সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

আর নয় বদহজম ! জেনে নিন হজম শক্তি বাড়ানোর সহজ উপায়

আমরা যেসব খাদ্য গ্রহণ করে থাকি সেগুলো হজম হতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে পাচনতন্ত্র। কি খাব সেটি আমরা ঠিক করলেও খাবার কিভাবে হজম হবে সেটি পাচন প্রক্রিয়ার উপর নির্ভর করে। পাচনতন্ত্রে সমস্যা হলে ডায়রিয়া, গ্যাস্ট্রিক, মাথাব্যথা, কোষ্ঠকাঠিন্য, এনার্জির মাত্রা কমে যাওয়া ইত্যাদি নানা সমস্যা হতে পারে। ফলে সুস্থ থাকতে হলে হজমশক্তি বাড়ানোর উপায় আমাদের জানতে হবে। দেখে নেয়া যাক কি কি অভ্যাস হজমশক্তি বাড়ানোর সহায়ক হতে পারেঃ

১। ডায়েটে ফাইবার যুক্ত খাবার রাখলে পাচন-প্রক্রিয়া অনেকটাই স্বাভাবিক থাকবে। এজন্য নানা ধরনের ফাইবারযুক্ত ফল, সবজি ও শস্য ডায়েটে রাখতে হবে।
২। শরীরে কোন ধরনের সমস্যা হচ্ছে সেটি আগে থেকেই বোঝা যায়। যদি খাবার সময়ে বেশি খেতে ইচ্ছে না করে তাহলে জোর করে খাবেন না। যদি শরীর ক্ষুধার্ত থাকে, তাহলে এমনিতেই আপনার বেশি খিদে পাবে।

৩। পেট ভরে খেলেই যে শরীর ভালো থাকবে সেটি ঠিক নয়। বরং পেট কিছুটা খালি রেখে খেলেই শরীরের ও পাচনতন্ত্রের জন্য ভালো।

৪। ফ্যাটযুক্ত খাবার বেশি খেলে পাচন প্রক্রিয়ায় সমস্যা হয়। তবে আবার একেবারেই ফ্যাটি খাবার না খেলেও সমস্যা। পরিমিত ফ্যাট শরীরের জন্য উপকারী।

৫। টক দই হজম শক্তিকে বাড়িয়ে দেয়।

৬। খাবার সময় যারা সঠিক সময়ে খান ও নিয়মিত একই সময় অনুসরণ করেন তাদের পাচন প্রক্রিয়া অন্যদের চেয়ে ভালো থাকে। ফলে ব্যস্ত থাকলেও সঠিক সময়ে খাওয়ার চেষ্টা করুন।

৭। হজমের ক্ষেত্রে পানির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। হজমশক্তি ঠিক রাখতে অনেক বেশি পানি পান করুন।

৮। অনেকেই কফি, সিগারেট এমনকি অ্যালকোহলকে সবসময়ের নেশা বানিয়ে ফেলেন। নেশা ছারতে পারলে শরীর ও পাচনতন্ত্র ঠিক থাকবে।

৮। কর্মহীন জীবনযাপন কখনই শরীরকে সুস্থ রাখতে পারে না। কর্মঠ জীবনযাপন করুন ও সুস্থ থাকুন।

৯। ক্লান্তি ও দুশ্চিন্তা খাবার হজমের ক্ষেত্রে বাধার সৃষ্টি করে। এজন্য যতটা সম্ভব ক্লান্তি ও দুশ্চিন্তা থেকে দূরে থাকুন।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

যেভাবে এলো বাঙালির বংশ পদবী! জেনে রাখুন বিসিএস সহ যেকোন চাকরি পরীক্ষায় কাজে আসবে

