সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

চিনি খাচ্ছেন নাকি বিষ খাচ্ছেন !!!

সাধারণ চিনির বদলে নিষিদ্ধ ঘন চিনিতে ছেয়ে গেছে রাজধানীর পাইকারী বাজার। বাংলাদেশসহ পৃথিবীর অনেক দেশে প্রতিদিন হাজার হাজার টন নিষিদ্ধ ঘন চিনি ঢুকছে। এরপর ব্যবহৃত হচ্ছে মিষ্টি, বেকারি আইটেম, আইসক্রিম, বেভারেজ, জুস, চকোলেট, কন্ডেন্সড মিল্ক প্রভৃতি মিষ্টি জাতীয় খাদ্যদ্রব্যে।

সাধারণ চিনির চেয়ে কমপক্ষে ৫০ গুণ বেশি মিষ্টি এই ঘন চিনির বৈজ্ঞানিক নাম সোডিয়াম সাইক্লামেট। তবে বন্দর দিয়ে আমদানির সময়ে পুলিশি ঝামেলা থাকায় সাইট্রিক এসিড অথবা সোডিয়াম সাইট্রেট নামে আমদানি হচ্ছে এই বিষ। সোডিয়াম সাইক্লামেট, সাইট্রিক এসিড ও সোডিয়াম সাইট্রেট তিনটি দেখতে একই রকম হওয়ায় খুব সহজেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চোখকে ফাঁকি দেয়া যাচ্ছে।
কোনো একটি খাদ্যদ্রব্যে সাধারণ চিনি পঞ্চাশ কেজির প্রয়োজন হলে তার বদলে নিষিদ্ধ এই সোডিয়াম সাইক্লামেট অর্থাৎ ঘন চিনি এক কেজি দিলেই কাজ উদ্ধার হয়ে যায়। এর ফলে বাড়তি মুনাফা হচ্ছে প্রায় আড়াই হাজার টাকা।

পুরান ঢাকার মিটফোর্ডে দুই রকম ঘন চিনি বিক্রি হচ্ছে। দুইটার দামেও রয়েছে বিশাল ফারাক। এক প্রকার ঘন চিনি ২২০ টাকা এবং অন্যটি ১৪০ টাকা। দামে এতো পার্থক্য হওয়ার কারণ অনুসন্ধান করে জানা গেছে, এর মধ্যে একটি খাঁটি ঘন চিনি, অন্যটি ভেজাল ঘন চিনি। অর্থাৎ ঘন চিনিই যেখানে মানব শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর, সেখানে ক্ষতিকর ঘন চিনির সাথে আবার মেশানো হচ্ছে ভেজাল!

ভেজাল ১০০ গ্রাম ঘন চিনি কিনে পরীক্ষা করতে দেয়া হয়েছিলো ফার্মগেটের মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইন্সটিটিউটের ল্যাবরেটরিতে। পরীক্ষার রিপোর্টে পাওয়া যায়, ভেজাল ঘন চিনির সাথে ম্যাগনেসিয়াম সালফেট সার মেশানো হয়েছে। এই সার দেখতে একেবারে চিনির মতো হলেও মাত্র ১৫/২০ টাকা দরে বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। এবং স্বাদহীন হওয়ায় ঘন চিনির সাথে মেশালে কোনোভাবেই বোঝার উপায় থাকছে না। দাম কম হওয়ায় অধিকাংশ ব্যবসায়ীরা এই ভেজাল ঘন চিনিই কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।

একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সাথে কথা বলে জানা যায়, সোডিয়াম সাইক্লামেট বা ঘন চিনি খেলে মানব শরীরে নানা জটিল রোগের সৃষ্টি হতে পারে। যেমন, ক্যান্সার, কিডনি বিকল, হজম শক্তি হ্রাস ইত্যাদি। এর সাথে আবার ম্যাগনেসিয়াম সালফেট সার মানব শরীরে প্রবেশ করলে ক্ষতির মাত্রা হাজার গুণে বাড়বে। এবং শিশুরাই এর প্রধান শিকার হবে বলেই জানান তিনি।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

