালো। যেভাবে পান করবেন :ইফতারের Iftar সময় খালি পেটে এই পানীয়টি পান করুন। কমপক্ষে এক গ্লাস। দুই গ্লাস পান করতে পারলে আরও ভালো হবে।ইফতারের পর এই পানীয়টি Drink পানের চেষ্টা করুন। বিশেষ করে ডিনারের আগে অবশ্যই এক গ্লাস পান করুন।খুবই ভালো হবে যদি সেহেরি করার আগেও এক গ্লাস পান ক…

মাংস কতোদিন ফ্রিজে রাখবেন? দেখুন বিস্তারিত

কুরবানীর মাংস কি এখনও ফ্রিজে রেখে দিয়েছেন? ফ্রিজের মাংস কতো সময় ফ্রিজে রাখা যায় তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। সাধারণত সবাই চায় কুরবানির মাংস অনেকদিন সংরক্ষণ করে ধীরে ধীরে খেতে। কিন্তু পুষ্টি গবেষকদের মতে, এতে নানান সমস্যা রয়েছে। বেশি দিন মাংস ফ্রিজে সংরক্ষণ করলে এর স্বাদ ও পুষ্টিগুণ বজায় থাকে না।

ফ্রিজে গরুর মাংস তিন থেকে থেকে চার মাস আর খাসির মাংস দুই থেকে তিন মাস পর্যন্ত রেখে দেয়া যেতে পারে। এর বেশি রাখলে সেই মাংসের আর কোনো কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না। তবে কলিজার বেলায় এই সময়টা আবার ভিন্ন। কলিজা বেশিদিন ফ্রিজে না রাখাই ভালো। এতে স্বাদ একেবারে নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

ফ্রিজে মাংস রাখার আগে মাংস ধুয়ে নিয়ে পানি ভালোমতো ঝরিয়ে রাখুন। এতে মাংস অনেকদিন ভালো থাকবে। মাংস রাখার জন্য প্লাস্টিকের ব্যাগ ব্যবহার করুন। সবচেয়ে ভালো হয় যদি চর্বিসহ মাংসগুলো আলাদা রাখার ব্যবস্থা করতে পারেন।
মাংস ফ্রিজে রাখার পর ফ্রিজের দরজা খুব বেশি একটা না খোলাই উচিত। এতে ভিতরের ঠাণ্ডা হাওয়া বের হয়ে যেতে পারে। যার ফলে মাংস নরম থেকে যাবে।

অনেকেই বার বার ঝামেলার ভয়ে রান্না করা মাংস ফ্রিজে রেখে দেন। এক্ষেত্রে রান্না মাংস ছোট ছোট বক্সে রাখু…

ব্ল্যাকহেড থেকে স্থায়ী মুক্তি পাওয়ার ঘরোয়া পদ্ধতি ।

ত্বকের ময়লা ঠিক মতো পরিষ্কার করা না হলে এর উপর আরোও বেশি তেল ময়লা জমতে থাকে। এক সময় তা ব্ল্যাকহেডস এর রূপ নেয়। শুরু থেকে সচেতন না হলে এটি স্থায়ী হয়ে বসে। আসুন জেনে নিই ঘরোয়া পদ্ধতিতে ব্লাকহেডস থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়।

টুথপেস্টঃ অনেকদিনের জমে থাকা ব্ল্যাকহেডস পরিষ্কার করা বেশ ঝক্কির ব্যাপার। আর একদিনে তা কখনও দূর হয়না। সেক্ষেত্রে সামান্য সাদা টুথপেস্ট নিয়ে আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে রাখুন মিনিট পাঁচেক। এরপর নরম একটি টুথ ব্রাশের সাহায্যে আস্তে আস্তে স্ক্রাব এর মতো করে ঘষতে থাকুন। ত্বকের মরা চামড়া উঠে আসার সঙ্গে সঙ্গে এটি ব্ল্যাক হেডস গুলোকে নরম করে ফেলে। ব্রাশ দিয়ে ঘষে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ৫ মিনিট গরম পানির ভাপ নিন। এতে পোরস গুলো খুলে যাবে। এরপর আবারো ব্রাশ দিয়ে ঘষুন, দেখবেন খুব সহজেই ব্ল্যাক হেডস গুলো উঠে আসবে। সপ্তাহে ১ বার করুন।
আমণ্ড গোলাপজলঃ ২ চামচ আমণ্ড গুঁড়ো আর ১ চামচ গোলাপজল এর পেস্ট তৈরি করুন। এবার এই পেস্ট সম্পূর্ণ মুখে লাগিয়ে সার্কুলার মোশনে ধীরে ধীরে মাসাজ করুন ২-৩ মিনিট। এর পর ৩০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। ব্ল্যাকহেডস দূর করার সাথে সাথে এটি স্কিনে উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনবে।

মধ…

ভারতের বিরোধিতা করে পাকিস্তানের পক্ষ নিল চীন !

