সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

৮৭ ভাগ খেজুরেই রয়েছে বিষাক্ত ফরমালিন!

রমজান মাসে মুসুল্লীরা যে খাবারটিকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকে তা হল খেজুর। রমজানে খেজুরের চাহিদা থাকে সবচেয়ে বেশি। কিন্তু এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ীরা বেশি লাভের আশায় খেজুরে মিশিয়ে যাচ্ছে বিষাক্ত ফরমালিন। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে ৮৭ ভাগ খেজুর ও ৮ ভাগ আমে বিষাক্ত ফরমালিনের উপস্থিতি রয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা)। শনিবার রাজধানীর কলাবাগানে পবার কার্যালয়ে বিষাক্ত ফরমালিন ব্যবহারের বর্তমান পরিস্থিতি জানারে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজনে এসব তথ্য জানানো হয়।

পবার সাধারণ সম্পাদক আবদুস সোবহানের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, পবার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ডা. লেলিন চৌধুরী, সমন্বয়কারী আতিক মোরশেদ, মডার্ন ক্লাবের সভাপতি আবুল হাসনাত, বিসিএইচআরডির নির্বাহী পরিচালক মাহবুল হক প্রমুখ।
এসময় নির্বাহী সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুস সোবহান জানান, গত ৭ থেকে ১৭ জুন পর্যন্ত ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে আমের ৫১টি, জামের ৬টি, লিচুর ৮টি, আপেলের ৬টি, আঙ্গুরের ৪টি, মালটার ৮টি, আনারসের ২টি ও খেজুরের ৮টিসহ মোট ৯৩টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে ৮ শতাংশ আমের এবং ৮৭ শতাংশ খেজুরের নমুনায় ফরমালিন পাওয়া গেছে। তবে অন্য ফলগুলোতে ফরমালিন পাওয়া যায়নি।

তিনি আরো বলেন, ঢাকা মহানগরীতে বিভিন্ন দোকানে ফরমালিন ও কেমিক্যালমুক্ত রাজশাহী আমের ব্যানার লাগিয়ে জনগণকে যে প্রতারণা করা হচ্ছে সে বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থার আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন। কেমিক্যাল মিশ্রিত খাবারে ক্যান্সারসহ কিডনি ও লিভারের জটিল রোগ হতে পারে। খাদ্যে ফরমালিন মেশানোর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও বিক্রেতাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে শাস্তি দেয়া যথেষ্ট নয়। বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫ (ক) ধারা ব্যবহার করতে হবে বলে জানান তিনি।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

নাক ডাকার সমস্যা চিরতরে দূর করবে পানীয় - দেখুন কি ভাবে তৈরী করবেন

নাক ডাকার সমস্যা যে বেশ বিরক্তিকর ও বিব্রতকর, তা নতুন করে বলে দিতে হয় না। যিনি নাক ডাকেন তিনি না বুঝলেও পাশে থাকা মানুষটির ঘুম হারাম হয়ে যায়। তাই নাক ডাকা সমস্যাকে অবহেলা না করে ঘরোয়া ভাবে খুব সহজে এবং বেশ সুস্বাদু উপায়ে এই সমস্যার সমাধান করুন।
১) গাজর-আপেলের জুস: শুনতে সাধারণ মনে হলেও এই জুসের রয়েছে শ্বাসনালী কিছুটা চওড়া ও শ্বাসনালীর মিউকাস দ্রুত নিঃসরণের ক্ষমতা, যা নাক ডাকা থেকে মুক্তি দিতে বেশ কার্যকর।  প্রস্তুতপ্রণালি:  ১। ২ টি আপেল ছোটো ছোটো খণ্ডে কেটে নিন এবং ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করুন।  ২। এবার ২ টি গাজর কেটে ব্লেন্ডারে দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন।  ৩। এরপর একটি লেবুর ১/৪ অংশ কেটে রস চিপে এতে দিয়ে দিন এবং ১ চা চামচ আদা কুচি দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন।  ৪। কিছুটা পানি দিয়ে বেশ ভালো করে ব্লেন্ড করে নিয়ে ছেঁকে নিন। এই পানীয়টি প্রতিদিন পান করুন। নাক ডাকার সমস্যা দূরে পালাবে।  ২) হলুদের চা: হলুদ প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক। এটিও বেশ কার্যকর নাক ডাকা সমস্যার সমাধানে।  প্রস্তুতপ্রণালি: - ১। ২ কাপ পরিমাণ পানি চুলায় বসিয়ে জ্বাল দিতে থাকুন।  ২। এতে ১ চা চামচ পরিমাণ কাঁচা হলুদ বাটা দিয়ে দিন (গুঁড়ো হলেও চলবে)।…