যেভাবে এলো বাঙালির বংশ পদবী! জেনে রাখুন বিসিএস সহ যেকোন চাকরি পরীক্ষায় কাজে আসবে

খুব বেশি প্রাচীন নয়। মধ্যযুগে সামন্তবাদী সমাজ ব্যবস্থার ফলে পরবর্তীতে বৃটিশ আমলে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সমান্তরালে বাঙালির পদবীর বিকাশ ঘটেছে বলে মনে করা হয়। অধিকাংশ ব্যক্তি নামের শেষে একটি পদবী নামক পুচ্ছ যুক্ত হয়ে আছে। যেমন উপাধি, উপনাম কিংবা বংশসূচক নামকে সাধারণ ভাবে পদবী বলা হয়।
বাঙালির জমি- জমা বিষয় সংক্রান্ত কিছু পদবী যেমন- হালদার, মজুমদার, তালুকদার, পোদ্দার, সরদার, প্রামাণিক, হাজরা, হাজারী, মন্ডল, মোড়ল, মল্লিক, সরকার, বিশ্বাস ইত্যাদি বংশ পদবীর রয়েছে হিন্দু -মুসলমান নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের একান্ত রূপ। বাঙালি মুসলমানের শিক্ষক পেশার পদবী হলো-খন্দকার, আকন্দ, নিয়াজী ইত্যাদি। আর বাঙালি হিন্দুর শিক্ষক পদবী হচ্ছে দ্বিবেদী, ত্রিবেদী, চর্তুবেদী ইত্যাদি।

এবার আপনাদের জানাবো বাঙালির কিছু বিখ্যাত বংশ পদবীর ইতিহাস। যেমন-শিকদার, সৈয়দ, শেখ, মীর, মিঞা, মোল্লা, দাস, খন্দকার, আকন্দ, চৌধুরী, ভুইয়া, মজুমদার, তরফদার, তালুকদার, সরকার, মল্লিক, মন্ডল, পন্নী, ফকির, আনসারী, দত্ত ইত্যাদি।

শিকদারঃ সুলতানি আমলে কয়েকটি মহাল নিয়ে গঠিত ছিল এক একটি শিক। আরবি শিক হলো একটি খন্ড এলাকা বা বিভাগ। এর স…

আঁচিল ঝরান প্রাকৃতিক উপায়ে

আঁচিলের কারণে অনেক সময় সৌন্দর্যে ভাটা পড়ে। শরীরের নানা স্থানে আঁচিল হতে দেখা যায়।এটি সাধারণত কালো, বাদামী, লাল, গোলাপি রঙের হয়ে থাকে। একেক জনের ক্ষেত্রে এর আকার, আকৃতি ভিন্ন ভিন্ন রকম হয়। এটি অনেক সময় এমনিতেই সেরে যায়। অনেক সময় রয়ে যায় স্থায়ী দাগ হয়ে। আঁচিল দূর করা যায় দুই ভাবে। সার্জিক্যালি এবং প্রাকৃতিক উপায়ে। আঁচিল সমস্যা সমাধানে কয়েকটি নিরাপদ ঘরোয়া উপায় জেনে রাখা ভালো। নিজের এবং অন্যের প্রয়োজনে যেকোনো সময় কাজে দিতে পারে।
অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার খুবই পরিচিত একটি নাম। দিনে দু’বার আঁচিলের ওপর তুলোয় করে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চোখের পাতায় যদি লাগান খেয়াল রাখুন যাতে ভেতরে না যায়। নিয়মটি অনুসরণ করুন ২-৪ সপ্তাহ। আঁচিল ঝরে পড়বে।
ক্যাস্টর ওয়েল এবং বেকিং সোডা একসাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে আঁচিলের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকালে ধুয়ে নিন। সবচেয়ে ভালো ফল পেতে রাতে লাগিয়ে রেখে সকালে ধুয়ে নেবেন। দ্রুত আঁচিল করার জন্য টি ট্রি ওয়েল অত্যন্ত কার্যকরী। সুপার শপ বা শপিং মলে এই তেল পাওয়া যায়। ভেজা তুলায় ক’ফোঁটা টি ট্রি ওয়েল নিয়ে আঁচিলের ওপর মিনিট দশেক লাগ…