নিজেদের অবস্থান থেকে সরা তো দূরের কথা, পরমাণু সরবরাহকারী গোষ্ঠীতে ভারতের ঠাঁই পাওয়া অনিশ্চিত করতে পাকিস্তানের পক্ষ নেওয়া শুরু করেছে চীন। ভারতের স্থানীয় গণমাধ্যমগুলোতে এমনই অভিযোগ উঠেছে।

চীনের সরকারি মুখপত্রে পাকিস্তানের পরমাণু নীতির প্রশংসা করে প্রচার শুরু হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার সোলে পরমাণু সরবরাহকারী গোষ্ঠীর বৈঠক শুরু হয়েছে আজ থেকে। বৈঠক শুরুর আগেই চীনা বিদেশ মন্ত্রকের মুখপত্র দাবি করে, বৈঠকে ভারতের সদস্যপদ পাওয়ার বিষয়টি আলোচনার কর্মসূচিতে নেই।
যদিও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সূষমা স্বরাজ দাবি করেছিলেন, এনএসজিতে ভারতের সদস্যপদ পাওয়ার ক্ষেত্রে বাঁধা হবে না চীন। কিন্তু বাস্তব ঠিক তার বিপরীত। এই অবস্থায় আগামী ২৩ জুন উজবেকিস্তানে দেখা হবে চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদীর। আশা করা হচ্ছে সেই বৈঠকের পর অবস্থার পরিবর্তন হতে পারে।

জিম ছাড়া তাড়াতাড়ি ওজন কমাতে এটা ট্রাই করুন

অত্যধিক ওজন একটা বড়সড় সমস্যা। ওজন বেড়ে গেলে নানারকম অসুখ দেখা দেয়। তাই এই অত্যধিক ওজন কমাতে আমরা কত কিছুই না করে থাকি। ঘণ্টার পর ঘণ্টা জিমে কাটাই, শরীর চর্চা করি, নিয়ম মতো খাওয়া দাওয়া করি। কিন্তু একটা মাত্র উপায় রয়েছে যার মাধ্যমে খুব কম সময়েই ওজন কমিয়ে ফেলা সম্ভব।

যোগাসন। যোগাসন এমন একটি শরীর চর্চা, যার মাধ্যমে খুব সহজেই শরীরের বিভিন্ন অসুখ সারানো যায় কোনওরকম ওষুধ ছাড়াই। শুধু তাই নয়, নিয়মিত যোগাভ্যাস করলে দীর্ঘদিন মানুষ রোগহীন হয়ে বাঁচতে পারি।
দেখে নিন কোন কোন যোগাসন করলে কম সময়ে ওজন কমবে-

১) বীরভদ্রাসন


২) ভূজঙ্গাসন


৩) ভক্রাসন


৪) নৌকাসন


৫) পশ্চিমোত্তানাসন

৫টি কুলির পদ, আবেদন ৫ MPhil,২৫৩ MA ও ১০ হাজার গ্র্যাজুয়েটের

সামনের অগাস্ট মাসে এমনই উচ্চশিক্ষিত আবেদনকারীদের সঙ্গে পরীক্ষা দিতে বসবেন ক্লাস ফাইভে ড্রপ আউট চাকরিপ্রার্থীরা। কুলির পদের এই ডি গ্রেড পোস্টের জন্য রাজ্যস্তরে লিখিত পরীক্ষা নেবে মহারাষ্ট্র পাবলিক সার্ভিস কমিশন। MPSC-র সচিব রাজেন্দ্র মাংরুলকর জানিয়েছেন, 'কুলির পদের পরীক্ষার জন্য আমরা ২,৪২৪ জনের আবেদন পেয়েছি।

