সর্বশেষ আপডেট
অপেক্ষা করুন...
বৃহস্পতিবার, ৭ জুলাই, ২০১৬

ঘটনাস্থলের একটি বাড়িতে বসানো ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরায় ধরা পড়ে হামলার উদ্দেশ্যে এই দুই সন্ত্রাসীর ছুটে যাওয়া ।

কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠের কাছে সন্ত্রাসীদের হামলায় (সর্বশেষ খবর অনুযায়ী ) নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা দুইজন পুলিশ সদস্যসহ মোট ৪ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজন সাধারন এলাকাবাসী ও এক সন্ত্রাসী রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আকস্মিক শুরু হওয়া এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন। এদের মধ্যে পুলিশ সদস্যই বেশি। আহতদের মধ্যে দুই পুলিশ সদস্যকে কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতাল থেকে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকার সিএমএইচে নেওয়া হয়েছে। বাকিরা কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

নিহতরা হলেন, পুলিশের কনস্টেবল জহিরুল হক, সানাউল হক ও এলাকাবাসী ঝর্ণা ভৌমিক। নিহত সন্ত্রাসীর নাম পরিচয় জানা যায়নি।
অভিযানের সময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল ও একটি চাপাতি উদ্ধার করেছে ও আহত অবস্থায় এক দুই সন্ত্রাসীসহ মোট ৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
আটক সন্ত্রাসীরা হলেন, দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার আব্দুল হাই এর ছেলে শরিফুল ইসলাম ওরফে আবু মোকাত্বিল (২২) ও কিশোরগঞ্জের পশ্চিম তারপাশা এলাকার আব্দুস সাত্তারের ছেলে জাহিদুল হক (২০)। অন্য দুইজনের নাম জানা যায়নি। কিশোরগঞ্জে শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠের কাছে সন্ত্রাসী হামলায় আটজন অংশ নেয় বলে পুলিশের হাতে আটক আহত এক সন্ত্রাসী ।

এদিকে এ ঘটনার পর ঘটনায় বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ঘটনার পর থেকেই ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি এসএম নূরুজ্জামানের নেতৃত্বে পুলিশ, র্যাব ও বিজিবির যৌথ অভিযান চলছে।

এর আগে, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার আজিমুদ্দিন হাইস্কুলের পাশে হঠাৎ টহল পুলিশের ওপর চড়াও হয় এই জঙ্গি দল। তাদের ছোঁড়া হাত বোমার বিস্ফোরণে নিহত হন জহুরুল ও আনসারুল নামে দুই পুলিশ কনস্টেবল। অন্যদিকে পুলিশের অভিযানে এক এলাকবাসী সহ নিহত হয় হামলাকারী সন্ত্রাসীদের একজন।

আহত প্রায় ১০/১২ জন পুলিশ সদস্যকে প্রথমে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সেখান থেকে ময়মনসিংহ সেনানিবাসের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ) ও পরে হেলিকপ্টারে ঢাকায় আনা হয়েছে।



ঘটনার পরপরই অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। সকাল সোয়া ৯টার দিকে ঘটনাস্থলে আসার পরপরই একই এলাকায় ওৎ পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা পুলিশের ওপর গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। পুলিশও পাল্টা গুলি করে। এক পর্যায়ে হামলাকারীরা মসজিদ সংলগ্ন একটি বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে সেখান থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে গ্রেনেড নিক্ষেপ করে ও গুলি চালায়। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে পুলিশের সঙ্গে সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি হয়। এসময় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ওই বাড়িটি চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে।

বেলা ১১টার দিকে ওই বাড়ি থেকে এক সন্ত্রাসী পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশের গুলিতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। তবে এখনো তার নাম পরিচয় জানা যায়নি।

বেলা ১২টা নাগাদ পুলিশের সঙ্গে যোগ দেয় র্যাব, বিজিবিসহ অন্যান্য বাহিনী। এর কিছুক্ষণ পর পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে আসে। বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি এসএম নূরুজ্জামান ঘটনাস্থলে আসেন। এরপরই তার নেতৃত্বে শুরু হয় সাঁড়াশি অভিযান।

ডিআইজি নূরুজ্জামান জানান, মুসল্লি বেশে সন্ত্রাসীরা অতর্কিত হামলা চালায়। তাদের হামলায় ২ পুলিশ সদস্য নিহত হয়। পুলিশের হামলায় নিহত হয় এক সন্ত্রাসী। তবে তাদের সংখ্যা কত ছিল তা জানাতে পারেননি তিনি।

ঘটনাস্থল থেকে আহত ১ জনসহ দুই সন্ত্রাসীকে ‌আটকও করেছে পুলিশ। তবে ছবিতে অস্ত্র হাতে দৌড়রত এই দুই সন্ত্রাসীকে এখনো কোথাও পাওয়া যায়নি। নাম-পরিচয়ও জানা যায়নি। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোনো জঙ্গি সংগঠন এই হামলার দায়ও স্বীকার করেনি।

এখন সবার মনে প্রশ্ন একটাই, এরা কারা? কি নাম? কি পরিচয়? কোথায় বাড়ি এই দুই জঙ্গি সহ বাকি হামলাক্রী জঙ্গীদের?
আধুনিক হোমিওপ্যাথি, ঢাকা
ডাক্তার হাসান; ডি. এইচ. এম. এস(BHMC)
যৌন ও স্ত্রীরোগ, লিভার, কিডনি ও পাইলসরোগ বিশেষজ্ঞ হোমিওপ্যাথ
১০৬ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪, বাংলাদেশ
ফোন :- +88 01727-382671 এবং +88 01922-437435
স্বাস্থ্য পরামর্শের জন্য যেকোন সময় নির্দিধায় এবং নিঃসংকোচে যোগাযোগ করুন।

0 comments:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

 
[X]