সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণে কেমোথেরাপির চেয়ে ১০ হাজার গুণ শক্তিশালী ফল এখন নীলফামারীতে

বন্দর খড়িবাড়ী গ্রামে এ্যানোনা মিউরিকাটা গোত্রের ক্যান্সার প্রতিরোধক ফল করোসল (corossol) ধরেছে। এই ফলের গাছ সংগ্রহ করা হয়েছিল আইভরিকোস্ট থেকে। সংগ্রহ করা ছয়টি গাছের মধ্যে একটি গাছে ফল ধরেছে। যা প্রচার পাওয়ায় ওই ফলটি এক নজর দেখতে ভিড় করছে মানুষজন। দুই একর জমির ওই বাগানে মানবদেহের জন্য উপকারী এমন দুই শতাধিক ঔষধি ও ফলজ গাছ রয়েছে। ‘করোসল’ অনেক দেশেই ক্যান্সার প্রতিরোধক ফল হিসেবে পরিচিত। নীলফামারীর খড়িবাড়ী গ্রামের ঔষধি ও ফলজ বাগানের মালিক বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আলমাস রাইসুল গনি। বিভিন্ন দেশ ঘুরে চারা সংগ্রহ করে নিয়ে এসে তিনি বাগানটি তৈরি করেছেন।

গ্রাভিওলা একটি ফলের নাম। যার অন্য নাম করোসেল (corossol), সাওয়ারসপ(Soursop), গুয়ানাবা( Guanaba), গুয়ানাভানা(Guanavana), ব্রাজিলিয়ান পাও পাও (Brazilian paw paw) ইত্যাদি। এই ফলটি পৃথিবীকে আশ্চর্য করে দিয়েছে। ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধে এই ফলটি কেমোথেরাপির চেয়ে হাজারগুণ বেশী কাজ করে। এবং এটিতে শরীরের শক্তিও জোগাড় হয়। গ্রাভিওলা ফলের স্বাস্থ্য উপকারিতা নিয়ে বহু প্রবন্ধ, নিবন্ধ লেখা হচ্ছে। এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্রাভিওলা গাছ দক্ষিণ আমেরিকা , কিউবা, মেক্সিকো, সেন্ট্রাল আমেরিকা, বিশেষ করে, আমাজান নদী অববাহিকায় দেখা যায়। এটি ১৫ থেকে ৩০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়। আর এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি উপাদান।
গ্রাভিওলা ফলে রয়েছে বেশ উপকারিতা। এর পাতা, বাকর, রস, বীজ ভিন্ন ভিন্ন উপকারে আসে। তবে এর বাকল ও পাতায় রয়েছে সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্য উপকারিতা। হাজার বছর ধরে লিভার সমস্যা, বাত থেকে প্যারাসাইট এর মতো রোগ নিরাময়ে ঔষধ হিসেবে গ্রাভিওলার পাতা ও বাকল খেয়ে আসছে আমাজানের বাসিন্দারা।

গ্রাভিওলা আম্লিক ফল হিসেবেও পরিচিত। বলা হচ্ছে- ক্যান্সার সেলের মৃত্যু ঘটাতে কেমোথেরাপির চেয়ে এটি ১০ হাজার গুণ বেশি শক্তিশালী। বিশেষ করে স্তন ক্যান্সার, ফুসফুস ক্যান্সার, প্যানক্রিয়াটিক ক্যান্সার, লিভার ক্যান্সার, প্রসটেট ক্যান্সারে এটা বেশী কার্যকর।

কিভাবে এটি কাজ করে?
করোসেল গাছের পাতা, বাকল ও বীজের নির্যাসে রয়েছে আনোনাসিয়াস এসেটোজেনিন (Annonaceous acetogenin) নামক এক ধরনের যৌগ, যা কিনা ক্যান্সার কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধিতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। এটি ক্যান্সার কোষে শক্তি সরবরাহ বন্ধ করে দেয় এবং রক্ত প্রবাহ আটকে দেয়। ফলে ক্যান্সার কোষ আর অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে পারেনা। তবে এ নিয়ে সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। তারা গ্রাভিওলার অন্য উপকারিতার উপর বেশী জোর দিয়েছেন। তারা বলছেন, গ্রাভিওলা গোটা রোগ প্রতিরোধ বাবস্থাকে সমর্থন করে। শরীরে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখে। অল্প বয়সে বার্ধক্য প্রতিরোধ করে। এছাড়াও এই ফলের নির্যাস আথ্রাইটিস পেইন, জয়েন্ট পেইন, নাকের প্রদাহ, আক্সিমা প্রতিরোধে ব্যবহার করা হয়।