এর মধ্যে রয়েছে ৫ জনের এমফিল, ১০৯ জনের ডিপ্লোমা, ২৫৩ জনের স্নাতকোত্তর ডিগ্রি রয়েছে।' আবেদনকারীদের মধ্যে ৯৮৪জন স্নাতক, ৬০৫ জন দ্বাদশ শ্রেণি পাশ, ২৮২ জন দশম শ্রেণি পাশ ও ১৭৭ জন দশমের নীচের ক্লাস পর্যন্ত পড়েছেন।
গত বছর ডিসেম্বর মাসে কুলির ৫টি শূন্য পদের জন্য বিজ্ঞাপন দিয়েছিল MPSC। বয়সসীমা দেওয়া হয়েছিল ১৮-৩৩। শিক্ষাগত যোগ্যতা রাখা হয়েছিল চতুর্থ শ্রেণি পাশ। নিয়োগের পরীক্ষায় প্রাথমিক কিছু অঙ্ক ও ভাষাগত দক্ষতার পরীক্ষা নেওয়া হবে আবেদনকারীদের।

কাউন্সেলর বিবেক বেলাঙ্কর আক্ষেপের সুরে বলেছেন, 'কেন একজন ডিগ্রিধারী কুলি হতে চাইবেন? বেকারত্বের কারণে তাঁরা হয়তো ভাবছেন, কোনও কিছু না করার থেকে কিছু একটা করা অন্তত প্রয়োজন।'

কাপড় হতে কালির দাগ উঠানোর অসাধারণ কৌশল জেনে নিন!

কাপড়ে কোনো সময় কালির দাগ লাগতে পারে। তাতে ঘাবড়াবার কিছু নেই। কাপড় হতে কালির দাগ উঠানোর অসাধারণ কৌশল জেনে নিন।

কাপড়ে কলমের কালির দাগ যে কোনো সময় পড়তে পারে। আর এমন ঘটনা যখন ঘটে তখন সবারই মন খারাপ হয়ে যায়, এটিই স্বাভাবিক নিয়ম। আমাদের অনেক সময় এই সম্যসার সম্মুখীন হতে হয়। কাপড়ে একবার কলমের দাগ লাগলে সেটা পুরোপুরিভাবে দূর করা বেশ কষ্টের ব্যাপার। সঠিকভাবে এই দাগ তোলার ব্যবস্থা করতে না পারলে কালির দাগ স্থায়ী হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে কাপড় ফেলে দেওয়া ছাড়া আর কোন উপায় থাকে না। আজ জেনে নেই কিভাবে কার্যকরীভাবে কালির দাগ তুলবেন।
# কালির দাগ লাগলে সেটা কখনও ঘষবেন না। এতে দাগ আরও ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। যেস্থানে কালির দাগ লেগেছে, সেখানে কিছু পরিমাণ সাদা টুথপেষ্ট লাগিয়ে রাখুন। ১৫/২০ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। ধোয়ার সময় ব্রাশ দিয়ে আলতভাবে ঘষুণ। দেখবেন দাগ বেশ হালকা হয়ে গেছে।


# আরেকটি পদ্ধতি হলো কালি লাগা অংশটুকু কাঁচা দুধে কিছু সময় ভিজিয়ে রাখতে পারেন। কিছুক্ষণ পর সাধারণ কাপড় কাচা ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে করে দেখবেন আস্তে আস্তে কালির দাগ হালকা হয়ে আসবে।

# কিছু পরিমাণ গ্লিসারিন নিয়ে সামান্য গ…

লিভার রোগ ও তা ভালো রাখার উপায়

ইংরেজি ‘Liver’ শব্দটির বাংলা অর্থ ‘যকৃত’ তবে আমরা একে লিভার বললেই বেশি চিনি। মেরুদণ্ডী ও অন্যান্য কিছু প্রাণীদেহের এই অঙ্গটি প্রাণীদেহের বিপাকে ও অন্যান্য কিছু শারীরিক কাজে প্রধান ভূমিকা পালন করে। গ্লাইকোজেনের সঞ্চয়, প্লাজমা প্রোটিন সংশ্লেষণ, ওষুধ বা অন্যান্য রাসায়নিক নির্বিষকরণে এর ভূমিকা অপরিহার্য।

