সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

যেসব অ্যাপস মোবাইল ফোনের জন্য বিপদ

স্মার্টফোনে রকমারি অ্যাপ ডাউনলোড করা এখন অনেকেরই শখ। কিন্তু সাধ মেটাতে গিয়ে নিজের জন্যই বিপদ ডেকে আনছেন আপনি? বন্ধুর বেশে অনেক অ্যাপ আপনাকে বিপাকে ফেলতে অপেক্ষা করছে। সাবধান না হলে আপনি ট্র্যাকড ও হ্যাকড হতেই পারেন। এরকমই সাতটি বিপজ্জ্বনক অ্যাপের তথ্য দেওয়া হলো:

QuickPic: ফটো গ্যালারি শেয়ার করতে এই অ্যাপের জুড়ি মেলা ভার। কিন্তু সহজে ব্যবহারযোগ্য এই অ্যাপ কিন্তু বন্ধুর বেশে আপনার সর্বনাশের জন্য ওঁত পেতে আছে। অ্যাপ ডাউনলোড করার সঙ্গে সঙ্গে কোম্পানি ব্যবহারকারীর সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করতে শুরু করে।

ES File Explorer: এই ফ্রি ভার্শন ডাউনলোড করতেই আরও কিছু সহযোগী অ্যাপ ডাউনলোড করার ক্রমাগত বার্তা আপনার জীবন অতিষ্ঠ করে তুলবে।
UC Browser: ভারত ও চীনের বাজারে অ্যানড্রয়েড ওয়েব ব্রাউজারে সবচেয়ে জনপ্রিয় অ্যাপ হল এটি। তাদের দাবি তারা আপনার স্মার্টফোনে তুলনামূলক কম জায়গায় বেশি ডেটা সেভ করতে পারে। কিন্তু একই সঙ্গে এরা আপনার গতিবিধির ওপর নজর রেখে চলে।

CLEAN it: ভুলেও কখনও আপনার অ্যানড্রয়েড ফোনে এই অ্যাপ ডাউনলোড করবেন না। এই অ্যাপ ফোনের স্পিড কমিয়ে দেয়, ব্যাটারি ব্যবহার বাড়ায়।

Music Playe: নামেই স্পষ্ট এই অ্যাপের ফলে আপনি সহজেই অডিও ক্লিপ সেভ করতে পারবেন। কিন্তু এই অ্যাপ ভয়ানক ভাবে ব্যাটারি লাইফ নষ্ট করে।

DU Battery Saver & Fast Charge: জনপ্রিয় এই ব্যাটারি সেভিং অ্যাপ আদতে আপনার ফোনের শত্রু। এটি মোটেও ফোনের চার্জিং টাইম কমিয়ে আনে না। সঙ্গে অজস্র বিজ্ঞাপন আপনাকে অতিষ্ঠ করে তুলবে।

Dolphin Web Browser: বিজ্ঞাপন-মুক্ত এই অ্যাপ নিজের স্মার্টফোনে ডাউনলোড করতে হলে নিজের দায়িত্বে করুন। আপনার গতিবিধির ওপর সম্পূর্ণ নজর রাখে এই অ্যাপ। এমনকি ইনকগনিটো মোডেও আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট সম্পর্কে সব তথ্য সংগ্রহ করে রাখে এই অ্যাপ।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…

আঁচিল ঝরান প্রাকৃতিক উপায়ে

আঁচিলের কারণে অনেক সময় সৌন্দর্যে ভাটা পড়ে। শরীরের নানা স্থানে আঁচিল হতে দেখা যায়।এটি সাধারণত কালো, বাদামী, লাল, গোলাপি রঙের হয়ে থাকে। একেক জনের ক্ষেত্রে এর আকার, আকৃতি ভিন্ন ভিন্ন রকম হয়। এটি অনেক সময় এমনিতেই সেরে যায়। অনেক সময় রয়ে যায় স্থায়ী দাগ হয়ে। আঁচিল দূর করা যায় দুই ভাবে। সার্জিক্যালি এবং প্রাকৃতিক উপায়ে। আঁচিল সমস্যা সমাধানে কয়েকটি নিরাপদ ঘরোয়া উপায় জেনে রাখা ভালো। নিজের এবং অন্যের প্রয়োজনে যেকোনো সময় কাজে দিতে পারে।
অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার খুবই পরিচিত একটি নাম। দিনে দু’বার আঁচিলের ওপর তুলোয় করে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চোখের পাতায় যদি লাগান খেয়াল রাখুন যাতে ভেতরে না যায়। নিয়মটি অনুসরণ করুন ২-৪ সপ্তাহ। আঁচিল ঝরে পড়বে।
ক্যাস্টর ওয়েল এবং বেকিং সোডা একসাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে আঁচিলের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকালে ধুয়ে নিন। সবচেয়ে ভালো ফল পেতে রাতে লাগিয়ে রেখে সকালে ধুয়ে নেবেন। দ্রুত আঁচিল করার জন্য টি ট্রি ওয়েল অত্যন্ত কার্যকরী। সুপার শপ বা শপিং মলে এই তেল পাওয়া যায়। ভেজা তুলায় ক’ফোঁটা টি ট্রি ওয়েল নিয়ে আঁচিলের ওপর মিনিট দশেক লাগ…