সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ছদ্মবেশে ঝিনাইদহে ৪ মাস ছিলেন নিবরাস

গুলশানের রেস্তোরাঁয় জঙ্গি হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী নিবরাস ইসলামসহ ৮ জঙ্গি ঝিনাইদহ জেলা শহরের খোন্দকার পাড়ার (সোনালী পাড়া) অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট কওছার আলীর বাড়িতে ভাড়া ছিলেন বলে জানা গেছে।

ঈদের আগের দিন বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে যৌথবাহিনীর সদস্যরা ওই বাড়ির মালিক কাওছার আলীসহ পাঁচজনকে আটক করেছে বলে দাবি করেছেন কাওছার আলী স্ত্রী বিলকিস নাহার।

তবে আইন-শৃংখলা বাহিনীর কোনো সূত্র বিষয়টি স্বীকার করেনি।

এদিকে দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানায়, ওই দিন (বুধবার ৬ জুলাই দিবাগত রাত) রাজধানী থেকে উচ্চ পর্যায়ের একটি গোয়েন্দা দল ঝিনাইদহে আসেন। তারা স্থানীয় আইন-শৃংখলা বাহিনীর অন্তত ৩০ সদস্যর একটি দলকে সঙ্গে নিয়ে অভিযান পরিচালনা করেন।
ওই সময় বাড়ির মালিক কওছার আলী (৫০) ও তার দুই ছেলে বিনছার আলী (২৫) এবং বেনজির আলীকে (২২) প্রথমে আটক করা হয়। এরপর তাদের দেয়া তথ্য মতে বাড়ির সঙ্গে লাগোয়ো খোন্দকারপাড়া ও সোনালী পাড়ার মসজিদের ঈমাম রোকনুজ্জামান এবং স্থানীয় মকতবের শিক্ষক আবুল কালাম আজাদের ছেলে হাফেজ সাব্বিরকে আটক করা হয়।

জানা গেছে, ঈদের দিন গত ৭ জুলাই বৃহস্পতিবার বিকেলে কাওছার আলীর স্ত্রী বিলকিসকেও স্থানীয় র্যাাব ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে ওই দিন রাতেই তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। ওই বাড়ির ভাড়াটিয়াদের গৃহকর্মী জেলা শহরের হামদহের বিলপাড়ার এলাকার এক নারীকেও (বর্ষার মা) জিজ্ঞাসাবাদের পরে পরে ছেড়ে দেয়া হছেয়ে।

ঝিনাইদহ জেলা শহরের হামদহ খোন্দকারপাড়া ও সোনালী পাড়ায় যৌথভাবে ৩ শতক জমির ওপর একটি পাকা মসজিদ তৈরি করা হয়েছে।

২০১৫ সালে ঈদুল আজহার পরে এ মসজিদে ইমাম হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, যশোর জেলার ঝিকরগাছার নাইরা গ্রামের মৃত আইনুদ্দিনের ছেলে রোকনুজ্জামানকে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, ঝিনাইদহ জেলা শাখার সভাপতি সদর উপজেলার নারিকেল বাড়িয়া হাইস্কুলের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. সরাফত হোসেন জোয়ারদার এ মসজিদ কমিটির সভাপতি।

কওছার আলী ওই মসিজিদ কমিটির ক্যাশিয়ার।

তিনি এসব তথ্য দিয়ে বলেন, রোকনুজ্জামানকে নিয়মিত বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে দেখেছেন তারা। অবিবাহিত এই ইমাম প্রথমে মসজিদের পাশের মন্টুর মিয়ার ছাত্রাবাসে উঠেন। ইদানিং তার থাকার জন্য মসজিদের দ্বিতীয় তলায় একটি ঘর করে দেয়া হয়েছে। সেখানে থাকতেন তিনি।

কাওছার আলীর বাড়িতে কি ঘটেছে জানা নেই দাবি করে সরাফত হোসেন বলেন, আইন-শৃংখলা বাহিনীর হেফাজতে থাকা হাফেজ সাব্বির বরিশালের ছরছিনা মাদ্রাসার ৯বম শ্রেণির ছাত্র। আটক হওয়ার দিন রাতে মসজিদের ইমাম ও হাফেজ সাব্বির এক সঙ্গে ছিলেন।

