সর্বশেষ আপডেট
অপেক্ষা করুন...
বৃহস্পতিবার, ১৪ জুলাই, ২০১৬

গুলশানের রেস্তোরাঁয় জঙ্গি হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী নিবরাস ইসলামসহ ৮ জঙ্গি ঝিনাইদহ জেলা শহরের খোন্দকার পাড়ার (সোনালী পাড়া) অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট কওছার আলীর বাড়িতে ভাড়া ছিলেন বলে জানা গেছে।

ঈদের আগের দিন বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে যৌথবাহিনীর সদস্যরা ওই বাড়ির মালিক কাওছার আলীসহ পাঁচজনকে আটক করেছে বলে দাবি করেছেন কাওছার আলী স্ত্রী বিলকিস নাহার।

তবে আইন-শৃংখলা বাহিনীর কোনো সূত্র বিষয়টি স্বীকার করেনি।

এদিকে দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানায়, ওই দিন (বুধবার ৬ জুলাই দিবাগত রাত) রাজধানী থেকে উচ্চ পর্যায়ের একটি গোয়েন্দা দল ঝিনাইদহে আসেন। তারা স্থানীয় আইন-শৃংখলা বাহিনীর অন্তত ৩০ সদস্যর একটি দলকে সঙ্গে নিয়ে অভিযান পরিচালনা করেন।
ওই সময় বাড়ির মালিক কওছার আলী (৫০) ও তার দুই ছেলে বিনছার আলী (২৫) এবং বেনজির আলীকে (২২) প্রথমে আটক করা হয়। এরপর তাদের দেয়া তথ্য মতে বাড়ির সঙ্গে লাগোয়ো খোন্দকারপাড়া ও সোনালী পাড়ার মসজিদের ঈমাম রোকনুজ্জামান এবং স্থানীয় মকতবের শিক্ষক আবুল কালাম আজাদের ছেলে হাফেজ সাব্বিরকে আটক করা হয়।

জানা গেছে, ঈদের দিন গত ৭ জুলাই বৃহস্পতিবার বিকেলে কাওছার আলীর স্ত্রী বিলকিসকেও স্থানীয় র্যাাব ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে ওই দিন রাতেই তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। ওই বাড়ির ভাড়াটিয়াদের গৃহকর্মী জেলা শহরের হামদহের বিলপাড়ার এলাকার এক নারীকেও (বর্ষার মা) জিজ্ঞাসাবাদের পরে পরে ছেড়ে দেয়া হছেয়ে।

ঝিনাইদহ জেলা শহরের হামদহ খোন্দকারপাড়া ও সোনালী পাড়ায় যৌথভাবে ৩ শতক জমির ওপর একটি পাকা মসজিদ তৈরি করা হয়েছে।

২০১৫ সালে ঈদুল আজহার পরে এ মসজিদে ইমাম হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, যশোর জেলার ঝিকরগাছার নাইরা গ্রামের মৃত আইনুদ্দিনের ছেলে রোকনুজ্জামানকে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, ঝিনাইদহ জেলা শাখার সভাপতি সদর উপজেলার নারিকেল বাড়িয়া হাইস্কুলের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. সরাফত হোসেন জোয়ারদার এ মসজিদ কমিটির সভাপতি।

কওছার আলী ওই মসিজিদ কমিটির ক্যাশিয়ার।

তিনি এসব তথ্য দিয়ে বলেন, রোকনুজ্জামানকে নিয়মিত বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে দেখেছেন তারা। অবিবাহিত এই ইমাম প্রথমে মসজিদের পাশের মন্টুর মিয়ার ছাত্রাবাসে উঠেন। ইদানিং তার থাকার জন্য মসজিদের দ্বিতীয় তলায় একটি ঘর করে দেয়া হয়েছে। সেখানে থাকতেন তিনি।

কাওছার আলীর বাড়িতে কি ঘটেছে জানা নেই দাবি করে সরাফত হোসেন বলেন, আইন-শৃংখলা বাহিনীর হেফাজতে থাকা হাফেজ সাব্বির বরিশালের ছরছিনা মাদ্রাসার ৯বম শ্রেণির ছাত্র। আটক হওয়ার দিন রাতে মসজিদের ইমাম ও হাফেজ সাব্বির এক সঙ্গে ছিলেন।

যৌথবাহিনীর সদস্যরা দুইজনকেই ধরে নিয়ে গেছেন বলে ঘটনার পরের দিন শুক্রবার শুনেছেন তিনি। তথ্যসূত্র: যুগান্তর
আধুনিক হোমিওপ্যাথি, ঢাকা
ডাক্তার হাসান; ডি. এইচ. এম. এস(BHMC)
যৌন ও স্ত্রীরোগ, লিভার, কিডনি ও পাইলসরোগ বিশেষজ্ঞ হোমিওপ্যাথ
১০৬ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪, বাংলাদেশ
ফোন :- +88 01727-382671 এবং +88 01922-437435
স্বাস্থ্য পরামর্শের জন্য যেকোন সময় নির্দিধায় এবং নিঃসংকোচে যোগাযোগ করুন।

0 comments:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

 
[X]