লিভার দেহের বৃহত্তম গ্রন্থি। এটি মধ্যচ্ছদার নিচের অংশে অবস্থিত। যকৃতে পিত্ত উৎপন্ন হয়, পিত্ত একধরনের ক্ষারীয় যৌগ যা পরিপাকে সহায়তা করে, বিশেষত স্নেহজাতীয় খাদ্যের ইমালসিফিকেশন। এছাড়াও লিভার দেহের আরও বিভিন্ন জৈব-রাসায়নিক প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। লিভার ২টি খন্ডে বিভক্ত,ডান এবং বাম।
লিভারের ওজনের পাঁচ থেকে দশ ভাগের বেশি চর্বি দিয়ে পূরণ হলে যে রোগটি হয় তাকে ফ্যাটি লিভার বলে। লিভারে জমা চর্বি অনেক সময় স্থানীয় প্রদাহ সৃষ্টি করে এবং এ প্রদাহ থেকে কিছুসংখ্যক রোগীর লিভার সিরোসিস, এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে লিভার ক্যান্সারও হতে পারে। প্রাথমিক অবস্থায় এই রোগের কোনো উপসর্গ থাকে না, অন্য রোগের পরীক্ষা করার সময় সাধারণত রোগটি ধরা পড়ে। কখনো কখনো পেটের উপরিভাগের ডানদিকে ব্যাথা,অবসন্নতা, ক্…

৮৭ ভাগ খেজুরেই রয়েছে বিষাক্ত ফরমালিন!

রমজান মাসে মুসুল্লীরা যে খাবারটিকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকে তা হল খেজুর। রমজানে খেজুরের চাহিদা থাকে সবচেয়ে বেশি। কিন্তু এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ীরা বেশি লাভের আশায় খেজুরে মিশিয়ে যাচ্ছে বিষাক্ত ফরমালিন। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে ৮৭ ভাগ খেজুর ও ৮ ভাগ আমে বিষাক্ত ফরমালিনের উপস্থিতি রয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা)। শনিবার রাজধানীর কলাবাগানে পবার কার্যালয়ে বিষাক্ত ফরমালিন ব্যবহারের বর্তমান পরিস্থিতি জানারে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজনে এসব তথ্য জানানো হয়।

পবার সাধারণ সম্পাদক আবদুস সোবহানের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, পবার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ডা. লেলিন চৌধুরী, সমন্বয়কারী আতিক মোরশেদ, মডার্ন ক্লাবের সভাপতি আবুল হাসনাত, বিসিএইচআরডির নির্বাহী পরিচালক মাহবুল হক প্রমুখ।
এসময় নির্বাহী সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুস সোবহান জানান, গত ৭ থেকে ১৭ জুন পর্যন্ত ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে আমের ৫১টি, জামের ৬টি, লিচুর ৮টি, আপেলের ৬টি, আঙ্গুরের ৪টি, মালটার ৮টি, আনারসের ২টি ও খেজুরের ৮টিসহ মোট ৯৩টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে ৮ শতাংশ আমের এবং ৮৭ শতাংশ খেজুরের নমুনায় ফরমালিন পাওয়া গেছে। তবে অন্…

ডায়াবেটিসসহ নানান রোগে তেতো করলা যেভাবে খাবেন

করলা স্বাদে তিতা হলেও স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই উপকারি। ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগে করলার ভেষজ গুণ বেশি। জ্বর ও শরীরের কোনো অংশ ফুলে গেলে সে ক্ষেত্রে করলা ভালো পথ্য। তা ছাড়া করলার তরকারি বায়ুবৃদ্ধিতে, বাতে, লিভারে ও প্লীহার রোগে এবং ত্বকের অসুখে উপকার দেয়। নিয়মিত খেলে এটি জ্বর, হাম ও বসন্ত হওয়ার আশঙ্কা কমিয়ে দেয়। করলা এ উচ্ছে আকারে বড় ও ছোট হলেও গুণের দিক থেকে একই। তাই ভেষজ হিসেবে ব্যবহারের কথা উভয়ের ক্ষেত্রে একসাথে দেয়া হলো।
বাতরক্ত :
এ ক্ষেত্রে চার চা-চামচ করলা বা উচ্ছে পাতার রস একটু গরম করে সেই সাথে এক-দেড় চা চামচ বিশুদ্ধ গাওয়া ঘি মিশিয়ে ভাতের সাথে খেতে হয়।

পিত্ত শ্লেষ্মাজনিত রোগ :
অনেক সময় ম্যালেরিয়া জ্বরেও পিত্ত শ্লেষ্মার বিকার হয়। এর প্রধান উপসর্গ হলো, শরীর কামড়ানি, পিপাসা ও বমি; এ ক্ষেত্রে উচ্ছে বা করলার পাতার রস এক চা চামচ একটু গরম করে অথবা গরম পানির সাথে মিশিয়ে সারা দিনে ২-৩ বার করে খেলে জ্বরের উপসর্গগুলো চলে যাবে ও জ্বরের প্রকোপও কমে যাবে।
গুঁড়ো কৃমি এ ক্ষেত্রে উচ্ছে বা করলার পাতার রস বয়স্ক হলে ১-২ চা চামচ এবং শিশু হলে আধা চা চামচ সকালে ও বিকেলে অল্প পানি মিশিয়ে খেতে হয়।

প্লীহা রোগে…

জেনে নিন কিভাবে আলু দিয়ে সাদা চুলকে কালো করবেন?

