সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পেটে গ্যাসের সমস্যা সমাধান করুন ঘরোয়া ৫ উপায়ে

ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে খুশি। এই খুশি দ্বিগুণ হয়ে যায় মজাদার সব খাবারের সমারোহে। কিন্তু এক মাস রোজা রাখার পর হঠাৎ করে পোলাও, বিরিয়ানি, জর্দা, সেমাই ইত্যাদি ভারী খাবার খাওয়ায় পেটে গ্যাস সৃষ্টি হয়। তাই এইসময় অ্যাসিডিটি বা গ্যাস্টিকের সমস্যা ব্যাপকভাবে দেখা দেয়। তাই বলে কি ঈদে খাওয়া দাওয়া বন্ধ রাখবেন? তাও কি সম্ভব! ঘরোয়া কিছু উপায়ে পেটের গ্যাসের সমস্যা সমাধান করা সম্ভব। আসুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক জাদুকরী সেই উপায়গুলো। 

১। তুলসি তুলসির অ্যান্টিউলার উপাদান পেটের গ্যাস দূর করে। পেটে গ্যাস হলে ৫-৬টি তুলসি পাতা চিবিয়ে খান। দেখবেন সাথে সাথে পেটের গ্যাস অনেকটা কমে গেছে। 
২। দারুচিনি হজমশক্তি বৃদ্ধিতে দারুচিনি বেশ উপকারী একটি মশলা। এটি প্রাকৃতিক এনটাসিড হিসাবে কাজ করে থাকে এবং পেটের গ্যাস দূর করতে সাহায্য করে। এক কাপ পানিতে আধা চাচামচ দারুচিনি গুঁড়ো মেশান। কয়েক মিনিট সেটি জ্বাল দিন। এটি দিনে ২/৩ বার পান করতে পারেন। 
 
৩। লবঙ্গ কয়েকটি লবঙ্গ এবং দারুচিনি গুঁড়ো একসাথে মিশিয়ে নিন। এটি আপনি আপনার প্রতিদিনের খাবারের সাথে খাওয়ার অভ্যাস করুন। লবঙ্গ গ্যাসের সমস্যা দূর করার সাথে সাথে আপনার নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধও দূর করে দেবে। 
 
৪। আদা পেটে গ্যাসের সমস্যা দূর করার জন্য একটি সহজ উপাদান হল ‘আদা’ । এটি বদ হজমও দূর করে থাকে। প্রতিদিন খাবার পর এক টুকরা আদা চিবিয়ে খেলে পেটে আর গ্যাসের সম্যসা করবে না। এছাড়া আদা চা,আদা পানি পান ও গ্যাসের সমস্যা দূর করতে সহায়ক। 
 
৫। অ্যালোভেরা জুস অ্যালোভেরা জেলে শুধু রুপচর্চায় ব্যবহার হয় না, এর স্বাস্থ্য উপকারিতা অনেক। খাবার খাওয়ার আগে আধা কাপ অ্যালোভেরা জুস খেয়ে নিন। অ্যালোভেরার ল্যাক্সাটিভ উপাদান পেটের গ্যাস দূর করে। খাবার হজম করতে সাহায্য করে। টিপস: খাবার খাওয়ার সময় মেনে চলুন এই টিপসগুলো। 
  • ভালো করে খাবার চিবিয়ে খান। 
  • কোন খাবারে আপনার অ্যালার্জি আছে কিনা সেটি দেখে নিন। 
  • একবারে বেশি খাবার না খেয়ে। অল্প করে বার বার খাবার খান। 
  • কার্বনেটেড ড্রিংকস বা ক্লোড ড্রিংক্স কম পান করুন। 
  • বেশি করে পটাশিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে যেমন পালং শাক, কলা,বাদাম ইত্যাদি খাওয়ার অভ্যাস করুন।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

যেভাবে এলো বাঙালির বংশ পদবী! জেনে রাখুন বিসিএস সহ যেকোন চাকরি পরীক্ষায় কাজে আসবে

