সর্বশেষ আপডেট
অপেক্ষা করুন...
শুক্রবার, ১০ জুন, ২০১৬

ব্রেকফাস্ট মানেই বাটার টোস্ট, স্যান্ডউইচ। আর টিফিনে পাওরুটি কিংবা ফ্রেঞ্চ টোস্ট বা ডিম পাঁউরুটি। আসুন দেখে নেওয়া যাক পাঁউরুটির নানা পদ খেতে খেতে নিজের শরীরের কীভাবে বারোটা বাজাচ্ছেন আপনি? প্রথমেই আসা যাক পাঁউরুটি তৈরির কথায়। অনেকেই মনে করেন পাঁউরুটির আটা পা দিয়ে মাখা হয়। সাধারণত গ্রামাঞ্চলের বেকারীগুলোতে এমনটা করা হয়। তবে অত্যাধুনিক মেশিনেও মাখা হয় পাঁউরুটির আটা।

পাঁউরুটি তৈরির সময় অনেক ধরনের পুষ্টি উপাদান বাদ চলে যায়। আটার নিজস্ব একটা গন্ধ রয়েছে। সেই গন্ধ থাকলে একেবারেই সুস্বাদু হবে না পাঁউরুটি। সেই গন্ধকে সরাতে ব্যবহার করা হয় বিভিন্ন ধরনের ফ্লেভার, যা স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর।
ধবধবে সাদা দেখাতে পাঁউরুটিকে ব্লিচ করা হয়। এই পদ্ধতিটিও শরীরের জন্য ভীষণ ক্ষতিকারক। যে সব শস্য দিয়ে পাঁউরুটি তৈরি হয়, তা খেলে পরে অ্যাসিডিটি হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

আঠালো হওয়ার জন্য পাঁউরুটি হজম হতে অনেক সময় লাগে।

পাঁউরুটি খেলে শরীরে জমা হতে পারে কার্বন-ডাই-অক্সাইড ও ব্রোমাইন জাতীয় বিষাক্ত যৌগ।

পাঁউরুটিতে থাকে অনেক বেশি লবণ ও সোডিয়াম যা স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ ক্ষতিকর।

লবণ, রিফাইন্ড চিনি ও প্রিজারভেটিভস থাকায় পাঁউরুটি খেলে ওজন বাড়ে।

তাহলে কী ভাবছেন? এবার থেকে আর পাঁউরুটি খাবেন না? ব্রেকফাস্ট কিংবা টিফিনে একেবারেই তাহলে বন্ধ করে দেবেন পাঁউরুটি? সিদ্ধান্ত আপনার হাতে।
আধুনিক হোমিওপ্যাথি, ঢাকা
ডাক্তার হাসান; ডি. এইচ. এম. এস(BHMC)
যৌন ও স্ত্রীরোগ, লিভার, কিডনি ও পাইলসরোগ বিশেষজ্ঞ হোমিওপ্যাথ
১০৬ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪, বাংলাদেশ
ফোন :- +88 01727-382671 এবং +88 01922-437435
স্বাস্থ্য পরামর্শের জন্য যেকোন সময় নির্দিধায় এবং নিঃসংকোচে যোগাযোগ করুন।

1 comments:

 
[X]