খুব বেশি প্রাচীন নয়। মধ্যযুগে সামন্তবাদী সমাজ ব্যবস্থার ফলে পরবর্তীতে বৃটিশ আমলে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সমান্তরালে বাঙালির পদবীর বিকাশ ঘটেছে বলে মনে করা হয়। অধিকাংশ ব্যক্তি নামের শেষে একটি পদবী নামক পুচ্ছ যুক্ত হয়ে আছে। যেমন উপাধি, উপনাম কিংবা বংশসূচক নামকে সাধারণ ভাবে পদবী বলা হয়।
বাঙালির জমি- জমা বিষয় সংক্রান্ত কিছু পদবী যেমন- হালদার, মজুমদার, তালুকদার, পোদ্দার, সরদার, প্রামাণিক, হাজরা, হাজারী, মন্ডল, মোড়ল, মল্লিক, সরকার, বিশ্বাস ইত্যাদি বংশ পদবীর রয়েছে হিন্দু -মুসলমান নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের একান্ত রূপ। বাঙালি মুসলমানের শিক্ষক পেশার পদবী হলো-খন্দকার, আকন্দ, নিয়াজী ইত্যাদি। আর বাঙালি হিন্দুর শিক্ষক পদবী হচ্ছে দ্বিবেদী, ত্রিবেদী, চর্তুবেদী ইত্যাদি।

এবার আপনাদের জানাবো বাঙালির কিছু বিখ্যাত বংশ পদবীর ইতিহাস। যেমন-শিকদার, সৈয়দ, শেখ, মীর, মিঞা, মোল্লা, দাস, খন্দকার, আকন্দ, চৌধুরী, ভুইয়া, মজুমদার, তরফদার, তালুকদার, সরকার, মল্লিক, মন্ডল, পন্নী, ফকির, আনসারী, দত্ত ইত্যাদি।

শিকদারঃ সুলতানি আমলে কয়েকটি মহাল নিয়ে গঠিত ছিল এক একটি শিক। আরবি শিক হলো একটি খন্ড এলাকা বা বিভাগ। এর স…

আঁচিল ঝরান প্রাকৃতিক উপায়ে

আঁচিলের কারণে অনেক সময় সৌন্দর্যে ভাটা পড়ে। শরীরের নানা স্থানে আঁচিল হতে দেখা যায়।এটি সাধারণত কালো, বাদামী, লাল, গোলাপি রঙের হয়ে থাকে। একেক জনের ক্ষেত্রে এর আকার, আকৃতি ভিন্ন ভিন্ন রকম হয়। এটি অনেক সময় এমনিতেই সেরে যায়। অনেক সময় রয়ে যায় স্থায়ী দাগ হয়ে। আঁচিল দূর করা যায় দুই ভাবে। সার্জিক্যালি এবং প্রাকৃতিক উপায়ে। আঁচিল সমস্যা সমাধানে কয়েকটি নিরাপদ ঘরোয়া উপায় জেনে রাখা ভালো। নিজের এবং অন্যের প্রয়োজনে যেকোনো সময় কাজে দিতে পারে।
অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার খুবই পরিচিত একটি নাম। দিনে দু’বার আঁচিলের ওপর তুলোয় করে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চোখের পাতায় যদি লাগান খেয়াল রাখুন যাতে ভেতরে না যায়। নিয়মটি অনুসরণ করুন ২-৪ সপ্তাহ। আঁচিল ঝরে পড়বে।
ক্যাস্টর ওয়েল এবং বেকিং সোডা একসাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে আঁচিলের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকালে ধুয়ে নিন। সবচেয়ে ভালো ফল পেতে রাতে লাগিয়ে রেখে সকালে ধুয়ে নেবেন। দ্রুত আঁচিল করার জন্য টি ট্রি ওয়েল অত্যন্ত কার্যকরী। সুপার শপ বা শপিং মলে এই তেল পাওয়া যায়। ভেজা তুলায় ক’ফোঁটা টি ট্রি ওয়েল নিয়ে আঁচিলের ওপর মিনিট দশেক লাগ…