সর্বশেষ আপডেট
অপেক্ষা করুন...
বুধবার, ১ জুন, ২০১৬

নানা জল্পনা-কল্পনার পর অবশেষে সবাইকে চমকে দিয়ে হঠাৎ বিয়ে করেছেন ঢাকাই ছবির জনপ্রিয় নায়িকা মাহিয়া মাহি। বিয়ের ঠিক একদিন পর স্বামী পারভেজ মাহমুদ অপুকে নিয়ে ঢালিউডের টপ মোস্ট নায়িকা মাহিয়া মাহি প্রকাশ্যে আসেন। গত বুধবার সন্ধ্যায় উত্তরার একটি রেস্টুরেন্টে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা এবং বরের সঙ্গে মিডিয়াকর্মীদের সঙ্গে পরিচয় করান ‘অগ্নিকন্যা’ মাহি।

মাহির বর সিলেটের কদমতলি এলাকার বাসিন্দা ব্যবসায়ী মাহমুদ পারভেজ অপু। বিয়ের পর প্রথমবারের মতো গত শুক্রবার দুপুরে শ্বশুর বাড়িতে পৌঁছেছেন মাহি। এর আগে গত মঙ্গলবার রাতে ঢাকায় গায়ে হদুল অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। পরদিন বুধবার সিলেটি ছেলে অপুর সঙ্গে বিয়ের পিড়িতে বসেন মাহি।
ঐ পর্যন্ত সব কিছু ঠিকঠাকই ছিল। কিন্ত আনন্দে বিষাদের ছায়া নেমে আসে তখনই যখন মাহিকে স্ত্রী হিসাবে দাবি করেন তারই বন্ধু শাহরিয়ার শাওন। শুধু তাই নয়, মাহির সঙ্গে শাহরিয়ার শাওনের বেশ কিছু অন্তরঙ্গ ছবিও শাওন ফেসবুকে ছেড়ে দেয়। এসব ছবি ছড়িয়ে পরার পর পারভেজ অনেকটা আড়ালে চলে গেছেন। তার মন-মেজাজ খারাপ। মাহির সঙ্গে শাহরিয়ার শাওনের বিয়ের দাবির বিষয়টি পারভেজ মেনে নিতে পারছে না।

এ ব্যাপারে পারভেজের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তাকে ফোন করা হলেও পাওয়া যায়নি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পারভেজ গণমাধ্যমকে এড়িয়ে চলছেন। মহিকে স্ত্রী হিসাবে শাওনের দাবি করা, শাওনের বিরুদ্ধে মাহির মামলা দায়ের, শাওন-মাহির আপত্তিকর ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পাড়ার পর থেকেই সে বন্ধুদেরও এড়িয়ে চলছেন। পুরো ঘটনায় পারভেজ বিরক্ত ও বিব্রত। এ ঘটনায় মাহিও বিরক্ত।

এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে মিডিয়াপাড়া সহ সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত নায়িকা মাহির ‘পুরোনো বিয়ের কয়েকটি ছবি নিয়ে আলোচনা চলতে থাকে তুমুলে। রীতিমতো ভাইরাল হয়ে ওঠা এসব ছবি দেখে সমালোচনার ঝড় ছিলো ফিল্মি পাড়া সহ প্রায় সবক্ষেত্রেই। কেউ কেউ দাবি করেন যে, এগুলো ছিল মাহির বিয়ের ছবি।

তবে সবার প্রত্যাশা আর বিভ্রান্তি কাটাতে অবশেষে এই ঘটনা প্রসঙ্গে কথা বলেছিলেন মাহি। গত শনিবার একটি জাতীয় দৈনিকের কাছে দেয়া সাক্ষাতকারে ছবিগুলোকে ”ফেক” বলে দাবি করলেন তিনি। মাহি বলেন, “ফেসবুকে যে ছবিগুলো প্রকাশিত হয়েছে, সেগুলো ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত। মূলত এগুলো ছিল আমার একটি শ্যুটিংকালীন ছবির দৃশ্য। আর শাওন ওই সময় মজা করে আমার সঙ্গে এসব ছবি ক্যামেরাবন্দি করে। কিন্তু মানুষ ভুল বুঝে আমার সম্পর্কে নানা মন্তব্য ছুঁড়ছেন। তাদেরকে আশ্বস্ত করতে চাই ছবিগুলো সম্পূর্ণ ফেক। এছাড়া এ বিষয় নিয়ে নতুন করে ঘাটাঘাটি করতে চাই না।” পাশাপাশি এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ারও ঘোষণা দেন তিনি। এতে স্বস্তি ফিরে আসে চলচ্চিত্রাঙ্গন ও মাহি ভক্তদের মনে।

অবশেষে জানা গেল, এ ঘটনায় মাহির কথিত স্বামী শাওনের নামে মামলা করেছেন মাহি। সেই প্রেক্ষিতে রোববার (২৯ মে) শাওনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। পরে তাকে ২ দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। গত কাল তার রিমান্ড শেষ হয়। দুদিনের রিমান্ড শেষে শাওনকে যখন আদালতে হাজির করা হয় তখনই মাহির সঙ্গে বিয়ের প্রমাণপত্র হিসাবে কাবিননামা আদালতে উপস্থাপন করেন।

রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে শাওন জানিয়েছেন, ২০১৫ সালে বাড্ডার কাজী অফিসে তারা বিয়ে করেন। উত্তরা মডেল স্কুল এন্ড কলেজে একই ক্লাসের শিক্ষার্থী ছিলেন শাওন ও মাহী। ঐ সূত্র ধরে তাদের মধ্যে স্কুল জীবন থেকে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। দুই বছর আগে তারা বিয়ে করেন। বিয়ের কাগজপত্রও জিজ্ঞাসাবাদে ডিবির তদন্তকারী টিমের কাছে উপস্থাপন করেছেন শাওন।

গ্রেফতারকৃত শাওনের বাবার নাম নজরুল ইসলাম। তিনি গুলশানের একজন ব্যবসায়ী। শাওন স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে ফিল্ম এন্ড মিডিয়া বিভাগে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।
ডিবি দক্ষিণ বাড্ডার বাসা থেকে শাওনের কম্পিউটার জব্দ করেছে। একজন ডিবির কর্মকর্তা জানান, শাওনের কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক থেকে মাহী ও শাওনের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও ফুটেজ জব্দ করা হয়েছে। শাওন স্বীকার করেছেন যে তিনিই মাহীর সঙ্গে তার অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি ফেসবুকে আপলোড করেছেন। মাহীর অনুমতি নিয়েই তিনি এসব ছবি আপলোড করেন। তথ্যসূত্র: সময়ের কন্ঠসর
আধুনিক হোমিওপ্যাথি, ঢাকা
ডাক্তার হাসান; ডি. এইচ. এম. এস(BHMC)
যৌন ও স্ত্রীরোগ, লিভার, কিডনি ও পাইলসরোগ বিশেষজ্ঞ হোমিওপ্যাথ
১০৬ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪, বাংলাদেশ
ফোন :- +88 01727-382671 এবং +88 01922-437435
স্বাস্থ্য পরামর্শের জন্য যেকোন সময় নির্দিধায় এবং নিঃসংকোচে যোগাযোগ করুন।

0 comments:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

 
[X]