সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

লবণ, গোলমরিচ ও লেবু দূর করবে ১০টি স্বাস্থ্য সমস্যা

সাধারণত সালাদ তৈরিতে আমরা কী কী ব্যবহার করি? লবণ, গোলমরিচ এবং লেবু এই তো? এই লবণ, গোলমরিচ এবং লেবুর আলাদা আলাদা স্বাস্থ্যগুণ রয়েছে। আপনি কি জানেন এই তিনটির মিশ্রণ সারা বিশ্বে অনেকগুলো রোগের প্রতিষোধক হিসেবে ব্যবহৃত হয়? শুধুমাত্র এই তিনটি উপাদান কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়া সারিয়ে তুলবে আপনার অসুখ।

১. গলা ব্যথা ১ টেবিল চামচ লেবুর রস, ১/২ চা চামচ গোল মরিচ গুঁড়ো এবং ১ চা চামচ লবণ এক গ্লাস গরম পানিতে মিশিয়ে নিন। এবার এটি দিয়ে কুলকুচি করুন দিনে দুইবার। এটি গলার কফ তরল করে গলা ব্যথা কমিয়ে দিয়ে থাকবে।
২. বন্ধ নাক সমপরিমাণে গোল মরিচ গুঁড়ো, দারুচিনি, এলাচ এবং জিরা গুঁড়ো এক সাথে গুঁড়ো করে নিন। এই মিশ্রণটি ঘ্রাণ নিন। আর দেখুন কত সহজেই আপনার বন্ধ নাক পরিষ্কার হয়ে গেছে।

৩. পাথর দূর করতে পিত্তকোষ বা গলব্লাডারে পাথর খুব সাধারণ একটি সমস্যা। এটি পরিপাক নালী ব্লক, ব্যথা হজমের সমস্যা আরও অনেক সমস্যা সৃষ্টি করে থাকে। এই পাথর দূর করতে সাহায্য করবে এই মিশ্রণটি। তিন অংশ অলিভ অয়েল, এক অংশ লেবুর রস এবং এক অংশ গোল মরিচের গুঁড়ো ভাল করে মিশিয়ে নিন। এটি পান করুন। এটি পাথর দূর করতে সাহায্য করবে।

৪. মুখের ঘা এক টেবিল চামচ বিট লবণ এক কাপ গরম পানিতে মিশিয়ে নিন। প্রতিবেলা খাবার খাওয়ার পর এটি দিয়ে কুলকুচি করুন। এটি মুখের খারাপ ব্যাকটেরিয়া দূর করে মুখের ঘা ভাল করে দিয়ে থাকে।

৫. ওজন হ্রাস ১/৪ চা চামচ গোল মরিচ গুঁড়ো, ২ টেবিল চামচ লেবুর রস এবং ১ টেবিল চামচ বিশুদ্ধ মধু এক গ্লাস পানিতে মিশিয়ে নিন। এটি আপনার মেটাবলিজমকে উন্নত করে থাকে। লেবুতে পলিফেনল নামক উপাদান রয়েছে যা শরীরের ইনসুলিনের পরিমাণ বৃদ্ধি করে এবং শরীরের চর্বি পুড়িয়ে দিয়ে থাকে।

৬. বমি বমি ভাব অস্থির পাকস্থলিকে শান্ত করতে গোল মরিচ বেশ কার্যকর। এছাড়া লেবুর গন্ধ বমি বমি ভাব দূর করে থাকে। এক টেবিল চামচ লেবুর রস এবং এক চা চামচ গোল মরিচের গুঁড়ো এক গ্লাস গরম পানিতে মিশিয়ে নিন। এটি আস্তে আস্তে পান করুন। এটি বমি বমি ভাব দূর করে দিবে এক নিমিষে।

৭. দাঁত ব্যথা ১/২ চা চামচ গোল মরিচ গুঁড়ো এবং ১/২ চা চামচ লবঙ্গের তেল মিশিয়ে ব্যথার দাঁতে রাখুন। এটি দ্রুত দাঁতের ব্যথা কমিয়ে দিবে।

৮. ঠান্ডা এবং ফ্লু অর্ধেকটা লেবুর রস এবং এক কাপ গরম পানিতে মিশিয়ে নিন। এটি ঠান্ডা দূর করে দিবে। এছাড়া লেবুর খোস ১০ মিনিট পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর মধু মিশিয়ে এটি পান করুন।

৯. নাকের রক্ত বন্ধ এক টুকরো তুলোর বল লেবুর রসে ভিজিয়ে নিন। এরপর এটি নাকে ধরে রাখুন। কিছুক্ষণে মধ্যে দেখবেন নাকের রক্ত পড়া বন্ধ হয়ে গেছে।

১০. অ্যাজমা অ্যাটাক ১০ গ্রাম গোল মরিচ গুঁড়ো, ২টি লবঙ্গ এবং ১৫ টি তুলসি পাতা এক কাপ পানিতে ফুটিয়ে নিন। ১৫ মিনিট ফুটানো হয়ে গেলে এতে ২ টেবিল চমাচ মধু মিশিয়ে ঠাণ্ডা হতে দিন। এটি ফ্রিজে ২ সপ্তাহ পর্যন্ত রাখতে পারবেন। ভাল ফল পেতে দুধের সাথে মিশিয়ে পান করুন। আপনি যদি হাঁপানির রোগী হয়ে থাকেন তবে এই মিশ্রণটি ঘরে তৈরি করে রাখুন।.

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…

আঁচিল ঝরান প্রাকৃতিক উপায়ে

আঁচিলের কারণে অনেক সময় সৌন্দর্যে ভাটা পড়ে। শরীরের নানা স্থানে আঁচিল হতে দেখা যায়।এটি সাধারণত কালো, বাদামী, লাল, গোলাপি রঙের হয়ে থাকে। একেক জনের ক্ষেত্রে এর আকার, আকৃতি ভিন্ন ভিন্ন রকম হয়। এটি অনেক সময় এমনিতেই সেরে যায়। অনেক সময় রয়ে যায় স্থায়ী দাগ হয়ে। আঁচিল দূর করা যায় দুই ভাবে। সার্জিক্যালি এবং প্রাকৃতিক উপায়ে। আঁচিল সমস্যা সমাধানে কয়েকটি নিরাপদ ঘরোয়া উপায় জেনে রাখা ভালো। নিজের এবং অন্যের প্রয়োজনে যেকোনো সময় কাজে দিতে পারে।
অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার খুবই পরিচিত একটি নাম। দিনে দু’বার আঁচিলের ওপর তুলোয় করে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চোখের পাতায় যদি লাগান খেয়াল রাখুন যাতে ভেতরে না যায়। নিয়মটি অনুসরণ করুন ২-৪ সপ্তাহ। আঁচিল ঝরে পড়বে।
ক্যাস্টর ওয়েল এবং বেকিং সোডা একসাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে আঁচিলের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকালে ধুয়ে নিন। সবচেয়ে ভালো ফল পেতে রাতে লাগিয়ে রেখে সকালে ধুয়ে নেবেন। দ্রুত আঁচিল করার জন্য টি ট্রি ওয়েল অত্যন্ত কার্যকরী। সুপার শপ বা শপিং মলে এই তেল পাওয়া যায়। ভেজা তুলায় ক’ফোঁটা টি ট্রি ওয়েল নিয়ে আঁচিলের ওপর মিনিট দশেক লাগ…