সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

কাপড় হতে কালির দাগ উঠানোর অসাধারণ কৌশল জেনে নিন!

কাপড়ে কোনো সময় কালির দাগ লাগতে পারে। তাতে ঘাবড়াবার কিছু নেই। কাপড় হতে কালির দাগ উঠানোর অসাধারণ কৌশল জেনে নিন।

কাপড়ে কলমের কালির দাগ যে কোনো সময় পড়তে পারে। আর এমন ঘটনা যখন ঘটে তখন সবারই মন খারাপ হয়ে যায়, এটিই স্বাভাবিক নিয়ম। আমাদের অনেক সময় এই সম্যসার সম্মুখীন হতে হয়। কাপড়ে একবার কলমের দাগ লাগলে সেটা পুরোপুরিভাবে দূর করা বেশ কষ্টের ব্যাপার। সঠিকভাবে এই দাগ তোলার ব্যবস্থা করতে না পারলে কালির দাগ স্থায়ী হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে কাপড় ফেলে দেওয়া ছাড়া আর কোন উপায় থাকে না। আজ জেনে নেই কিভাবে কার্যকরীভাবে কালির দাগ তুলবেন।
# কালির দাগ লাগলে সেটা কখনও ঘষবেন না। এতে দাগ আরও ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। যেস্থানে কালির দাগ লেগেছে, সেখানে কিছু পরিমাণ সাদা টুথপেষ্ট লাগিয়ে রাখুন। ১৫/২০ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। ধোয়ার সময় ব্রাশ দিয়ে আলতভাবে ঘষুণ। দেখবেন দাগ বেশ হালকা হয়ে গেছে।


# আরেকটি পদ্ধতি হলো কালি লাগা অংশটুকু কাঁচা দুধে কিছু সময় ভিজিয়ে রাখতে পারেন। কিছুক্ষণ পর সাধারণ কাপড় কাচা ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে করে দেখবেন আস্তে আস্তে কালির দাগ হালকা হয়ে আসবে।

# কিছু পরিমাণ গ্লিসারিন নিয়ে সামান্য গরম করে কালির দাগের ওপর কয়েক বার ঘষুণ। এরপর ভালো করে সাধারণ কাপড় কাচা ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। যদি সম্ভব হয় কয়েক ফোঁটা অ্যামোনিয়া যোগ করতে পারেন এই গ্লিসারিনের সঙ্গে।

# আরেকটি মজার বিষয় রয়েছে। সেটি হলো চুল সুন্দর করার কাজে ব্যবহৃত হেয়ার স্প্রেও কালির দাগ দূর করে থাকে। কালির দাগের ওপর হেয়ার স্প্রে দিয়ে কয়েকবার স্প্রে করতে হবে। তারপর কিছুক্ষণ রেখে শুকানোর পর ধুয়ে ফেলতে হবে।

# আমরা সচরাচর নেলপলিশ উঠানোর জন্য যে রিমোভার ব্যবহার করে থাকি। রিমোভার দিয়ে অনেক সময় কালির দাগ দূর করা যায়।

# আরেকটি জিনিস রয়েছে যেটি দাগ তোলার জন্য উপকার করে থাকে। আর তা হলো এলকোহল। এটি অনেক সময় ভালো দাগ দূরীকরণ উপাদান হিসেবে কাজ করে থাকে। কালির দাগ লাগা স্থানটি কিছু সময় এলকোহল দিয়ে ভিজিয়ে রাখুন। এরপর স্বাভাবিক নিয়মে সাধারণ ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।

# আমরা অনেকেই জানি লেবুর রস কালির দাগ উঠাতে কাজে আসে। কালির দাগ লাগা স্থানটিতে লেবুর রস দিয়ে ভালো করে বেশ কিছক্ষণ ঘষুণ। এরপর ধুয়ে ফেলুন। এতেও উপকার পাবেন।