এখন দেখার বিষয় নীলফামারীর এই মহা উপকারী ফল কিভাবে রোগ নিরাময়ের জন্য ব্যবহার করা হয়। নিজ উদ্যোগে শতাধিক ঔষধি গাছের পাশাপাশি করোসলের ফলনে কর্নেল আলমাস রাইসুল গনির বাগানটি বাংলাদেশের মডেল বাগান হিসেবে বিশেষ ভূমিকা রাখবে এটাই সবার প্রত্যাশা

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিয়মিত ঘৃতকুমারী রস পানের ৭টি বিস্ময়কর উপকারিতা

অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী অতি পরিচিত একটি উদ্ভিদের নাম। বহুগুণে গুণান্বিত এই উদ্ভিদের ভেষজ গুণের শেষ নেই। এতে আছে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, ফলিকঅ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড ও ভিটামিনএ, বি৬,বি২ ইত্যাদি। অ্যালোভেরার জেল রুপচর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য রক্ষায় ব্যবহার হয়ে আসছে। অনেকেই অ্যালোভেরা জুস পান করে থাকেন। আপনি জানেন কি প্রতিদিন অ্যালোভেরা জুস পান করার উপকারিতা?

১। হার্ট সুস্থ রাখতে :- আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা জুস। অ্যালোভেরা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এটি দূষিত রক্ত দেহ থেকে বের করে রক্ত কণিকা বৃদ্ধি করে থাকে। এটি দীর্ঘদিন আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে থাকে।

২। মাংসপেশী ও জয়েন্টের ব্যথা প্রতিরোধ :- অ্যালোভেরা মাংসপেশীর ব্যথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। এমনকি ব্যথার স্থানে অ্যালোভেরা জেলের ক্রিম লাগালে ব্যথা কমে যায়।

৩। দাঁতের যত্নে :- অ্যালোভেরা জুস দাঁত এবং মাড়ির ব্যথা উপশম করে থাকে। এতে কোন ইনফেকশন থাকলে তাও দূর করে দেয়। নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস খাওয়ার ফলে দাঁত ক্ষয় প্রতিরোধ করা সম্ভব। ৪। ওজন হ্রাস করতে :- ওজন কমাতে অ…

পুরুষত্বহীনতা, অকাল বীর্যপাত ও লিঙ্গ উথান সমস্যা দূর করে সুস্থ যৌনজীবন দেয় জাফরান৷

জাফরানের ২০টি ঔষধি গুন বিশ্বের সবচেয়ে দামী মশলা জাফরান। স্যাফরন বা কেশর নামেও এটি পরিচিত৷ এই মশলা নামীদামী অনেক খাবারে ব্যবহৃত হয়। খাবারের স্বাদ, ঘ্রাণ, রঙ বাড়িয়ে তুলতে এই ‘গোল্ডেন স্পাইস’ এর জুড়ি নেই। তবে জাফরানের কাজ শুধু এরমধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। জাফরানের মধ্যে রয়েছে অসাধারণ ঔষধিগুণ। জাফরানে রয়েছে বিস্ময়কর রোগ নিরাময় ক্ষমতা৷মাত্র ১ চিমটে জাফরান আপনাকে প্রায় ২০ টি শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। ১. জাফরানে রয়েছে পটাশিয়াম যা উচ্চ রক্ত চাপ ও হৃদপিণ্ডের সমস্যা জনিতরোগ দূর করে।
২. হজমে সমস্যা এবং হজম সংক্রান্ত যে কোনও ধরনের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে জাফরান।
৩. জাফরানের পটাশিয়াম আমাদের দেহে নতুন কোষ গঠন এবং ক্ষতিগ্রস্থ কোষ সারিয়ে তুলতে সহায়তা করে।
৪. জাফরানের নানা উপাদান আমাদের মস্তিষ্ককে রিলাক্স করতে সহায়তা করে, এতে করে মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা জনিত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷
৫. মেয়েদের মাসিকের অস্বস্তিকর ব্যথা এবং মাসিক শুরুর আগের অস্বস্তি দূর করতে জাফরানের জুড়ি নেই।
৬. নিয়মিত জাফরান সেবনে শ্বাস প্রশ্বাসের নানা ধরণের সমস্যা যেমন অ্যাজমা,পারটুসিস, কাশি এবং বসে যাওয়া কফ দূর করতে…

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…