সঠিক পুষ্টির অভাবে কম বয়সেই চুল পেকে যায়। বিশেষ করে ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি, কপার, মিনারেল, জিঙ্ক ও আয়রনের অভাবে এ সমস্যা দেখা দেয়। সে সঙ্গে জীবনযাপনে অনিয়ম, খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন ও দুশ্চিন্তার কারণেও চুল দ্রুত পেকে যায়।

এ সমস্যার সমাধান করতে পারে খুবই সাধারণ একটি প্রাকৃতিক উপাদান, আর তা হলো আলু! কীভাবে আলুর সাহায্যে সাদা চুল কালো করে ফেলবেন, তার বিস্তারিত মেটা গার্লি ওয়েবসাইটের এই পরামর্শ একবার দেখে নিতে পারেন।
যেভাবে তৈরি করবেন
প্রথমে পাঁচটি আলুর খোসা ছাড়িয়ে নিন। এবার একটি প্যানে দুই গ্লাস পানি নিন। এখন এতে আলুর খোসা দিয়ে গরম করুন। পানি ফুটতে শুরু করলে পাঁচ মিনিট রান্না করুন। এবার চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করুন। এর পর একটি বাটিতে এই মিশ্রণ ছেঁকে আলুর খোসা ফেলে দিন। আপনি চাইলে এর মধ্যে দুই-এক ফোঁটা রোজমেরি অথবা ল্যাভেন্ডার অয়েল দিতে পারেন।

যেভাবে ব্যবহার করবেন :- প্রথমে চুল ভালো করে ধুয়ে নিন। এবার এই মিশ্রণ দিয়ে মাথায় হালকাভাবে ম্যাসাজ করুন। আধা ঘণ্টা রেখে দিন। এরপর পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন, কয়েক দিন ব্যবহারেই আপনার সাদা চুল কালো হয়ে যাবে।

জাকির নায়েকের লেকচার শুনে ৮ ব্যক্তির ইসলাম গ্রহণ

দু্বাই: ইসলামী চিন্তাবিদ ড. জাকির নায়েকের আলোচনা শুনে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাসকারী ৮ ব্যক্তি স্বেচ্চায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন।

শুক্রবার সেখানকার রশিদ বিন মোহাম্মদ রমজান গ্যাদারিং-এ বিভিন্ন দেশের ১৫ হাজারেরও বেশি নারী পুরুষের প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছিলেন ড. জাকির নায়েক।

ভারতীয় এই ইসলামি চিন্তাবিদ দু’ঘন্টা ধরে তার বক্তব্য রাখেন। তার আলোচনা শুনে আটজন ব্যক্তি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। এর মধ্যে ৫ জন পুরুষ ও তিনজন নারী।
অনলাইন খালিজ টাইমস লিখেছে, ধর্মান্তরিত হয়ে মুসলিম হওয়া এসব মানুষ ভারত, ফিলিপাইন, উগান্ডা, নাইজেরিয়ার। ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত দর্শক ও শ্রোতারা ইসলাম, খিস্ট্রান ধর্ম ও হিন্দু ধর্ম নিয়ে ড. জাকির নায়েকের কাছে প্রশ্ন তুলে ধরেন।

বৃহস্পতিবার তিনি বক্তব্য রাখেন ‘মিডিয়া অ্যান্ড ইসলাম’ বিষয়ের ওপর। এতে ড. জাকির নায়েক বলেন, আন্তর্জাতিক মিডিয়া ইসলামের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে।

যেসব অ্যাপস মোবাইল ফোনের জন্য বিপদ

স্মার্টফোনে রকমারি অ্যাপ ডাউনলোড করা এখন অনেকেরই শখ। কিন্তু সাধ মেটাতে গিয়ে নিজের জন্যই বিপদ ডেকে আনছেন আপনি? বন্ধুর বেশে অনেক অ্যাপ আপনাকে বিপাকে ফেলতে অপেক্ষা করছে। সাবধান না হলে আপনি ট্র্যাকড ও হ্যাকড হতেই পারেন। এরকমই সাতটি বিপজ্জ্বনক অ্যাপের তথ্য দেওয়া হলো:

