সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোলট্রি খামারে পায়ে দলে তৈরি হচ্ছে লাচ্ছা সেমাই

বগুড়ার সোনাতলা উপজেলায় ঈদের আগে ২০ থেকে ২৫টি কারখানায় অস্বাস্থ্যকর ও ঘিঞ্জি পরিবেশে তৈরি হচ্ছে নিম্নমানের লাচ্ছা সেমাই। বিএসটিআইয়ের অনুমোদনহীন এসব মৌসুমি কারখানায় শ্রমিকেরা পা দিয়ে দলে লাচ্ছার খামির তৈরি করছেন।
 
এদিকে উপজেলা সদরের স্টেডিয়াম-সংলগ্ন নির্মাণাধীন একটি পোলট্রি খামারে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে একইভাবে লাচ্ছা সেমাই তৈরি করা হচ্ছে।
 
স্থানীয় লোকজন অভিযোগ করেন, তৌফিকুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি নির্মাণাধীন পোলট্রি খামারের শেডে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে লাচ্ছা সেমাই তৈরি করছেন। সাত-আটজন প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কারখানায় কাজ করছেন। এর মধ্যে চার-পাঁচজন পায়ে দলে ময়দার খামির তৈরি করছেন।
এভাবে খামির তৈরি করার সত্যতা স্বীকার করে কারখানার মালিক তৌফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, পোলট্রি খামারের জন্য শেডটি তৈরি করা হয়েছে। ঈদের মৌসুম ঘনিয়ে আসায় বাড়তি কিছু আয়-রোজগারের জন্য সেখানে অস্থায়ীভাবে লাচ্ছা কারখানা স্থাপন করা হয়েছে। আটজন কারিগর দিনে ১০-১২ মণ লাচ্ছা তৈরি করছেন। মৌসুমি কারখানা, তাই তার পক্ষে যন্ত্রের মাধ্যমে খামির করা সম্ভব হচ্ছে না।
তিনি বলেন, এলাকার প্রায় সব কারখানাতেই পা দিয়ে দলে খামির করা হচ্ছে। কোনো কারখানাতেই খামির করার জন্য যন্ত্র নেই।
স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, উপজেলা সদরের মাদ্রাসা মোড়, বালুয়াবাজার, কর্পূর বাজার, সৈয়দ আহম্মদ কলেজ স্টেশন, হরিখালী বাজারসহ উপজেলার সব কারখানাতেই পা দিয়ে দলে লাচ্ছা তৈরি করা হচ্ছে। সোনাতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্যানিটারি কর্মকর্তা মো. লুৎফুল হক বলেন, উপজেলার কোথাও পা দিয়ে দলে লাচ্ছা সেমাই তৈরি হচ্ছে—এমনটা তাঁর জানা নেই।
 
বিএসটিআইয়ের রাজশাহী কার্যালয়ের মাঠ কর্মকর্তা দেবব্রত বিশ্বাস বলেন, বগুড়ায় অস্বাস্থ্যকর লাচ্ছা কারখানার বিরুদ্ধে বিএসটিআইয়ের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
 
দেবব্রত বিশ্বাস আরও বলেন, গত বৃহস্পতিবারও কাহালু উপজেলার শেখাহার সেমাইপল্লির নাঈম-রিমন লাচ্ছা কারখানায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিয়মিত ঘৃতকুমারী রস পানের ৭টি বিস্ময়কর উপকারিতা

অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী অতি পরিচিত একটি উদ্ভিদের নাম। বহুগুণে গুণান্বিত এই উদ্ভিদের ভেষজ গুণের শেষ নেই। এতে আছে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, ফলিকঅ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড ও ভিটামিনএ, বি৬,বি২ ইত্যাদি। অ্যালোভেরার জেল রুপচর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য রক্ষায় ব্যবহার হয়ে আসছে। অনেকেই অ্যালোভেরা জুস পান করে থাকেন। আপনি জানেন কি প্রতিদিন অ্যালোভেরা জুস পান করার উপকারিতা?

১। হার্ট সুস্থ রাখতে :- আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা জুস। অ্যালোভেরা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এটি দূষিত রক্ত দেহ থেকে বের করে রক্ত কণিকা বৃদ্ধি করে থাকে। এটি দীর্ঘদিন আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে থাকে।

২। মাংসপেশী ও জয়েন্টের ব্যথা প্রতিরোধ :- অ্যালোভেরা মাংসপেশীর ব্যথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। এমনকি ব্যথার স্থানে অ্যালোভেরা জেলের ক্রিম লাগালে ব্যথা কমে যায়।

৩। দাঁতের যত্নে :- অ্যালোভেরা জুস দাঁত এবং মাড়ির ব্যথা উপশম করে থাকে। এতে কোন ইনফেকশন থাকলে তাও দূর করে দেয়। নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস খাওয়ার ফলে দাঁত ক্ষয় প্রতিরোধ করা সম্ভব। ৪। ওজন হ্রাস করতে :- ওজন কমাতে অ…

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…

পুরুষত্বহীনতা, অকাল বীর্যপাত ও লিঙ্গ উথান সমস্যা দূর করে সুস্থ যৌনজীবন দেয় জাফরান৷

জাফরানের ২০টি ঔষধি গুন বিশ্বের সবচেয়ে দামী মশলা জাফরান। স্যাফরন বা কেশর নামেও এটি পরিচিত৷ এই মশলা নামীদামী অনেক খাবারে ব্যবহৃত হয়। খাবারের স্বাদ, ঘ্রাণ, রঙ বাড়িয়ে তুলতে এই ‘গোল্ডেন স্পাইস’ এর জুড়ি নেই। তবে জাফরানের কাজ শুধু এরমধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। জাফরানের মধ্যে রয়েছে অসাধারণ ঔষধিগুণ। জাফরানে রয়েছে বিস্ময়কর রোগ নিরাময় ক্ষমতা৷মাত্র ১ চিমটে জাফরান আপনাকে প্রায় ২০ টি শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। ১. জাফরানে রয়েছে পটাশিয়াম যা উচ্চ রক্ত চাপ ও হৃদপিণ্ডের সমস্যা জনিতরোগ দূর করে।
২. হজমে সমস্যা এবং হজম সংক্রান্ত যে কোনও ধরনের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে জাফরান।
৩. জাফরানের পটাশিয়াম আমাদের দেহে নতুন কোষ গঠন এবং ক্ষতিগ্রস্থ কোষ সারিয়ে তুলতে সহায়তা করে।
৪. জাফরানের নানা উপাদান আমাদের মস্তিষ্ককে রিলাক্স করতে সহায়তা করে, এতে করে মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা জনিত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷
৫. মেয়েদের মাসিকের অস্বস্তিকর ব্যথা এবং মাসিক শুরুর আগের অস্বস্তি দূর করতে জাফরানের জুড়ি নেই।
৬. নিয়মিত জাফরান সেবনে শ্বাস প্রশ্বাসের নানা ধরণের সমস্যা যেমন অ্যাজমা,পারটুসিস, কাশি এবং বসে যাওয়া কফ দূর করতে…