সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

রক্তে হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধি করবে যে খাবারগুলো

World Health Organization এর মতে সারা বিশ্বে শতকরা ৩০ ভাগ মানুষ অ্যানিমিয়া অথবা রক্তস্বল্পতা সমস্যায় ভুগে থাকেন। আর এটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে হয়ে থাকে আয়রনের অভাবের কারণে। রক্ত কোষে আয়রন সমৃদ্ধ প্রোটিন হল হিমোগ্লোবিন। এর প্রধান কাজ হল ফুসফুস থেকে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে অক্সিজেন পরিবাহিত করা। সাধারণত ১৪-১৮ মিলিগ্রাম একজন পুরুষের এবং ১২-১৬ মিলিগ্রাম একজন নারীর শরীরে হিমোগ্লোবিন থাকা উচিত। মাথা ঘুরানো, দুর্বল লাগা, ক্লান্তি লাগা, খাদ্যে অরুচি, শ্বাস কষ্ট, হার্ট বিট বৃদ্ধি ইত্যাদি হিমোগ্লোবিন কমে যাওয়ার লক্ষণ। ওষুধের পাশাপাশি ঘরোয়া কিছু উপায়ে রক্তে হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধি করা যায়। আসুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক সেই উপায়গুলো। 

১। আমলকী আয়রন, মিনারেল এবং ভিটামিন সি সমৃদ্ধ আমলকী রক্তে হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এটি রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বজায় রেখে শরীরে ভিটামিন সি এর অভাব পূরণ করে থাকে। প্রতিদিন খালি পেটে কয়েকটি আমলকী খাওয়ার অভ্যাস করুন। এটি রক্তে হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে। 

২। বিট একটি বিট, তিনটি গাজর এবং অর্ধেকটা মিষ্টি আলু ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে জুস করে নিন। এটি প্রতিদিন একবার পান করুন। এছাড়া খোসাসহ বিট সিদ্ধ করুন। তারপর এটি খান। খাওয়ার আগে খোসা ছাড়িয়ে নিন। বিটে থাকা আয়রন, ফলিক অ্যাসিড, ফাইবার এবং পটাসিয়াম রক্তে হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধি করে থাকে।
৩। আপেল প্রতিদিন একটি করে আপেল খান, এটি রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ রাখে। আপেল খাওয়ার পরিবর্তে আপেল এবং বিট মিশিয়ে জুস করে পান করতে পারেন। এর সাথে আদা অথবা লেবুর রস মিশিয়ে নিতে পারেন। এটি দিনে দুইবার পান করুন। 

৪। তিল তিল পানিতে ভিজিয়ে রাখুন দুই ঘন্টা। তারপর এটি বেটে পেস্ট করে নিন। এর সাথে এক টেবিল চামচ মধু মেশান। তিল এবং মধুর মিশ্রণটি দিনে দুইবার খান। এছাড়া এক কাপ দুধের সাথে তিলের পেস্ট এবং মধু অথবা গুড় মিশিয়ে পান করুন। এটিও রক্তে হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে। 

৫। ডালিম আয়রন, ক্যালসিয়াম, কার্বোহাইড্রেইড, এবং ফাইবার সমৃদ্ধ ডালিম রক্তে হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধি করে দেহে রক্ত চলাচল সচল রাখে। প্রতিদিন মাঝারি আকৃতির একটি ডালিম খাওয়ার চেষ্টা করুন। অথবা এক গ্লাস ডালিমের রস পান করুন। এছাড়া দুই চা চামচ ডালিমের গুঁড়ো এক গ্লাস গরম দুধের সাথে মিশিয়ে পান করুন। এটি দিনে একবার পান করুন। 

৬। খেজুর এক কাপ দুধে দুটি খেজুর ভিজিয়ে রাখুন সারারাত। পরের দিন সকালে খালি পেটে এটি পান করুন। দুধ খেতে না চাইলে খালি পেটে কয়েকটি খেজুর খেতে পারেন। এছাড়া ১-২টি খেজুর গরম দুধে ২-৩ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন। ঠান্ডা হলে এটি পান করুন। নিয়মিত পানে এটি রক্তে হিমোগ্লোবিন পরিমাণ বৃদ্ধি করবে

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…

আঁচিল ঝরান প্রাকৃতিক উপায়ে

আঁচিলের কারণে অনেক সময় সৌন্দর্যে ভাটা পড়ে। শরীরের নানা স্থানে আঁচিল হতে দেখা যায়।এটি সাধারণত কালো, বাদামী, লাল, গোলাপি রঙের হয়ে থাকে। একেক জনের ক্ষেত্রে এর আকার, আকৃতি ভিন্ন ভিন্ন রকম হয়। এটি অনেক সময় এমনিতেই সেরে যায়। অনেক সময় রয়ে যায় স্থায়ী দাগ হয়ে। আঁচিল দূর করা যায় দুই ভাবে। সার্জিক্যালি এবং প্রাকৃতিক উপায়ে। আঁচিল সমস্যা সমাধানে কয়েকটি নিরাপদ ঘরোয়া উপায় জেনে রাখা ভালো। নিজের এবং অন্যের প্রয়োজনে যেকোনো সময় কাজে দিতে পারে।
অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার খুবই পরিচিত একটি নাম। দিনে দু’বার আঁচিলের ওপর তুলোয় করে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চোখের পাতায় যদি লাগান খেয়াল রাখুন যাতে ভেতরে না যায়। নিয়মটি অনুসরণ করুন ২-৪ সপ্তাহ। আঁচিল ঝরে পড়বে।
ক্যাস্টর ওয়েল এবং বেকিং সোডা একসাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে আঁচিলের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকালে ধুয়ে নিন। সবচেয়ে ভালো ফল পেতে রাতে লাগিয়ে রেখে সকালে ধুয়ে নেবেন। দ্রুত আঁচিল করার জন্য টি ট্রি ওয়েল অত্যন্ত কার্যকরী। সুপার শপ বা শপিং মলে এই তেল পাওয়া যায়। ভেজা তুলায় ক’ফোঁটা টি ট্রি ওয়েল নিয়ে আঁচিলের ওপর মিনিট দশেক লাগ…