সর্বশেষ আপডেট
অপেক্ষা করুন...
শনিবার, ২ জুলাই, ২০১৬

পরিপাকতন্ত্রে বড় কোনো সমস্যা নেই, তবু সহজে কিছু হজম হয় না—এমন অনেকে আছেন। কিছু খেলেই তাঁদের পেট কামড়ায়, মলত্যাগ করলে সেই অস্বস্তি কমে। কেউ খুব কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগছেন, কারও আবার পাতলা পায়খানা হয় বেশি। এ ধরনের সমস্যার নাম ইরিটেবল বাউয়েল সিনড্রম বা আইবিএস। এর সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। তাই খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপনের ধরনে কিছু পরিবর্তন আনতে হবে। জেনে নিন, বদহজমের রোগীদের খাদ্যতালিকা কেমন হবে—

সমস্যা যাঁদের কোষ্ঠকাঠিন্য: ময়দার রুটি বা পাউরুটি, সরু বা আতপ চালের ভাত, পোলাও, সাদা আটার রুটি ইত্যাদি খাবার কোষ্ঠকাঠিন্য রোগীর না খাওয়াই ভালো। চিপস, কুকিজ বা বেকারির বিস্কুট এবং কফি ও কার্বনযুক্ত পানীয়ও তাঁদের জন্য খারাপ। মাংসের তৈরি খাবারও তাঁদের সমস্যা বাড়াতে পারে। এমন রোগীদের জন্য পূর্ণ দানাদার শস্যের তৈরি খাবার উপকারী। যেমন: লাল চালের ভাত, লাল আটার তৈরি রুটি। ওটমিল, বীজজাতীয় খাবার যেমন: বরবটি, মটরশুঁটি, আস্ত ফলমূল ও শাকসবজি তাঁদের জন্য ভালো। শুষ্ক ফল যেমন কিশমিশ খেতে পারেন। প্রচুর পানি পান করতে হবে। দৈনিক প্রচুর পরিমাণে আঁশযুক্ত খাবারও খেতে হবে।
ডায়রিয়া যাঁদের সমস্যা:কারও আবার খাবারে একটু এদিক-ওদিক হলেই পাতলা পায়খানা হয়। তাঁরা এড়িয়ে চলবেন বেশি আঁশযুক্ত খাবার যেমন খোসাসহ ফল বা সবজি। চকলেট, ভাজা ও তেলযুক্ত খাবার, অনেকের জন্য দুধ ও দুধের তৈরি খাবারও বদহজমের কারণ হতে পারে। একসঙ্গে প্রচুর না খেয়ে একটু একটু করে একেক সময় খান। খাওয়ার অন্তত এক ঘণ্টা আগে পানি পান করবেন, মাঝে মাঝে নয়। খুব ঠান্ডা ও খুব গরম খাবার (যেমন: গরম স্যুপ ও ঠান্ডা পানীয়) একই সঙ্গে গ্রহণ করবেন না। মাঝারি মাত্রার আঁশযুক্ত খাবার খান। কাঁচা সবজি না খাওয়াই ভালো। বিশেষ করে শাক, ফুলকপি, বাঁধাকপি, ব্রকোলি, পেঁয়াজজাতীয় সবজি পেটে গ্যাস বাড়াতে পারে।
আধুনিক হোমিওপ্যাথি, ঢাকা
ডাক্তার হাসান; ডি. এইচ. এম. এস(BHMC)
যৌন ও স্ত্রীরোগ, লিভার, কিডনি ও পাইলসরোগ বিশেষজ্ঞ হোমিওপ্যাথ
১০৬ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪, বাংলাদেশ
ফোন :- +88 01727-382671 এবং +88 01922-437435
স্বাস্থ্য পরামর্শের জন্য যেকোন সময় নির্দিধায় এবং নিঃসংকোচে যোগাযোগ করুন।

0 comments:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

 
[X]