খুব বেশি প্রাচীন নয়। মধ্যযুগে সামন্তবাদী সমাজ ব্যবস্থার ফলে পরবর্তীতে বৃটিশ আমলে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সমান্তরালে বাঙালির পদবীর বিকাশ ঘটেছে বলে মনে করা হয়। অধিকাংশ ব্যক্তি নামের শেষে একটি পদবী নামক পুচ্ছ যুক্ত হয়ে আছে। যেমন উপাধি, উপনাম কিংবা বংশসূচক নামকে সাধারণ ভাবে পদবী বলা হয়।
বাঙালির জমি- জমা বিষয় সংক্রান্ত কিছু পদবী যেমন- হালদার, মজুমদার, তালুকদার, পোদ্দার, সরদার, প্রামাণিক, হাজরা, হাজারী, মন্ডল, মোড়ল, মল্লিক, সরকার, বিশ্বাস ইত্যাদি বংশ পদবীর রয়েছে হিন্দু -মুসলমান নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের একান্ত রূপ। বাঙালি মুসলমানের শিক্ষক পেশার পদবী হলো-খন্দকার, আকন্দ, নিয়াজী ইত্যাদি। আর বাঙালি হিন্দুর শিক্ষক পদবী হচ্ছে দ্বিবেদী, ত্রিবেদী, চর্তুবেদী ইত্যাদি।

এবার আপনাদের জানাবো বাঙালির কিছু বিখ্যাত বংশ পদবীর ইতিহাস। যেমন-শিকদার, সৈয়দ, শেখ, মীর, মিঞা, মোল্লা, দাস, খন্দকার, আকন্দ, চৌধুরী, ভুইয়া, মজুমদার, তরফদার, তালুকদার, সরকার, মল্লিক, মন্ডল, পন্নী, ফকির, আনসারী, দত্ত ইত্যাদি।

শিকদারঃ সুলতানি আমলে কয়েকটি মহাল নিয়ে গঠিত ছিল এক একটি শিক। আরবি শিক হলো একটি খন্ড এলাকা বা বিভাগ। এর স…

আঁচিল ঝরান প্রাকৃতিক উপায়ে

আঁচিলের কারণে অনেক সময় সৌন্দর্যে ভাটা পড়ে। শরীরের নানা স্থানে আঁচিল হতে দেখা যায়।এটি সাধারণত কালো, বাদামী, লাল, গোলাপি রঙের হয়ে থাকে। একেক জনের ক্ষেত্রে এর আকার, আকৃতি ভিন্ন ভিন্ন রকম হয়। এটি অনেক সময় এমনিতেই সেরে যায়। অনেক সময় রয়ে যায় স্থায়ী দাগ হয়ে। আঁচিল দূর করা যায় দুই ভাবে। সার্জিক্যালি এবং প্রাকৃতিক উপায়ে। আঁচিল সমস্যা সমাধানে কয়েকটি নিরাপদ ঘরোয়া উপায় জেনে রাখা ভালো। নিজের এবং অন্যের প্রয়োজনে যেকোনো সময় কাজে দিতে পারে।
অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার খুবই পরিচিত একটি নাম। দিনে দু’বার আঁচিলের ওপর তুলোয় করে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চোখের পাতায় যদি লাগান খেয়াল রাখুন যাতে ভেতরে না যায়। নিয়মটি অনুসরণ করুন ২-৪ সপ্তাহ। আঁচিল ঝরে পড়বে।
ক্যাস্টর ওয়েল এবং বেকিং সোডা একসাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে আঁচিলের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকালে ধুয়ে নিন। সবচেয়ে ভালো ফল পেতে রাতে লাগিয়ে রেখে সকালে ধুয়ে নেবেন। দ্রুত আঁচিল করার জন্য টি ট্রি ওয়েল অত্যন্ত কার্যকরী। সুপার শপ বা শপিং মলে এই তেল পাওয়া যায়। ভেজা তুলায় ক’ফোঁটা টি ট্রি ওয়েল নিয়ে আঁচিলের ওপর মিনিট দশেক লাগ…