QuickPic: ফটো গ্যালারি শেয়ার করতে এই অ্যাপের জুড়ি মেলা ভার। কিন্তু সহজে ব্যবহারযোগ্য এই অ্যাপ কিন্তু বন্ধুর বেশে আপনার সর্বনাশের জন্য ওঁত পেতে আছে। অ্যাপ ডাউনলোড করার সঙ্গে সঙ্গে কোম্পানি ব্যবহারকারীর সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করতে শুরু করে।

ES File Explorer: এই ফ্রি ভার্শন ডাউনলোড করতেই আরও কিছু সহযোগী অ্যাপ ডাউনলোড করার ক্রমাগত বার্তা আপনার জীবন অতিষ্ঠ করে তুলবে।
UC Browser: ভারত ও চীনের বাজারে অ্যানড্রয়েড ওয়েব ব্রাউজারে সবচেয়ে জনপ্রিয় অ্যাপ হল এটি। তাদের দাবি তারা আপনার স্মার্টফোনে তুলনামূলক কম জায়গায় বেশি ডেটা সেভ করতে পারে। কিন্তু একই সঙ্গে এরা আপনার গতিবিধির ওপর নজর রেখে চলে।

CLEAN it: ভুলেও কখনও আপনার অ্যানড্রয়েড ফোনে এই অ্যাপ ডাউনলোড করবেন না। এই অ্যাপ ফোনের স্পিড কমিয়ে দেয়, ব্যাটারি ব্যবহার বাড়ায়।

Music Playe: নামেই স্পষ্ট এই অ…

চিংড়ি মাছ থেকে সাবধান !! খাওয়ার আগে দেখুন ভিডিওটি

চিংড়ি তো আমাদের সবারই খুব পছন্দ। আর বড় চিংড়ি গুলো খেতে বেশি মজা। তাই তো এই গুলো খাই দোপেয়াজ, চিংড়ি মালাইকারী আরও কত কি। কিন্তু এখন চিংড়ি খাওয়ার আগে সাবধান! চিংড়ি মাছ কিনে এখন থেকে অবশ্যই অবশ্যই চেক করে নিবেন মাছে কিছু আছে কিনা।

চিংড়ি বিক্রেতারা চিংড়ি মাছে সিলিকন জেলি ভরে ওজন বাড়ায়।এই সিলিকন জেলি সহ মাছ রান্না করে খাওয়া হলে অবশ্যই কিডনি নষ্ট হবে… ক্যান্সার এর মতো রোগ হওয়া টা ও অদ্ভুত কিছু নয়।
এই বিষয়টি তুলে ধরেছেন Azad Nasreen আপু। সবাইকে তার মত সতর্ক হতে হবে।

ধন্যবাদ Azad Nasreen কে এই বিষয় টা তুলে ধরার জন্য… সরকারের প্রতি অনুরধ এই বিষয় টি নজর দেয়ার জন্য… সবাই বিষয় টি শেয়ার করুন… সচেতন করুন সবাইকে… এই সব অসৎ ব্যবসায়ীকে প্রতিরোধ করুন…

নতুন চুল গজাতে কীভাবে মাথায় পেঁয়াজের রস ব্যবহার করবেন?

আমরা সবাই জানি, পেঁয়াজের রস Onion Juice নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে, চুলপড়া কমায় এবং চুলের গোড়া শক্ত করে। কিন্তু অনেকেই জানি না কীভাবে মাথায় পেঁয়াজের রস ব্যবহার করবেন। এই রসের সঙ্গে অন্য প্রাকৃতিক উপাদান মেশালে এর কার্যকারিতা কয়েকগুণ বেড়ে যায়।

১. পেঁয়াজ কেটে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। এবার এর রস বের করে নিয়ে মাথার ত্বকে লাগান। ৩০ থেকে ৪০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।
২. পেঁয়জের রসের সঙ্গে হালকা গরম পানি মিশিয়ে নিন। গোসলের পর এই পানি দিয়ে মাথা ভালো করে ধুয়ে নিন। একদিন পর শ্যাম্পু করে ফেলুন। এতে মাথা head থেকে পেঁয়াজের গন্ধ আসতে পারে। তবে চুলের জন্য এই পানি বেশ উপকারী।

