সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

চিনির ৮ টি মারাত্মক ক্ষতিকর দিক

আমাদের মিষ্টিমুখ না হলে দিন ভালো কাটে না। আর আমাদের কাছে মিষ্টিমুখ মানেই হচ্ছে অতিরিক্ত চিনি সমৃদ্ধ নানা খাবার খাওয়া। তবে চিনি যে আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য একেবারেই ভালো নয় তা কিন্তু আমরা ভালোই জানি। বাড়তি ওজন শরীরে যোগ হওয়া, দাঁতের ক্ষতি করা, ডায়বেটিস রোগীদের জন্য চিনি ক্ষতিকর ইত্যাদি আমাদের সবারই জানা।

কিন্তু আপনি জানেন কি, চিনির এর চাইতেও মারাত্মক ক্ষতিকর কিছু দিক রয়েছে? শুধু তাই নয় চিনির এই মারাত্মক ক্ষতিকর দিকগুলো আমাদের দেহে খুবই খারাপ প্রভাব ফেলে থাকে। আজকে জেনে নিন মুখের স্বাদের জন্য খাওয়ার চিনির মারাত্মক সব ক্ষতিকর দিকগুলো যা আপনার একেবারেই অজানা।
১. ক্যান্সারের জন্য দায়ী:- অতিরিক্ত চিনি খাওয়ার ফলে দেহে ক্যান্সারের কোষ বৃদ্ধির সম্ভাবনা বেড়ে যায়। বিশেষ করে প্যানক্রিয়েটিক ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায় চিনি।

২. চিনি বাড়ায় ওজন:- অতিরিক্ত চিনি আমাদের ক্ষুধার উদ্রেক করে যা সহজে পূরণ হতে চায় না। আর একারণেই ক্ষুধা মেটাতে যাওয়া দেহে যোগ করে বাড়তি ওজন।

৩ .শেখার ক্ষমতা নষ্ট করে:- প্রায় ১ মিলিয়ন শিশুর উপর গবেষণা চালিয়ে দেখা যায় অন্যান্য শিশুদের তুলনায় যারা চিনি সমৃদ্ধ খাবার বেশি খেয়ে থাকে তারা প্রায় ৪১% কম নম্বর পায় পরীক্ষায়। এরপর গবেষণায় দেখা যায় চিনির ক্ষতিকর প্রভাব মস্তিষ্কে পড়ার ফলে শেখার ক্ষমতা লোপ পেতে থাকে।

৪.লিভার ড্যামেজের জন্য দায়ী:-
চিনি খুব সহজে হজম হতে চায় না। আর একারণে অনেকটা সময় ধরেই এটি দেহে থাকে যা দূর করতে লিভারকে বেশি কাজ করতে হয়। আর অতিরিক্ত কাজের কারণে লিভার তার স্বাভাবিকতা হারায়। এতে করে ধীরে ধীরে লিভারের কর্মক্ষমতা লোপ পেতে থাকে।

৫.অল্প বয়সে বুড়িয়ে যাওয়া:- অতিরিক্ত চিনি খাওয়ার অভ্যাস ত্বকের ইলাস্টিসিটি কমিয়ে দেয়। যার ফলে দেহের চামড়া ঝুলে যাওয়া, চামড়া কুঁচকে যাওয়ার সমস্যা দেখা দেয়।

৬. দাঁতের ক্ষয়:- অনেকের ধারণা চকলেট দাঁতের জন্য ক্ষতিকর। কিন্তু মূলত চকলেট নয় চকলেটে থাকা চিনি দাঁতের ক্ষয়ের জন্য দায়ী থাকে।

৭. ইনসুলিনের মাত্রা বাড়ায় চিনি:- হুট করেই দেহের রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়িয়ে দেয় চিনি। প্রতিবার এই কাজটির কারণে দেহে ইনসুলিন হরমোনের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে এবং এই হরমোনটির স্বাভাবিক উৎপাদন ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। আর একারণেই চিনি ডায়বেটিস রোগীদের জন্য ক্ষতিকর।

৮.অপুষ্টি বাড়ায় চিনি:- চিনি দেহের জন্য স্বাস্থ্যকর পুষ্টি উপাদান শোষণে বাঁধা প্রদান করে থাকে। বিশেষ করে শিশু দেহে এই জিনিসটি বেশি নজরে পড়ে, যার কারণে অপুষ্টি জনিত সমস্যা পড়তে দেখা যায় অনেককে।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…

আঁচিল ঝরান প্রাকৃতিক উপায়ে

আঁচিলের কারণে অনেক সময় সৌন্দর্যে ভাটা পড়ে। শরীরের নানা স্থানে আঁচিল হতে দেখা যায়।এটি সাধারণত কালো, বাদামী, লাল, গোলাপি রঙের হয়ে থাকে। একেক জনের ক্ষেত্রে এর আকার, আকৃতি ভিন্ন ভিন্ন রকম হয়। এটি অনেক সময় এমনিতেই সেরে যায়। অনেক সময় রয়ে যায় স্থায়ী দাগ হয়ে। আঁচিল দূর করা যায় দুই ভাবে। সার্জিক্যালি এবং প্রাকৃতিক উপায়ে। আঁচিল সমস্যা সমাধানে কয়েকটি নিরাপদ ঘরোয়া উপায় জেনে রাখা ভালো। নিজের এবং অন্যের প্রয়োজনে যেকোনো সময় কাজে দিতে পারে।
অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার খুবই পরিচিত একটি নাম। দিনে দু’বার আঁচিলের ওপর তুলোয় করে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চোখের পাতায় যদি লাগান খেয়াল রাখুন যাতে ভেতরে না যায়। নিয়মটি অনুসরণ করুন ২-৪ সপ্তাহ। আঁচিল ঝরে পড়বে।
ক্যাস্টর ওয়েল এবং বেকিং সোডা একসাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে আঁচিলের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকালে ধুয়ে নিন। সবচেয়ে ভালো ফল পেতে রাতে লাগিয়ে রেখে সকালে ধুয়ে নেবেন। দ্রুত আঁচিল করার জন্য টি ট্রি ওয়েল অত্যন্ত কার্যকরী। সুপার শপ বা শপিং মলে এই তেল পাওয়া যায়। ভেজা তুলায় ক’ফোঁটা টি ট্রি ওয়েল নিয়ে আঁচিলের ওপর মিনিট দশেক লাগ…