সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পেটের মেদ কমিয়ে ফেলুন মাত্র ১৫ সেকেন্ড ব্যায়ামে

অনেকেই বলতে শোনা যায় ‘মেদ ভুঁড়ি, কী করি!” মেদ বা ভূঁড়ি বলতে মূলত আমরা পেটের মেদকে বুঝিয়ে থাকি। নারী পুরুষ উভয়ই পেটের মেদ সমস্যায় ভুগে থাকেন। শরীরের অন্যান্য অংশের চেয়ে পেটে দ্রুত মেদ জমে থাকে। আর একবার পেটে মেদ জমলে তা দূর করা বেশ কষ্টকর হয়। ডায়েট করে ওজন হ্রাস করা গেলেও পেটের মেদ কমানো বেশ কঠিন। দ্রুত পেটের মেদ কমানোর জন্য ব্যায়াম সবচেয়ে বেশি কার্যকর। 

জিমে গিয়ে নিয়মিত ব্যায়াম করা বেশ সময় সাপেক্ষ এবং কষ্টকর। তাহলে উপায়? আজ বিডি রমণী আপনাদের দিচ্ছে এর কার্যকারী উপায় , আর তাতে ঘরে মাত্র ১৫ সেকেন্ড একটি সহজ ব্যায়াম করে কমিয়ে ফেলতে পারেন পেটের মেদ! শুনতে অবিশ্বাস্য শোনালেও এটি সত্যি। জাদুকরী ব্য্যামটির নাম “দ্যা প্ল্যাঙ্ক’!
যেভাবে করবেন
১। ঘাড় এবং কাঁধ সোজা রেখে মাটিতে দৃঢ়ভাবে হাত রাখুন।

২। এই ব্যায়ামের সম্পূর্ণ মনো্যোগ পেটের দিকে রাখবেন, কিন্তু এই ব্যায়ামের প্রেশারটি পা দিয়ে দিতে হবে। পায় হিল করে চাপ পায়ের আঙুল হতে থেকে স্থানান্তর করা যা উরুর পেশীতে টান অনুভব করে দিয়ে থাকে।

৩। এটি পা থেকে মাথা পর্যন্ত সমস্ত শরীর সমতল থাকবে। না ত্রিকোণ আকৃতির অথবা কোন আকৃতির মত নয়।

৪। ব্যায়ামটি সহজ করার জন্য আপনি গভীরভাবে নিঃশ্বাস নিতে পারেন।

৫। কিংবা মনে করতে পারেন আপনার পিঠের উপরে এক গ্লাস পানি রাখা আছে। এটি আপনাকে একদম সোজা থাকতে সাহায্য করবে।

৬। আপনার পায়ের আঙুল এবং হাত মাটিতে থাকবে এবং আপনার পিঠ অব্যশই সমান থাকতে হবে।

৭। পায়ের আঙ্গুল উপর চাপ প্রয়োগ করুন, এবং প্রথমে ডান পায়ে তারপর বাম পায়ে একইভাবে পুনরাবৃত্তি করুন। এটি করার সময় আপনার মনে করা উচিত আপনার শরীরের সম্পূর্ণ ওজন আপনার পায়ের আঙ্গুল এবং হাত উপর নির্ভর করছে।

৮। এভাবে ২০-৬০ সেকেন্ড থাকুন।

৯। আস্তে আস্তে এই ব্যায়াম করার সময়টি বৃদ্ধি করুন। প্রথম যারা করছেন তারা ১৫ সেকেন্ড, তারপর ৩০ সেকেন্ড এবং সবশেষ ৬০ সেকেন্ড পর্যন্ত করার অভ্যাস তৈরি করুন।
এটি নিয়মিত এক থেকে দুই মাস করুন, এটি আপনার পেটের মেদ কমাতে সাহায্য করবে।সম্ভব হলে দিনে তিনবার এই ব্যায়াম করুন, আর এক মাসের মধ্যে পেয়ে যান সমান পেট।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…

আঁচিল ঝরান প্রাকৃতিক উপায়ে

আঁচিলের কারণে অনেক সময় সৌন্দর্যে ভাটা পড়ে। শরীরের নানা স্থানে আঁচিল হতে দেখা যায়।এটি সাধারণত কালো, বাদামী, লাল, গোলাপি রঙের হয়ে থাকে। একেক জনের ক্ষেত্রে এর আকার, আকৃতি ভিন্ন ভিন্ন রকম হয়। এটি অনেক সময় এমনিতেই সেরে যায়। অনেক সময় রয়ে যায় স্থায়ী দাগ হয়ে। আঁচিল দূর করা যায় দুই ভাবে। সার্জিক্যালি এবং প্রাকৃতিক উপায়ে। আঁচিল সমস্যা সমাধানে কয়েকটি নিরাপদ ঘরোয়া উপায় জেনে রাখা ভালো। নিজের এবং অন্যের প্রয়োজনে যেকোনো সময় কাজে দিতে পারে।
অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার খুবই পরিচিত একটি নাম। দিনে দু’বার আঁচিলের ওপর তুলোয় করে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চোখের পাতায় যদি লাগান খেয়াল রাখুন যাতে ভেতরে না যায়। নিয়মটি অনুসরণ করুন ২-৪ সপ্তাহ। আঁচিল ঝরে পড়বে।
ক্যাস্টর ওয়েল এবং বেকিং সোডা একসাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে আঁচিলের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকালে ধুয়ে নিন। সবচেয়ে ভালো ফল পেতে রাতে লাগিয়ে রেখে সকালে ধুয়ে নেবেন। দ্রুত আঁচিল করার জন্য টি ট্রি ওয়েল অত্যন্ত কার্যকরী। সুপার শপ বা শপিং মলে এই তেল পাওয়া যায়। ভেজা তুলায় ক’ফোঁটা টি ট্রি ওয়েল নিয়ে আঁচিলের ওপর মিনিট দশেক লাগ…