# গরম পানির মধ্যে ১ বা ২ চা চামচ ডিটারজেন্ট, ১ টেবিল চামচ হোয়াইট ভিনেগার দিয়ে কালির দাগ লাগা কাপড়টি ৩০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন।এরপর ধুয়ে ফেলুন।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিয়মিত ঘৃতকুমারী রস পানের ৭টি বিস্ময়কর উপকারিতা

অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী অতি পরিচিত একটি উদ্ভিদের নাম। বহুগুণে গুণান্বিত এই উদ্ভিদের ভেষজ গুণের শেষ নেই। এতে আছে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, ফলিকঅ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড ও ভিটামিনএ, বি৬,বি২ ইত্যাদি। অ্যালোভেরার জেল রুপচর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য রক্ষায় ব্যবহার হয়ে আসছে। অনেকেই অ্যালোভেরা জুস পান করে থাকেন। আপনি জানেন কি প্রতিদিন অ্যালোভেরা জুস পান করার উপকারিতা?

১। হার্ট সুস্থ রাখতে :- আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা জুস। অ্যালোভেরা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এটি দূষিত রক্ত দেহ থেকে বের করে রক্ত কণিকা বৃদ্ধি করে থাকে। এটি দীর্ঘদিন আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে থাকে।

২। মাংসপেশী ও জয়েন্টের ব্যথা প্রতিরোধ :- অ্যালোভেরা মাংসপেশীর ব্যথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। এমনকি ব্যথার স্থানে অ্যালোভেরা জেলের ক্রিম লাগালে ব্যথা কমে যায়।

৩। দাঁতের যত্নে :- অ্যালোভেরা জুস দাঁত এবং মাড়ির ব্যথা উপশম করে থাকে। এতে কোন ইনফেকশন থাকলে তাও দূর করে দেয়। নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস খাওয়ার ফলে দাঁত ক্ষয় প্রতিরোধ করা সম্ভব। ৪। ওজন হ্রাস করতে :- ওজন কমাতে অ…

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…

পুরুষত্বহীনতা, অকাল বীর্যপাত ও লিঙ্গ উথান সমস্যা দূর করে সুস্থ যৌনজীবন দেয় জাফরান৷

জাফরানের ২০টি ঔষধি গুন বিশ্বের সবচেয়ে দামী মশলা জাফরান। স্যাফরন বা কেশর নামেও এটি পরিচিত৷ এই মশলা নামীদামী অনেক খাবারে ব্যবহৃত হয়। খাবারের স্বাদ, ঘ্রাণ, রঙ বাড়িয়ে তুলতে এই ‘গোল্ডেন স্পাইস’ এর জুড়ি নেই। তবে জাফরানের কাজ শুধু এরমধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। জাফরানের মধ্যে রয়েছে অসাধারণ ঔষধিগুণ। জাফরানে রয়েছে বিস্ময়কর রোগ নিরাময় ক্ষমতা৷মাত্র ১ চিমটে জাফরান আপনাকে প্রায় ২০ টি শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। ১. জাফরানে রয়েছে পটাশিয়াম যা উচ্চ রক্ত চাপ ও হৃদপিণ্ডের সমস্যা জনিতরোগ দূর করে।
২. হজমে সমস্যা এবং হজম সংক্রান্ত যে কোনও ধরনের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে জাফরান।
৩. জাফরানের পটাশিয়াম আমাদের দেহে নতুন কোষ গঠন এবং ক্ষতিগ্রস্থ কোষ সারিয়ে তুলতে সহায়তা করে।
৪. জাফরানের নানা উপাদান আমাদের মস্তিষ্ককে রিলাক্স করতে সহায়তা করে, এতে করে মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা জনিত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷
৫. মেয়েদের মাসিকের অস্বস্তিকর ব্যথা এবং মাসিক শুরুর আগের অস্বস্তি দূর করতে জাফরানের জুড়ি নেই।
৬. নিয়মিত জাফরান সেবনে শ্বাস প্রশ্বাসের নানা ধরণের সমস্যা যেমন অ্যাজমা,পারটুসিস, কাশি এবং বসে যাওয়া কফ দূর করতে…