যৌথবাহিনীর সদস্যরা দুইজনকেই ধরে নিয়ে গেছেন বলে ঘটনার পরের দিন শুক্রবার শুনেছেন তিনি। তথ্যসূত্র: যুগান্তর

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিয়মিত ঘৃতকুমারী রস পানের ৭টি বিস্ময়কর উপকারিতা

অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী অতি পরিচিত একটি উদ্ভিদের নাম। বহুগুণে গুণান্বিত এই উদ্ভিদের ভেষজ গুণের শেষ নেই। এতে আছে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, ফলিকঅ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড ও ভিটামিনএ, বি৬,বি২ ইত্যাদি। অ্যালোভেরার জেল রুপচর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য রক্ষায় ব্যবহার হয়ে আসছে। অনেকেই অ্যালোভেরা জুস পান করে থাকেন। আপনি জানেন কি প্রতিদিন অ্যালোভেরা জুস পান করার উপকারিতা?

১। হার্ট সুস্থ রাখতে :- আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা জুস। অ্যালোভেরা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এটি দূষিত রক্ত দেহ থেকে বের করে রক্ত কণিকা বৃদ্ধি করে থাকে। এটি দীর্ঘদিন আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে থাকে।

২। মাংসপেশী ও জয়েন্টের ব্যথা প্রতিরোধ :- অ্যালোভেরা মাংসপেশীর ব্যথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। এমনকি ব্যথার স্থানে অ্যালোভেরা জেলের ক্রিম লাগালে ব্যথা কমে যায়।

৩। দাঁতের যত্নে :- অ্যালোভেরা জুস দাঁত এবং মাড়ির ব্যথা উপশম করে থাকে। এতে কোন ইনফেকশন থাকলে তাও দূর করে দেয়। নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস খাওয়ার ফলে দাঁত ক্ষয় প্রতিরোধ করা সম্ভব। ৪। ওজন হ্রাস করতে :- ওজন কমাতে অ…

পুরুষত্বহীনতা, অকাল বীর্যপাত ও লিঙ্গ উথান সমস্যা দূর করে সুস্থ যৌনজীবন দেয় জাফরান৷

জাফরানের ২০টি ঔষধি গুন বিশ্বের সবচেয়ে দামী মশলা জাফরান। স্যাফরন বা কেশর নামেও এটি পরিচিত৷ এই মশলা নামীদামী অনেক খাবারে ব্যবহৃত হয়। খাবারের স্বাদ, ঘ্রাণ, রঙ বাড়িয়ে তুলতে এই ‘গোল্ডেন স্পাইস’ এর জুড়ি নেই। তবে জাফরানের কাজ শুধু এরমধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। জাফরানের মধ্যে রয়েছে অসাধারণ ঔষধিগুণ। জাফরানে রয়েছে বিস্ময়কর রোগ নিরাময় ক্ষমতা৷মাত্র ১ চিমটে জাফরান আপনাকে প্রায় ২০ টি শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। ১. জাফরানে রয়েছে পটাশিয়াম যা উচ্চ রক্ত চাপ ও হৃদপিণ্ডের সমস্যা জনিতরোগ দূর করে।
২. হজমে সমস্যা এবং হজম সংক্রান্ত যে কোনও ধরনের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে জাফরান।
৩. জাফরানের পটাশিয়াম আমাদের দেহে নতুন কোষ গঠন এবং ক্ষতিগ্রস্থ কোষ সারিয়ে তুলতে সহায়তা করে।
৪. জাফরানের নানা উপাদান আমাদের মস্তিষ্ককে রিলাক্স করতে সহায়তা করে, এতে করে মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা জনিত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷
৫. মেয়েদের মাসিকের অস্বস্তিকর ব্যথা এবং মাসিক শুরুর আগের অস্বস্তি দূর করতে জাফরানের জুড়ি নেই।
৬. নিয়মিত জাফরান সেবনে শ্বাস প্রশ্বাসের নানা ধরণের সমস্যা যেমন অ্যাজমা,পারটুসিস, কাশি এবং বসে যাওয়া কফ দূর করতে…

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…