৩. পেঁয়াজের রসের সঙ্গে নারকেল তেল ও কয়েক ফোটা এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে মাথার ত্বকে লাগান। এক ঘণ্টা পর শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন।

৪. দুই চা চামচ পেঁয়াজের রসের সঙ্গে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে মাথার ত্বকে লাগান। ১৫ থেকে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত একদিন এই প্যাক মাথায় লাগান।

৫. পেঁয়াজ বেটে এর সঙ্গে অলিভ অয়েল মিশিয়ে মাথার ত্বকে লাগান। দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করুন। এবার শ্যাম্…

বিষাক্ত কেমিক্যালে তৈরি কয়েলের মোড়কে বিএসটিআইয়ের সিল

সাভার থেকে সাভারে প্রশাসনের নাকের ডগায় কোন প্রকার অনুমোদন ছাড়াই গড়ে উঠেছে মশার কয়েল তৈরির কারখানা। গত বুধবার রাতে পৌর এলাকার রাজাবাড়ী মহল্লায় অবৈধ মশার কয়েল তৈরির কারখানার সন্ধান পাওয়া গেছে। যেখানে কাজ করছে ১০ থেকে ১৪ বছরের শিশুরা। ‘জারা ক্যামিক্যাল ওয়ার্কস এন্ড ইলেকট্রিক’ নামের এ কারখানাটিতে ১০টি নামে কয়েল উৎপাদন করে বাজারজাত করছে। অথচ কোন অনুমোদনই নেই কারখানাটির। 
প্রতিটি প্যাকেটের মোড়কে ‘বিএসটিআই’ সিল ব্যবহার করলেও নেই বিএসটিআই-এর কোন অনুমোদন। শিশু শ্রমিকদের দিয়ে মাত্রারিক্ত বিষাক্ত ডি-এলেথ্রিন মিশিয়ে নিম্নমানের উৎপাদিত এইসব কয়েল স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হওয়ায় এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে কারখানাটির আশপাশের বাসিন্দারা।  স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কোন সাইনবোর্ড ছাড়াই কারখানাটিতে বিষাক্ত ডি-এলেথ্রিন মিশিয়ে অতি গোপনে দিনে ও রাতে মশার কয়েল তৈরি করা হচ্ছে। উৎপাদিত মশার কয়েলের বিষাক্ত গন্ধে শ্বাস প্রশ্বাসে সমস্যা দেখা দিলে আশপাশের বাসিন্দাদের সন্দেহ হয়। স্থানীয়দের অভিযোগের প্রেক্ষিতে অনুসন্ধান করে সরজমিনে কারখানাটিতে গিয়ে দেখা যায়, ছোট ছোট শিশুরা কাজ করছ…

ব্যথা দূর করে দেবে প্রাকৃতিক এই পেইনকিলারগুলো

বিভিন্ন কারণে শরীরে ব্যথা হতে পারে। বিশেষত মাথাব্যথা সময় নেই, কারণ নেই হঠাৎ করে শুরু হয়ে যেতে পারে। আবার একটু বেশি হাঁটলেন শুরু হতে পারে পা ব্যথা। যেকোন ব্যথা থেকে মুক্তির জন্য আমরা পেইনকিলারে শরণাপন্ন হয়ে থাকি। কিন্তু এই পেইনকিলার শরীরের জন্য বেশ ক্ষতিকর। ক্ষতিকর পেইনকিলার খাওয়ার পরিবর্তে যদি প্রাকৃতিক পেইনকিলার খেয়ে ব্যথা কমানো যায়, তবে কেমন হয় বলুন তো? যন্ত্রণাদায়ক ব্যথা দূর করার প্রাকৃতিক পেইন কিলার আপনার রান্নাঘরে মজুদ আছে! আজ তাহলে পরিচিত হয়ে নিন প্রাকৃতিক এই পেইনকিলারগুলোর সাথে।

১. হলুদ হলুদ বুক জ্বালাপোড়া, অস্থির ব্যথা এবং ইনফ্লামেশন দূর করে দেয়। হলুদের কিউমিন, অ্যান্টি- ইনফ্লামেটরি উপাদান ব্যথা, প্রদাহ দূর করতে সাহায্য করে। তবে উচ্চ মাত্রায় দীর্ঘদিন হলুদ সেবন শরীরের জন্য ক্ষতিকর হয়। এমনকি গলব্লাডারের সমস্যা আছে, এমন রোগীরা হলুদ খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত।
২. আদা এক গবেষণায় দেখা গেছে আদা পেট ব্যথা, বাতের ব্যথা দূর করতে বেশ কার্যকরী। গরম পানিতে আদা কুচি দিয়ে জ্বাল দিন। এটি বরফের ছাঁচে ঢেলে দিন। তারপর আদা পানির বরফ সারাদিন খান। এটি পেটের ব্যথা কমিয়ে দিবে। গর্ভকালীন সময় অথবা সার্জা…

