সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

বিয়ের আনন্দে বিষাদের ছায়া, মন খারাপ মাহির স্বামী অপুর!

নানা জল্পনা-কল্পনার পর অবশেষে সবাইকে চমকে দিয়ে হঠাৎ বিয়ে করেছেন ঢাকাই ছবির জনপ্রিয় নায়িকা মাহিয়া মাহি। বিয়ের ঠিক একদিন পর স্বামী পারভেজ মাহমুদ অপুকে নিয়ে ঢালিউডের টপ মোস্ট নায়িকা মাহিয়া মাহি প্রকাশ্যে আসেন। গত বুধবার সন্ধ্যায় উত্তরার একটি রেস্টুরেন্টে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা এবং বরের সঙ্গে মিডিয়াকর্মীদের সঙ্গে পরিচয় করান ‘অগ্নিকন্যা’ মাহি।

মাহির বর সিলেটের কদমতলি এলাকার বাসিন্দা ব্যবসায়ী মাহমুদ পারভেজ অপু। বিয়ের পর প্রথমবারের মতো গত শুক্রবার দুপুরে শ্বশুর বাড়িতে পৌঁছেছেন মাহি। এর আগে গত মঙ্গলবার রাতে ঢাকায় গায়ে হদুল অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। পরদিন বুধবার সিলেটি ছেলে অপুর সঙ্গে বিয়ের পিড়িতে বসেন মাহি।
ঐ পর্যন্ত সব কিছু ঠিকঠাকই ছিল। কিন্ত আনন্দে বিষাদের ছায়া নেমে আসে তখনই যখন মাহিকে স্ত্রী হিসাবে দাবি করেন তারই বন্ধু শাহরিয়ার শাওন। শুধু তাই নয়, মাহির সঙ্গে শাহরিয়ার শাওনের বেশ কিছু অন্তরঙ্গ ছবিও শাওন ফেসবুকে ছেড়ে দেয়। এসব ছবি ছড়িয়ে পরার পর পারভেজ অনেকটা আড়ালে চলে গেছেন। তার মন-মেজাজ খারাপ। মাহির সঙ্গে শাহরিয়ার শাওনের বিয়ের দাবির বিষয়টি পারভেজ মেনে নিতে পারছে না।

এ ব্যাপারে পারভেজের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তাকে ফোন করা হলেও পাওয়া যায়নি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পারভেজ গণমাধ্যমকে এড়িয়ে চলছেন। মহিকে স্ত্রী হিসাবে শাওনের দাবি করা, শাওনের বিরুদ্ধে মাহির মামলা দায়ের, শাওন-মাহির আপত্তিকর ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পাড়ার পর থেকেই সে বন্ধুদেরও এড়িয়ে চলছেন। পুরো ঘটনায় পারভেজ বিরক্ত ও বিব্রত। এ ঘটনায় মাহিও বিরক্ত।

এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে মিডিয়াপাড়া সহ সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত নায়িকা মাহির ‘পুরোনো বিয়ের কয়েকটি ছবি নিয়ে আলোচনা চলতে থাকে তুমুলে। রীতিমতো ভাইরাল হয়ে ওঠা এসব ছবি দেখে সমালোচনার ঝড় ছিলো ফিল্মি পাড়া সহ প্রায় সবক্ষেত্রেই। কেউ কেউ দাবি করেন যে, এগুলো ছিল মাহির বিয়ের ছবি।

তবে সবার প্রত্যাশা আর বিভ্রান্তি কাটাতে অবশেষে এই ঘটনা প্রসঙ্গে কথা বলেছিলেন মাহি। গত শনিবার একটি জাতীয় দৈনিকের কাছে দেয়া সাক্ষাতকারে ছবিগুলোকে ”ফেক” বলে দাবি করলেন তিনি। মাহি বলেন, “ফেসবুকে যে ছবিগুলো প্রকাশিত হয়েছে, সেগুলো ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত। মূলত এগুলো ছিল আমার একটি শ্যুটিংকালীন ছবির দৃশ্য। আর শাওন ওই সময় মজা করে আমার সঙ্গে এসব ছবি ক্যামেরাবন্দি করে। কিন্তু মানুষ ভুল বুঝে আমার সম্পর্কে নানা মন্তব্য ছুঁড়ছেন। তাদেরকে আশ্বস্ত করতে চাই ছবিগুলো সম্পূর্ণ ফেক। এছাড়া এ বিষয় নিয়ে নতুন করে ঘাটাঘাটি করতে চাই না।” পাশাপাশি এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ারও ঘোষণা দেন তিনি। এতে স্বস্তি ফিরে আসে চলচ্চিত্রাঙ্গন ও মাহি ভক্তদের মনে।

অবশেষে জানা গেল, এ ঘটনায় মাহির কথিত স্বামী শাওনের নামে মামলা করেছেন মাহি। সেই প্রেক্ষিতে রোববার (২৯ মে) শাওনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। পরে তাকে ২ দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। গত কাল তার রিমান্ড শেষ হয়। দুদিনের রিমান্ড শেষে শাওনকে যখন আদালতে হাজির করা হয় তখনই মাহির সঙ্গে বিয়ের প্রমাণপত্র হিসাবে কাবিননামা আদালতে উপস্থাপন করেন।

রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে শাওন জানিয়েছেন, ২০১৫ সালে বাড্ডার কাজী অফিসে তারা বিয়ে করেন। উত্তরা মডেল স্কুল এন্ড কলেজে একই ক্লাসের শিক্ষার্থী ছিলেন শাওন ও মাহী। ঐ সূত্র ধরে তাদের মধ্যে স্কুল জীবন থেকে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। দুই বছর আগে তারা বিয়ে করেন। বিয়ের কাগজপত্রও জিজ্ঞাসাবাদে ডিবির তদন্তকারী টিমের কাছে উপস্থাপন করেছেন শাওন।

গ্রেফতারকৃত শাওনের বাবার নাম নজরুল ইসলাম। তিনি গুলশানের একজন ব্যবসায়ী। শাওন স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে ফিল্ম এন্ড মিডিয়া বিভাগে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।
ডিবি দক্ষিণ বাড্ডার বাসা থেকে শাওনের কম্পিউটার জব্দ করেছে। একজন ডিবির কর্মকর্তা জানান, শাওনের কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক থেকে মাহী ও শাওনের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও ফুটেজ জব্দ করা হয়েছে। শাওন স্বীকার করেছেন যে তিনিই মাহীর সঙ্গে তার অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি ফেসবুকে আপলোড করেছেন। মাহীর অনুমতি নিয়েই তিনি এসব ছবি আপলোড করেন। তথ্যসূত্র: সময়ের কন্ঠসর

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

যেভাবে এলো বাঙালির বংশ পদবী! জেনে রাখুন বিসিএস সহ যেকোন চাকরি পরীক্ষায় কাজে আসবে

খুব বেশি প্রাচীন নয়। মধ্যযুগে সামন্তবাদী সমাজ ব্যবস্থার ফলে পরবর্তীতে বৃটিশ আমলে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সমান্তরালে বাঙালির পদবীর বিকাশ ঘটেছে বলে মনে করা হয়। অধিকাংশ ব্যক্তি নামের শেষে একটি পদবী নামক পুচ্ছ যুক্ত হয়ে আছে। যেমন উপাধি, উপনাম কিংবা বংশসূচক নামকে সাধারণ ভাবে পদবী বলা হয়।
বাঙালির জমি- জমা বিষয় সংক্রান্ত কিছু পদবী যেমন- হালদার, মজুমদার, তালুকদার, পোদ্দার, সরদার, প্রামাণিক, হাজরা, হাজারী, মন্ডল, মোড়ল, মল্লিক, সরকার, বিশ্বাস ইত্যাদি বংশ পদবীর রয়েছে হিন্দু -মুসলমান নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের একান্ত রূপ। বাঙালি মুসলমানের শিক্ষক পেশার পদবী হলো-খন্দকার, আকন্দ, নিয়াজী ইত্যাদি। আর বাঙালি হিন্দুর শিক্ষক পদবী হচ্ছে দ্বিবেদী, ত্রিবেদী, চর্তুবেদী ইত্যাদি।

এবার আপনাদের জানাবো বাঙালির কিছু বিখ্যাত বংশ পদবীর ইতিহাস। যেমন-শিকদার, সৈয়দ, শেখ, মীর, মিঞা, মোল্লা, দাস, খন্দকার, আকন্দ, চৌধুরী, ভুইয়া, মজুমদার, তরফদার, তালুকদার, সরকার, মল্লিক, মন্ডল, পন্নী, ফকির, আনসারী, দত্ত ইত্যাদি।

শিকদারঃ সুলতানি আমলে কয়েকটি মহাল নিয়ে গঠিত ছিল এক একটি শিক। আরবি শিক হলো একটি খন্ড এলাকা বা বিভাগ। এর স…

আঁচিল ঝরান প্রাকৃতিক উপায়ে

আঁচিলের কারণে অনেক সময় সৌন্দর্যে ভাটা পড়ে। শরীরের নানা স্থানে আঁচিল হতে দেখা যায়।এটি সাধারণত কালো, বাদামী, লাল, গোলাপি রঙের হয়ে থাকে। একেক জনের ক্ষেত্রে এর আকার, আকৃতি ভিন্ন ভিন্ন রকম হয়। এটি অনেক সময় এমনিতেই সেরে যায়। অনেক সময় রয়ে যায় স্থায়ী দাগ হয়ে। আঁচিল দূর করা যায় দুই ভাবে। সার্জিক্যালি এবং প্রাকৃতিক উপায়ে। আঁচিল সমস্যা সমাধানে কয়েকটি নিরাপদ ঘরোয়া উপায় জেনে রাখা ভালো। নিজের এবং অন্যের প্রয়োজনে যেকোনো সময় কাজে দিতে পারে।
অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার খুবই পরিচিত একটি নাম। দিনে দু’বার আঁচিলের ওপর তুলোয় করে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চোখের পাতায় যদি লাগান খেয়াল রাখুন যাতে ভেতরে না যায়। নিয়মটি অনুসরণ করুন ২-৪ সপ্তাহ। আঁচিল ঝরে পড়বে।
ক্যাস্টর ওয়েল এবং বেকিং সোডা একসাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে আঁচিলের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকালে ধুয়ে নিন। সবচেয়ে ভালো ফল পেতে রাতে লাগিয়ে রেখে সকালে ধুয়ে নেবেন। দ্রুত আঁচিল করার জন্য টি ট্রি ওয়েল অত্যন্ত কার্যকরী। সুপার শপ বা শপিং মলে এই তেল পাওয়া যায়। ভেজা তুলায় ক’ফোঁটা টি ট্রি ওয়েল নিয়ে আঁচিলের ওপর মিনিট দশেক লাগ…