সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ছেলে এবং মেয়ে শিশুর জন্য কিছু সুন্দর ইসলামিক নাম জেনে নিন

লাবীব (لبيب-বুদ্ধিমান),

রাযীন (رزين-গাম্ভীর্যশীল),

রাইয়্যান (ريَّان-জান্নাতের দরজা বিশেষ),

মামদুহ (مَمْدُوْح-প্রশংসিত),

নাবহান (نَبْهَان- খ্যাতিমান),

নাবীল (نَبِيْل-শ্রেষ্ঠ),

নাদীম (نَدِيْم-অন্তরঙ্গ বন্ধু),

ইমাদ (عِمَاد- সুদৃঢ়স্তম্ভ),

মাকহুল (مكحول-সুরমাচোখ),

মাইমূন (مَيْمُوْن- সৌভাগ্যবান),

তামীম (تَمِيْم-দৈহিক ও চারিত্রিকভাবে পরিপূর্ণ),

হুসাম (حُسَام-ধারালো তরবারি),

(بَدْرٌ-পূর্ণিমার চাঁদ),

হাম্মাদ (حَمَّادٌ-অধিক প্রশংসাকারী),

হামদান (حَمْدَانُ-প্রশংসাকারী),

সাফওয়ান (صَفْوَانُ-স্বচ্ছ শিলা),

গানেম (غَانِمٌ-গাজী, বিজয়ী),

খাত্তাব (خَطَّابٌ-সুবক্তা),

সাবেত (ثَابِتٌ-অবিচল),

জারীর (جَرِيْرٌ- রশি),

খালাফ (خَلَفٌ- বংশধর),

জুনাদা (جُنَادَةُ- সাহায্যকারী),

ইয়াদ (إِيَادٌ-শক্তিমান),

ইয়াস (إِيَاسٌ-দান),

যুবাইর (زُبَيْرٌ- বুদ্ধিমান),

শাকের (شَاكِرٌ-কৃতজ্ঞ),

আব্দুল মুজিব (عَبْدُ الْمُجِيْبِ- উত্তরদাতার বান্দা),

আব্দুল মুমিন (عَبْدُ الْمُؤْمِنِ- নিরাপত্তাদাতার বান্দা),

কুদামা (قُدَامَةُ- অগ্রণী),

সুহাইব (صُهَيْبٌ-যার চুল কিছুটা লালচে) ইত্যাদি।
মেয়ে শিশুর কিছু সুন্দর নাম

রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রীবর্গ তথা উম্মেহাতুল মুমিনীন এর নাম:

খাদিজা (خَدِيْجَةُ),

সাওদা (سَوْدَةُ),

আয়েশা (عَائِشَةُ),

হাফসা (حَفْصَةُ),

যয়নব (زَيْنَبُ),

উম্মে সালামা (أُمِّ سَلَمَة),

উম্মে হাবিবা (أُمِّ حَبِيْبَة),

জুওয়াইরিয়া (جُوَيْرِيَةُ), সাফিয়্যা (صَفِيَّةُ)।

রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কন্যাবর্গের নাম:


ফাতেমা (فَاطِمَةُ),

রোকেয়া (رُقَيَّةُ),

উম্মে কুলসুম (أُمُّ كلْثُوْم)।

আরো কিছু নেককার নারীর নাম-

সারা (سَارَة),

হাজেরা (هَاجِر),

মরিয়ম (مَرْيَم)।


মেয়েদের আরো কিছু সুন্দর নাম-

ছাফিয়্যা (صَفِيَّةُ),

খাওলা (خَوْلَةُ),

হাসনা (حَسْنَاء-সুন্দরী),

সুরাইয়া (الثُّرَيا-বিশেষ একটি নক্ষত্র),

হামিদা (حَمِيْدَةُ-প্রশংসিত),

দারদা (دَرْدَاءُ),

রামলা (رَمْلَةُ– বালিময় ভূমি),

মাশকুরা (مَشْكُوْرَةٌ-কৃতজ্ঞতাপ্রাপ্ত),

আফরা (عَفْرَاءُ-ফর্সা)।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…

আঁচিল ঝরান প্রাকৃতিক উপায়ে

আঁচিলের কারণে অনেক সময় সৌন্দর্যে ভাটা পড়ে। শরীরের নানা স্থানে আঁচিল হতে দেখা যায়।এটি সাধারণত কালো, বাদামী, লাল, গোলাপি রঙের হয়ে থাকে। একেক জনের ক্ষেত্রে এর আকার, আকৃতি ভিন্ন ভিন্ন রকম হয়। এটি অনেক সময় এমনিতেই সেরে যায়। অনেক সময় রয়ে যায় স্থায়ী দাগ হয়ে। আঁচিল দূর করা যায় দুই ভাবে। সার্জিক্যালি এবং প্রাকৃতিক উপায়ে। আঁচিল সমস্যা সমাধানে কয়েকটি নিরাপদ ঘরোয়া উপায় জেনে রাখা ভালো। নিজের এবং অন্যের প্রয়োজনে যেকোনো সময় কাজে দিতে পারে।
অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার খুবই পরিচিত একটি নাম। দিনে দু’বার আঁচিলের ওপর তুলোয় করে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চোখের পাতায় যদি লাগান খেয়াল রাখুন যাতে ভেতরে না যায়। নিয়মটি অনুসরণ করুন ২-৪ সপ্তাহ। আঁচিল ঝরে পড়বে।
ক্যাস্টর ওয়েল এবং বেকিং সোডা একসাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে আঁচিলের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকালে ধুয়ে নিন। সবচেয়ে ভালো ফল পেতে রাতে লাগিয়ে রেখে সকালে ধুয়ে নেবেন। দ্রুত আঁচিল করার জন্য টি ট্রি ওয়েল অত্যন্ত কার্যকরী। সুপার শপ বা শপিং মলে এই তেল পাওয়া যায়। ভেজা তুলায় ক’ফোঁটা টি ট্রি ওয়েল নিয়ে আঁচিলের ওপর মিনিট দশেক লাগ…