পোলট্রি খামারে পায়ে দলে তৈরি হচ্ছে লাচ্ছা সেমাই

বগুড়ার সোনাতলা উপজেলায় ঈদের আগে ২০ থেকে ২৫টি কারখানায় অস্বাস্থ্যকর ও ঘিঞ্জি পরিবেশে তৈরি হচ্ছে নিম্নমানের লাচ্ছা সেমাই। বিএসটিআইয়ের অনুমোদনহীন এসব মৌসুমি কারখানায় শ্রমিকেরা পা দিয়ে দলে লাচ্ছার খামির তৈরি করছেন।
এদিকে উপজেলা সদরের স্টেডিয়াম-সংলগ্ন নির্মাণাধীন একটি পোলট্রি খামারে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে একইভাবে লাচ্ছা সেমাই তৈরি করা হচ্ছে।
স্থানীয় লোকজন অভিযোগ করেন, তৌফিকুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি নির্মাণাধীন পোলট্রি খামারের শেডে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে লাচ্ছা সেমাই তৈরি করছেন। সাত-আটজন প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কারখানায় কাজ করছেন। এর মধ্যে চার-পাঁচজন পায়ে দলে ময়দার খামির তৈরি করছেন।
এভাবে খামির তৈরি করার সত্যতা স্বীকার করে কারখানার মালিক তৌফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, পোলট্রি খামারের জন্য শেডটি তৈরি করা হয়েছে। ঈদের মৌসুম ঘনিয়ে আসায় বাড়তি কিছু আয়-রোজগারের জন্য সেখানে অস্থায়ীভাবে লাচ্ছা কারখানা স্থাপন করা হয়েছে। আটজন কারিগর দিনে ১০-১২ মণ লাচ্ছা তৈরি করছেন। মৌসুমি কারখানা, তাই তার পক্ষে যন্ত্রের মাধ্যমে খামির করা সম্ভব হচ্ছে না।
তিনি বলেন, এলাকার প্রায় সব কারখানাতেই পা দিয়ে দলে খামির ক…

আমের পাতার অসাধারণ ৭ টি স্বাস্থ্য উপকারিতা…

আম খেতে সবাই পছন্দ করে। আমের স্বাস্থ্য উপকারিতার বিষয়েও কারো সন্দেহ নেই। কিন্তু আম পাতাও স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারি যা আনেকেই জানেন না। আম পাতা ভিটামিন, এনজাইম, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং খনিজ উপাদানে ভরপুর। আম পাতায় মেঞ্জিফিরিন নামক সক্রিয় উপাদান থাকে যার অপরিমেয় স্বাস্থ্য উপকারিতা আছে। কচি আমের পাতা সিদ্ধ করে সেই পানি পান করা বা পাতা গুরু করে খাওয়া যায়। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে বিভিন্ন রোগ নিরাময়ে আম পাতার ব্যবহার বর্ণনা করা হয়েছে। আম পাতার স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলো সম্পর্কে জেনে নিই চলুন।

১. ডায়াবেটিস নিরাময়ে কচি আমের পাতায় ট্যানিন নামক অ্যান্থোসায়ানিডিন থাকে যা প্রারম্ভিক ডায়াবেটিস নিরাময়ে খুবই কার্যকরী। আম পাতা শুকিয়ে গুঁড়ো করে একটি বৈয়মে রেখে দিন। প্রতিদিন ১ চামচ আমপাতার গুঁড়ো গরম পানিতে সিদ্ধ করে চায়ের মত পান করতে পারেন অথবা তাজা পাতা পানিতে ভিজিয়ে সারারাত রেখে দিন, সকালে পানিটি ছেঁকে নিয়ে পান করুন। ডায়াবেটিসের সূত্রপাত হয়েছে এমন রোগীদের জন্য আম পাতা অনেক উপকারি। শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে ও হাইপারগ্লাইসেমিয়া কমাতে সাহায্য করে কচি আমপাতা।
২. হাইপারটেনশন কমায় আম পাতায় হাইপোট্যান্সিভ উ…